জাতীয় রাজনীতি

১ জুলাই থেকে সারাদেশে আওয়ামী লীগের প্রাথমিক সদস্য সংগ্রহ অভিযান শুরু

ফাইল ছবি

জুমবাংলা ডেস্ক: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সারাদেশের সকল জেলা ও উপজেলায় আগামী ১ জুলাই থেকে আওয়ামী লীগের প্রাথমিক সদস্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু করা হবে। খবর বাসসের।

তিনি বলেন, দলের প্রাথমিক সদস্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে পারিবারিক পরিচয়কে বড় করে না দেখে নতুন সদস্যদের রাজনৈতিক পরিচয়কেই প্রাধান্য দেয়া হবে।

ওবায়দুল কাদের আজ দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডির আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত এ সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন।

এসময় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এ কে এম এনামুল হক শামীম এমপি, দপ্তর সম্পাদক ড. আব্দুস সোবহান গোলাপ এমপি, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সবুর, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক এডভোকেট আফজাল হোসেন, কেন্দ্রীয় কার্য নির্বাহী সংসদের সদস্য আনোয়ার হোসেন ও মারুফা আক্তার পপি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দলের জাতীয় কাউন্সিল সম্পন্ন করার জন্য প্রয়োজনীয় সকল প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে সম্মেলন না করার কোন বিকল্প নেই। তাই সম্মেলন পেছানোরও কোন সুযোগ নেই।

বরগুনা শহরের রিফাত হত্যার বিষয়ে জানতে চাইলে সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, বর্বরোচিত এই হত্যাকান্ডের সঙ্গে জড়িত তিনজনকে ইতোমধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। অপরাধ ঘটার পর রাতারাতি অপরাধীদের গ্রেফতার করা সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, কোনো অপরাধ সংগঠনের পর অপরাধীরা পালানোর চেষ্টা করে এটাই স্বাভাবিক। তাই অপরাধীদের রাতারাতি গ্রেফতার করা সম্ভব হয় না।

কাদের বলেন, বরগুনায় রিফাত হত্যায় জড়িত ইতোমধ্যে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। কেউ যাতে পালাতে না পাওে সেজন্য ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

সুশাসনের অভাবে এ ধরনের হত্যাকান্ড সংঘঠিত হচ্ছে বিএনপি নেত্রী সেলিমা রহমানের এমন অভিযোগের জবাবে তিনি বলেন, বিচারহীনতার সংস্কৃতি বিএনপি সরকারের সময় ছিল। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় কেউ অপরাধ করে পার পায় না।

তিনি বলেন, অপরাধ করে আমাদের এমপি কারাগারে আছে। সুতরাং বর্তমান সরকারের সময় অপরাধ করলে তার শাস্তি পেতেই হবে।
এ বিষয়ে তিনি আরো বলেন, বিএনপির মুখে আইনের শাসনের কথা মানায় না। কারণ তারা (বিএনপি) যখন ক্ষমতায় ছিল তখন দেশে আইনের শাসন কতটুকু ছিল, তা দেশের মানুষ ভুলে যায়নি।

জুমবাংলানিউজ/এইচএম