অপরাধ/দুর্নীতি খুলনা জাতীয় বিভাগীয় সংবাদ স্লাইডার

সাফিন হত্যার রহস্য বের হলো না ৪ দিনেও

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি: ঝিনাইদহ শহরের হামদহ শান্তিনগর পাড়ায় দিনে-দুপুরে স্কুলছাত্র সাফিন আলম হত্যার চারদিন পার হলেও রহস্য উদ্‌ঘাটন করতে পারেনি পুলিশ।

নিহত স্কুলছাত্র সাফিন আলম

এদিকে থানায় হত্যা মামলার পরও তদন্ত কাজে অগ্রগতি ও জড়িত ঘাতকদের খুঁজে গ্রেফতার করতে না পারায় স্বজন, এলাকাবাসী ও শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে।

সাফিন হত্যাকাণ্ডের পর থেকে ফেসবুকে বিচার চেয়ে সরব রয়েছেন গোটা জেলাবাসী। মাদক সেবনকারী ও ছিনতাইকারীদের হাতে স্কুলছাত্র সাফিন আলম হত্যার তদন্ত করে জড়িতদের আটকের দাবি জানিয়েছেন গোটা জেলাবাসী।

জানা গেছে, ঝিনাইদহে সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ষ্ট শ্রেণির মেধাবি ছাত্র সাফিন আলম হত্যা মামলাটি ৭২ ঘন্টা পার হয়ে গেলেও পুলিশ এখন পর্যন্ত হত্যার কোনও মোটিভ উদ্ধার করতে পারেনি। বুধবার বিকাল চারটার দিকে দিনে-দুপুরে বাসায় একা পেয়ে এ হত্যাকাণ্ডটি গোটা জেলাবাসীর মনে দাগ কেটেছে। নিহতের স্বজন ও এলাকাবাসী জড়িতদের খুঁজে বের করে তাদেরকে গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন। এরই মাঝে স্কুলের শিক্ষক, অভিভাবক, সহপাঠী ও জেলাবাসী সামাজিক মাধ্যমে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন।

পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্ত শেষে কেন্দ্রীয় করবস্থানে বৃহস্পতিবার দাফন করা হয়েছে।

শুক্রবার রাতে নিহতের পিতা আলম হোসেন বাদি হয়ে অজ্ঞাত আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশের তদন্তের কাজের অগ্রগতি নেই বলে তার স্বজন প্রতিবেশী ও শিক্ষার্থীর অভিভাবকদের মাঝে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা শিশু হত্যার কারণ উদঘাটন না করতে পারার কারণে সবাই আতংকে আছেন তাদের শিশু সন্তানদের নিয়ে।

তবে স্থানীয়রা পারিবারিক শত্রুতায় অথবা মাদকসেবীদের হাতেই সাফিন খুন হতে পারে বলে ধারণা করছেন।

এ বিষয়ে সদর সার্কেল ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কনক কুমার দাস জানান, মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে। আসামিদের গ্রেফতার করার জন্য বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ। যেকোনও সময়ে হত্যার মোটিভ উদ্ধার করে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনা হবে।

উল্লেখ্য, শহরের হামদহ শান্তিনগর পাড়ার সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন আলমের ছেলে সাফিন আলম। গত বুধবার বিকাল চারটার দিকে বাড়িতে প্রবেশ করে দুর্বত্তরা তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে সোনা ও নগদ অর্থ নিয়ে যায়।

জুমবাংলানিউজ/একেএ