বিনোদন

সেরা কমেডি ছবি কমেডিয়ানের চোখে

ইংল্যান্ডের সাউথ শিল্ডসের কমেডিয়ান সারাহ মিলিকেন। ২০০৮ সালে তার ‘সারাহ মিলিকান্স নট নাইস’ শোটি বেস্ট নিউকামার অ্যাওয়ার্ড পায়।
২০১১ সালে ব্রিটিশ কমেডি অ্যাওয়ার্ডে তাকে ‘কুইন অব কমেডি’ খেতাব দেওয়া হয়। তার চোখে সেরা কিছু কমেডিয়ান ছবির তালিকা দেখে নিন।

১. রাইজিং অ্যারিজোনা: ১৯৮৭ সালের ছবি। জোয়েল এবং ইথান কোয়েনের পরিচালনায় দারুণ অভিনয় করেছেন নিকোলাস কেজ। সাবেক অপরাধী তিনি, পুলিশ হান্টারের প্রেমে পড়েছেন। চমৎকারভাবে এর কাহিনী এগিয়েছে।

২. দ্য নাটি প্র্যফেসর: জেরি লুইসের ১৯৬৩ সালের ছবি। এডি মারফির অভিনয় নেই। জেরি লুইসের অনবদ্য কাহিনী সবার ভালো লাগবে।

৩. ব্রাইডসমেইডস: ২০১১ সালের পল ফিগের ছবি। মেধাবী কয়েকজন নারীর অভিনয়ে চমৎকার এক ছবি সৃষ্টি হয়েছে।

৪. হোয়েন হ্যারি মেট স্যালি…: রব রেইনারের ১৯৮৯ সালের ছবি। বিবিসি২ এর ‘দ্য মেরি হোয়াইটহাউজ এক্সপেরিয়েন্স’ থেকে ডেভিড বাদিয়েলও ছবিটির দারুণ প্রশংসা করেছেন।

৫. পিচ পারফেক্ট: জেসন মুরের ২০১২ সালের ছবি। এই ছবির কৌতুকে ছড়িয়ে রয়েছে বুদ্ধিদীপ্ততা।

৬. প্লে ইট এগেইন, স্যাম: ১৯৭২ সালের ছবি, পরিচালনায় হারবার্ট রস। উডি অ্যালেনের চমৎকার অভিনয় এখানে সবাইকে অবাক করে দেবে।

৭. টিম আমেরিকা: ওয়ার্ল্ড পুলিস: টেরি পার্কারের ২০০৪ সালের ছবি। টেরি পার্কার এবং ম্যাট স্টোনের কাহিনী দেখার মতো লাগবে।

৮. বোরাট: ল্যারি চার্লসের ২০০৬ সালের ছবি। এটি দেখার মতো এক মুভি, হাসতে হাসতে মারা যাবেন।

৯. ক্যারি অন স্ক্রিমিং!: গেরাল্ড থমাসের ১৯৬৬ সালের ছবি। একটা হরর মুভি। কিন্তু কমেডিয়ান।

১০. ফেস্টেন: থমাস ভিন্টারবার্গের ১৯৯৮ সালের ছবি। একবার দেখলে বার বার দেখতে মন চাইবে।

১১. গেট সান্তা: ক্রিস্টোফার স্মিথের ২০১৪ সালের ছবি। গোটা পরিবারকে নিয়ে মজা করে দেখা যাবে ছবিটি।

১২. হু ডেয়ার্স উইন্স: ইয়ান শার্পের ১৯৮২ সালের এক ছবি।

১৩. দ্য আনবিলিভেবল ট্রুথ: হাল হার্টলের ১৯৮৯ সালের মুভি। দারুণ কৌতুকলপূর্ণ এক মুভি।

১৪. থান্ডারক্র্যাক: কার্ট ম্যাকডোয়েলের ১৯৭৫ সালের ছবি। জর্জ কুচার আর ম্যারিয়ন ইটনের মজার এক ছবি।

১৫. মাঙ্কি বিজনেস: নরম্যান জেড ম্যাকলিওডের ১৯৩১ সালের ছবি। খুব মজা পাবেন। পছন্দ করার মতোই একটি ছবি।

ভিডিও:অবাক কান্ড ৪ বছরের শিশু চালাচ্ছে মটরসাইকেল!! তাও আবার পিছনে তিনজনকে বসিয়ে দেখুন (ভিডিও)




সর্বশেষ খবর