জাতীয় মতামত/বিশেষ লেখা/সাক্ষাৎকার

সু চির জন্য এলিজি এবং আমাদের ক্লেদাক্ত রাজনীতি-এ কে এম শাহনাওয়াজ

জগত্সংসারের নিয়মই এমন যে হাজার দম্ভ-দাপট দেখালেও বেলা শেষে যুক্তি, ন্যায় ও সত্য প্রতিষ্ঠিত হয়। মুখোমুখি হতে হয় লজ্জাজনক পরিস্থিতির।
এমন এক বিপন্ন দশায় রয়েছেন মিয়ানমার নেত্রী অং সান সু চি। অনেকের মতো সু চির প্রতি আমারও শ্রদ্ধা-ভালোবাসা ছিল। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া সুশিক্ষিত সু চি। ভুঁইফোড় কেউ নন। মিয়ানমারের ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক পরিবারের মেয়ে। নিজেও প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে। মিয়ানমারের ঘাড়ে সিন্দাবাদের বুড়োর মতো চেপে বসা সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে গণতন্ত্র রক্ষার জন্য দীর্ঘ লড়াই করেছেন। ১৫ বছর গৃহবন্দি থেকেও নতজানু হননি। বাহ্যত তিনি জনগণের জন্যই লড়াই করেছেন। এসব কারণে বিশ্ববাসীর কাছ থেকে যথেষ্ট সম্মান তিনি পেয়েছেন। মিয়ানমারে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও রক্ষার পতাকা জনগণ তাঁর হাতেই দিয়েছিল। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর লিখেছিলেন, ‘তোমার পতাকা যারে দাও, তারে বহিবারে দাও শকতি। ’ কিন্তু দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের শেষ ধাপে এসে গণতন্ত্রের পতাকা বহনের শক্তি সু চি যেন হারিয়ে ফেললেন।

মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সেলর হয়েও যে তিনি স্বাধীন নন, তা এখন স্পষ্ট। সেনাবাহিনীর ইচ্ছাকেই তাঁর সমর্থন জানিয়ে যেতে হচ্ছে। সু চির প্রতি ভালোবাসার কারণেই আমি হয়তো বিষয়টি সহজ করে নিলাম। বলতে চাইলাম না রোহিঙ্গাদের ওপর চালানো গণহত্যা, ধর্ষণ, ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া, রোহিঙ্গাদের দেশছাড়া করে একটি জাতিগোষ্ঠীকে নির্মূল করায় সু চির সমর্থন থাকতে পারে। আসলে সেনাকর্তাদের ইচ্ছাকে সমর্থন না দিয়ে তিনি পারছেন না। যেভাবেই বলি না কেন, শেষ পর্যন্ত শান্তিতে নোবেল পাওয়া শ্রদ্ধেয় নেত্রী হিরো থেকে জিরো হয়ে গেলেন। মিয়ানমারের গুরুত্বপূর্ণ পদে বসে ভয়ানক অন্যায়ের প্রতিবাদ না করে তিনি যখন বলতে থাকেন, ‘রাখাইন রাজ্যে এত মানবতাবিরোধী তাণ্ডব হচ্ছে তা তিনি জানেন না!’ নারী ধর্ষণের অভিযোগ মিথ্যা প্রচারণা বলে চালিয়ে দিতে চেয়েছেন। তাহলে মানতেই হবে, হয় তিনি ক্ষমতার মোহে পড়ে নিজ দীর্ঘ রাজনৈতিক আদর্শ থেকে বিচ্যুত হয়েছেন, নয়তো সামরিক শাসকদের অদৃশ্য শিকলে বন্দি হয়ে গেছেন। তাহলে তো সু চি মিয়ানমারের তথা বিশ্ব ইতিহাসে একটি বিয়োগান্ত কাহিনির নায়িকাই হয়ে গেলেন। তাই সু চির জন্য শেষ পর্যন্ত বীরগাথা নয়, শোকগাথাই রচনা করতে হয়।

সু চি ও তাঁর সামরিক সহচরদের বক্তব্য বিশ্ববাসী গ্রহণ করেনি। এখন আকাশ সংস্কৃতির যুগ। বিশ্বের গণমাধ্যমে প্রকাশিত হচ্ছে মিয়ানমার বাহিনীর বর্বরতার চিত্র। প্রচারিত হচ্ছে বাস্তুহারা অসহায় রোহিঙ্গাদের বিপন্ন দশার ছবি। বিশ্বনেতারা এই বর্বরতা বন্ধ করার জন্য কণ্ঠ সোচ্চার করছেন। যে কটি দেশ বাণিজ্যিক স্বার্থের কারণে মিয়ানমারের পাশে আছে সেসব দেশের নেতারাও কিন্তু বলছেন না মিয়ানমার বাহিনী মানবতাবিরোধী অপরাধ করছে না। বাংলাদেশে হাজার হাজার রোহিঙ্গা মিয়ানমার থেকে প্রতিদিন আসছে। এই বাস্তবতা তাঁরা অস্বীকার করছেন না। বরং রোহিঙ্গাদের জন্য রিলিফ পাঠাচ্ছেন।

সবার নোবেল পুরস্কার পাওয়াকে একইভাবে স্বাগত জানানো হয় না, অন্তত আজকের বিশ্বে এবং আমাদের মতো অনেক দেশে। এই ব্যক্তি নোবেল পাওয়ার যোগ্য নন; প্রভাবশালী দেশের অনুকম্পায় পেয়েছেন, ওই ব্যক্তি আসলে লবিস্ট নিয়োগ করে পেয়েছেন। আবার রাজনৈতিক পক্ষ-বিপক্ষের দৃষ্টিতেও নোবেল বিজয়ীর মূল্যায়ন হয়। কিন্তু সু চির নোবেল পাওয়া নিয়ে কোনো অস্বস্তিকর কথা আমরা শুনিনি। সবাই স্বাগত জানিয়েছেন। অথচ কী দুর্ভাগ্য সু চির, এখন সারা পৃথিবীর সচেতন মানুষ বলছেন, শান্তিতে নোবেল পাওয়ার যোগ্য নন সু চি। নোবেল পুরস্কার ফিরিয়ে নেওয়া হোক। নোবেল কর্তৃপক্ষের জবাবে মনে হলো পারলে ফিরিয়ে নিত। কিন্তু এমন নিয়ম নেই বলে ফেরত নেওয়া যাচ্ছে না।

ইংল্যান্ডের সঙ্গে মিয়ানমারের সেনাদের প্রশিক্ষণের চুক্তি ছিল। তা নাকচ করে দিয়েছে ইংল্যান্ড। নিজ কৃতী ছাত্রীর বিশাল ছবি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে টানানো ছিল। তা সরিয়ে ফেলেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। সু চির কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ঘৃণা আর প্রতিবাদ এখানেই শেষ নয়। তাঁকে অক্সফোর্ডে সম্মানসূচক ডিগ্রি ‘ফ্রিডম অব দ্য সিটি অব অক্সফোর্ড’ প্রদান করা হয়েছিল। অক্সফোর্ড সিটি কাউন্সিলের পক্ষ থেকে সু চির কাছে জানতে চাওয়া হয়, ‘তাঁর দেশ থেকে একটি নৃগোষ্ঠীকে উচ্ছেদ করা হচ্ছে—তা বন্ধে তিনি কী ভূমিকা রেখেছেন?’ কিন্তু সু চি কোনো উত্তর দেননি। অবশেষে সিটি কাউন্সিলররা গত ২ অক্টোবর এই বিষয়টি নিয়ে সভায় বসেন।

এর আগে লেবার পার্টির কাউন্সিলর মেরি ক্লার্কসন কাউন্সিলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, সু চি তাঁর দায়িত্বহীনতার পরিচয় দিয়ে সংখ্যালঘু মুসলিম রোহিঙ্গা নারীদের ধর্ষণ করাকে ‘মিথ্যা অভিযোগ’ বলে মন্তব্য করেছেন। এ অবস্থায় তাঁকে সম্মানিত করা যায় না। ক্লার্কসন সিএনএনকে এক সাক্ষাৎকারে জানান—১. সু চি মানবাধিকার রক্ষা ও রোহিঙ্গাদের প্রতি সুবিচার করতে পারেননি; ২. অক্সফোর্ডের দীর্ঘ ঐতিহ্য মানবতার পক্ষে থাকা। সু চি তা ভঙ্গ করেছেন; ৩. কাউকে সম্মানিত করা হয় স্বক্ষেত্রে দায়িত্ববোধ বৃদ্ধি করার জন্য। এ ক্ষেত্রে সু চির সাফল্য নেই। তাই সু চিকে দেওয়া সম্মানসূচক ডিগ্রি প্রত্যাহারের প্রস্তাব রাখা হয়। এরপর অক্সফোর্ড সিটি কাউন্সিলররা সর্বসম্মত ভোটে বলেন, ‘সু চি এই সম্মানের যোগ্য নন। ’ এ সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হবে ২৭ নভেম্বর অনুষ্ঠিতব্য সভায়।

একটি বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী সু চির এই হঠাৎ পতন যেন অনিবার্য হয়ে পড়েছিল। এর চেয়ে বড় ট্র্যাজেডি আর কী হতে পারে! সেনাশাসকদের অঙ্গুলি হেলনে অনেক কাজে বাধ্য হলেও বিশ্ববিবেকের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে সু চির উচিত ছিল এই বলয় ভাঙতে এগিয়ে আসা। কিন্তু কার্যত দেখা যাচ্ছে, সু চি তাঁর দেশের সেনাবাহিনীর সঙ্গে এককাতারে দাঁড়িয়েছেন মানবতার বক্ষ বিদীর্ণ করতে। প্রত্যক্ষ প্রমাণে পুরো বিশ্ববাসীর সামনে যখন মিয়ানমার সেনাদের পাশবিক নির্যাতন, হত্যা ও জাতিগত নিধন অভিযান স্পষ্ট, তখন সু চি বলছেন, ‘এটি মিয়ানমার সেনাবাহিনীর সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অভিযান। ’ তবে কি যারা গুলি-নির্যাতনে নিহত হয়েছে আর পাঁচ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা যারা বাংলাদেশে জীবন বাঁচাতে ছুটে এসেছে, অনুপ্রবেশকারীর ঢল এখনো থামছে না, সবাই কি শান্তির নেত্রী সু চির চোখে সন্ত্রাসী? আমাদের আশঙ্কা, এসব আচরণে এই একুশ শতকে মিয়ানমার একটি বর্বর দেশ হিসেবে বিশ্ববাসীর চোখে কলঙ্কিত হতে যাচ্ছে!

এবার বাংলাদেশের দিকে তাকাই। সু চির একসময় একটি পজিটিভ ইমেজ ছিল বিশ্ববাসীর চোখে, তাকে লাঞ্ছিত করলেন নিজেই। বিএনপির মতো রাজনৈতিক দলগুলোর তো সেই ইমেজও নেই। কম-বেশি আমাদের ক্ষমতার রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত বেশির ভাগ রাজনীতিকের আর দলের অতীত খতিয়ানে দুর্নীতির পাল্লাই ভারী থাকে। তাঁরা যখন নির্লজ্জ মিথ্যাচারের মধ্য দিয়ে জনগণের সামনে দাঁড়াতে চান, তখন ইতিহাসের কাছে তাঁদের অবস্থান কোথায় পৌঁছতে পারে! আর যদি বলেন অং সান সু চির সুচি-শুভ্র চেহারার এক গালে কালির পোচ পড়েছে, এখন তাঁর লজ্জায় অধোবদন হওয়া উচিত, তখন আমাদের এই নেতারা হয়তো ভাববেন, আমাদের এক গাল আগেই গেছে, না হয় আরেক গাল যাবে! ন্যাংটার আবার বাটপারের ভয় কিসের!

অনেকটা লেখা হয়ে গেছে। সম্পাদক অধিক জায়গা দেবেন না। তাই সাম্প্রতিক দুটি উদাহরণ দিয়ে বিষয়টি ব্যাখ্যা করি। আমাদের অন্যতম জনপ্রিয় দল বিএনপির নেতারা বিপুল জনসমর্থন পাওয়ার পরও তা ইতিবাচক রাজনীতির পথে হেঁটে কখনো কাজে লাগাতে পারেননি। অতীত বলে দুর্নীতির পথে হাঁটায় তাঁদের পছন্দ বেশি। ভুল রাজনীতির খেসারত দিচ্ছেন বেশ কয়েক বছর ধরে। তবু ঘুরে দাঁড়ানোর যৌক্তিক পথ খুঁজে পেলেন না। নিয়ম করে এক নেতা প্রতিদিন দলীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের ক্যামেরার সামনে পাণ্ডুলিপি হাতে সরকারবিরোধী গত্বাঁধা রেকর্ড বাজাচ্ছেন। আর দু-একজন বড় নেতা এখানে-ওখানে ঘরোয়া অনুষ্ঠানে একই ধারার নাটুকে বক্তৃতা দিচ্ছেন। ইস্যু না পেয়ে জোর করে ইস্যু বানাচ্ছেন আর লোক হাসাচ্ছেন। রোহিঙ্গা ইস্যুতে এ দেশের মানুষ শারীরিক ও মানসিকভাবে যুক্ত হয়ে গেছে। সরকার কী দায়িত্ব পালন করছে তাও দৃশ্যমান। তেমন অবস্থায় অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দল হিসেবে মানবতার আর্তিতে সাড়া দিয়ে যেভাবে নিবেদিত হওয়ার কথা, তা না করে সরকারের ব্যর্থতা প্রচার করে যাচ্ছে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রোহিঙ্গা ইস্যুতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে চালিয়ে যাওয়া তৎপরতা যখন আন্তর্জাতিক নেতাদের ও প্রভাবশালী গণমাধ্যমগুলোর কাছে প্রশংসিত হচ্ছে তখন নিন্দা গেয়ে বেড়াচ্ছেন বিএনপি নেতারা। প্রধানমন্ত্রীর ব্যর্থতা খুঁজে বেড়াচ্ছেন। এসব আচরণে জনগণের চোখে যে তাঁরা নিন্দিত হচ্ছেন সেদিকে ভ্রুক্ষেপ নেই। বরং রোহিঙ্গা ইস্যুকে মওকা হিসেবে নিয়ে এখন বেশ জোরেশোরে কণ্ঠশীলন করে যাচ্ছেন।

সংগত কারণে এখানেও সুবিধা করতে পারেননি। এবার মাননীয় প্রধান বিচারপতির ছুটি নেওয়াকে নিয়ে অবোধ প্রাণীর মতো জল ঘোলা করতে চাইলেন। উদ্ভ্রান্ত না হলে কেউ এমন পানসে বিষয়কে ইস্যু মনে করে? এবার অন্য সব কণ্ঠবাজ চেনা নেতাদের পাশাপাশি বহু ঘাটের জল খাওয়া বিএনপি নেতা মওদুদ আহমদও মঞ্চে এলেন। প্রথমে বলা হলো সরকার চাপ দিয়ে বিচারপতিকে ছুটি নিতে বাধ্য করেছে। আইন-আদালতের লোকদের আইন ভালো জানা থাকে। প্রমাণ-যুক্তি না থাকলে ফাঁসির আসামিও খালাস পেয়ে যায়। আর বারের সভাপতি ও বিএনপিদলীয় আইনজীবী সদস্যরা প্রমাণপত্র ছাড়াই প্রধান বিচারপতির ওপর সরকারি চাপের কথা বলতে লাগলেন। শুধু তাই নয়, প্রধান বিচারপতিকে গৃহবন্দি থেকে শুরু করে গুম করা হয়েছে—এসব কথা বলতেও ছাড়ল না বিএনপি পক্ষ। যখন বিচারপতি স্বয়ং সস্ত্রীক পূজা পালন করতে ঢাকেশ্বরী মন্দিরে গেলেন, ভিসার আবেদন করতে অস্ট্রেলীয় দূতাবাসে গেলেন তখন বিএনপি নেতারা সরে এলেন গৃহবন্দি আর গুমের তত্ত্ব থেকে। এবার বিএনপি নেতা মওদুদ আহমদ নিয়ে এলেন নতুন তত্ত্ব। বলতে চাইলেন প্রধান বিচারপতির পাঠানো ছুটির দরখাস্ত জাল। না হলে বেশ কয়েকটি বাংলা বানানে ভুল থাকবে কেন, আর স্বাক্ষরটির মধ্যেও ঝামেলা আছে। সাম্প্রতিক অভিজ্ঞতা থেকে মওদুদ আহমদ না হয় জালিয়াতির জ্বালা বুঝতে পেরেছেন, তবে আমরা ভেবে পাই না স্পষ্ট বক্তা প্রধান বিচারপতি কিভাবে এই জাল চিঠি নিজের বলে মেনে নিয়ে চিকিৎসার জন্য অস্ট্রেলিয়া যাওয়ার বন্দোবস্ত করছেন!

হতাশ বিএনপি নেতারা সরল রাজনীতির পথে না হেঁটে হঠাৎ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে গিয়ে প্রায়ই হোঁচট খাচ্ছেন, তবু শিক্ষা হচ্ছে না। এইতো কিছুকাল আগে লেখক ফরহাদ মজহারের অন্তর্ধানে সরকারের ওপর দায় চাপিয়ে কণ্ঠের চাকা সচল করেছিলেন বিএনপি নেতারা। কিন্তু যখন প্রমাণিত হলো ব্যক্তিগত কদর্যের কারণে লেখক নিজেই অন্তর্ধানের নাটক সাজিয়েছিলেন, তখন চুপসে গেল বিএনপি নেতাদের কথার বেলুন।

সাম্প্রতিক বাস্তবতা দেখে বিএনপি নেতাদের এই সত্যটি কি বোধে আসবে না উজ্জ্বল অতীত অর্জন থাকার পরও একটি ভয়ংকর ভুল মিয়ানমার নেত্রীকে কেমন করে কাদায় ফেলে দিল। আর কর্দমাক্ত বিএনপি নেতারা এমন বিভ্রান্ত পথে হেঁটে কি চোরাবালিতে হারিয়ে যেতে চাইছেন?

লেখক : অধ্যাপক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

shahnawaz7b@gmail.com