জাতীয় বিভাগীয় সংবাদ

সেই নয়ন বন্ড সম্পর্কে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলেন তার মা!

স্ত্রীর সামনে প্রকাশ্যে রিফাত হ*ত্যার সেই ৪৭ সেকেন্ডের ভিডিও চিত্রটি এখনো ঘুরপাক খাচ্ছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের টাইমলাইনে। অনুসন্ধান সূত্রে বেরিয়ে এসেছে রিফাত হ*ত্যার পরবর্তী চাঞ্চল্যকর সব তথ্য। সেই অনুসন্ধান সূত্রে জানা গেছে কিভাবে গড়ে উঠেছে সেই ০০৭ গ্রুপ।

সেইদিনের সেই চাঞ্চল্যকর এ হ*ত্যাকাণ্ডের মূল নায়ক নয়ন বন্ডের মা সাহিদা বেগম বলেন, ‘হ*ত্যাকাণ্ডের দিন বেলা ১১টায় নয়ন তার মাকে ফোন করে। ফোন তুলেই নয়নের মা নয়নকে প্রশ্ন করে ‘এই নয়ন তুমি নাকি কারে কো*পাইছো? আহারে কার মায়ের কোল খালি করছো’।

উত্তরে নয়ন বলে, ‘কো*পাইছি ঠিক করছি, তুমি আমার জামা কাপড় আর টাকা পয়সা ব্যবস্থা করো’ এ কথা বলেই নয়ন বন্ড বাসার কাছে একটি দোকানের পিছনে আসে। সেখান থেকে একটি ছেলেকে তার বাসায় পাঠিয়ে দেয়।

নয়ন বন্ডের মা ওই ছেলের কাছে একটি শার্ট এবং প্যান্ট পাঠিয়ে দেয়। পরে আবারও তাকে টাকা পাঠাতে বলে। এবার নয়ন বন্ডের মা নিজে এসে তার ছেলে নয়ন বন্ডের হাতে ২০,০০০ টাকা দিয়ে আসেন।’

এরপরে নয়ন বন্ড ও রিফাত টাকা নিয়ে কেজি স্কুল রোডে এক বন্ধুর বাড়িতে যায়। সেই জায়গায় তারা তিনজন বন্ধুর সাথে কথা বলে। ওই সময় নয়ন তার মোবাইল ভেঙে ফেলতে চাইলে একজন ফোনটি রেখে টাকা দিয়ে দেয়।

এরপর নয়ন ও রিফাত তাদের আরেক ক্রোক হাওলাদার বাড়ির রিফাতের এক ঘনিষ্ঠ বন্ধুর সাথে সাক্ষাৎ করে। সেখান থেকে তারা পৃথক হয়ে যায়। নয়ন পুরাকাটা ফেরি পার হয়ে আমতলী গলাচিপা হয়ে পৌঁছে যায় দশমিনায়। সেখানে বুধবার রাত কাটায় সে। এরপর নৌ ও সড়ক পথে ভেঙে ভেঙে চলে যায় উত্তরবঙ্গের জেলা শহর দিনাজপুর।

বৃহস্পতিবার রাত এবং শুক্রবার দিনের প্রথমভাগ পর্যন্ত চেষ্টা চালায় হিলি বর্ডারের চোরাপথ ধরে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার। কিন্তু এরই মধ্যে সীমান্তে রেড অ্যালার্ট জারি হওয়ায় পালাতে ব্যর্থ হয় সে।

আত্মীয় পরিজনের সঙ্গে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত মোবাইল ফোনে যোগাযোগ ছিল নয়ন বন্ডের। নিরাপত্তার স্বার্থে এরপর সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ করে দেয় সে।

জুমবাংলানিউজ/এসওআর