চট্টগ্রাম জাতীয় বিভাগীয় সংবাদ

সাজা শেষে মিয়ানমার থেকে ফিরলো ১৭ বাংলাদেশি

কক্সবাজার প্রতিনিধি: অবৈধভাবে অনুপ্রবেশের দায়ে আটকের পর দীর্ঘ সাজা শেষে বুধবার (৫ ডিসেম্বর) দেশে ফিরেছে ১৭ বাংলাদেশী। মিয়ানমারে মংডুতে ১ নং এন্ট্রি-এক্সিট পয়েন্টে বিজিবি ও মিয়ানমার এমিগ্রেশন এন্ড ন্যাশনাল রেজিষ্ট্রেশন ডিপারমেন্টের মাঝে পতাকা বৈঠক শেষে এসব বাংলাদেশীদের বিজিবির হাতে হস্তান্তর করা হয়। বুধবার বেলা সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত এ পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

সাজা শেষে মিয়ানমার থেকে ফিরলো ১৭ বাংলাদেশি

সাজাভোগ শেষে ফেরত আসারা, চট্টগ্রামের বাঁশখালীর লেদু মিয়ার ছেলে বদিউল আলম, বাঁশখালীর আয়ুব আলীর ছেলে জামাল উদ্দিন, সাতকানিয়া এলাকার ওয়াছিউর রহমানের ছেলে মো. হেলাল, খাগড়াছড়ির মানিকছড়ি এলাকার মং প্রæ মার্মার ছেলে ইউ সা খ মারমা, অং জু মার্মার ছেলে ছে তু অং মার্মা, কক্সবাজারের টেকনাফের উত্তর শীলখালীর আব্দু শুক্কুরের ছেলে রহিম উল্লাহ, নুরুল কবিরের ছেলে মফিজুর রহমান, আনোয়ারুল ইসলামের ছেলে আজিজুল ইসলাম, টেকনাফ হারিয়াখালী এলাকার আব্দুল আমিনের ছেলে মিজানুর রহমান, লাফারঘোনা এলাকার মৃত কালু মিয়ার ছেলে নুরুল আলম, হারিয়াখালী এলাকার আব্দু রশিদের ছেলে আজিজ উল্লাহ, আব্দুল মজিদের ছেলে আব্দু ছালাম, শাহপরীর দ্বীপ এলাকার মৃত আব্দু কাদেরের ছেলে মো. জালাল, মৃত সেতাব্বরের ছেলে আবু তাহের, গোদারবিল এলাকার মো. ছাব্বির আহম্মদের ছেলে মো. শাকের, কক্সবাজার সদরের দক্ষিণ কলাতলির মো. সামিরের ছেলে মো. শফিক, কক্সবাজার পৌরসভার ঘোনার পাড়ার আজগর আলীর ছেলে মো. জালাল উদ্দিন।

পতাকা বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে ১৩ সদস্যের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বদেন টেকনাফ-২ বিজিবি ব্যাটালিয়ন কমান্ডার লে. কর্ণেল আছাদুদ জামান চৌধুরী আর ১২ সদস্যের মিয়ানমার দলের নেতৃত্বদেন মিয়ানমার এমিগ্রেশন এন্ড ন্যাশনাল রেজিষ্ট্রেশন ডিপারমেন্টের এক নম্বর পয়েন্টের প্রধান ইউ হেথিন লিন। বৈঠকে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারে প্রতিনিধি ও মিয়ানমারে বাংলাদেশ দুতাবাসের প্রতিনিধিসহ বিজিবির সংশ্লিষ্টরা অংশ নেন বলে জানান টেকনাফস্থ ২ বিজিরি অতিরিক্ত পরিচালক মেজর শরীফুল ইসলাম জোমাদ্দার।

তিনি জানান, অবৈধভাবে অনুপ্রবেশের দায়ে তারা পৃথক সময়ে মিয়ানমারে কারাবন্দী ছিল। মঙ্গলবার তাদের সাজার মেয়াদ শেষ হয়েছে। বুধবার পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে তাদের ফিরিয়ে দেয় মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ। এসব কারাবন্দিরা পৃথক ভাবে ৬মাস থেকে ৫ বছর ৯মাস পর্যন্ত সাজা ভোগ করেছে।

এদিকে ফেরত আসা ১৭ জনের মধ্যে ৫ বছর ৯ মাস সাজাভোগ করা জামাল উদ্দিন বলেন, সাগরে মাছ শিকারে গিয়েই ওপারের সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর হাতে আটক হন।

আর,  ছে থো অং মারমা ও ইউ সাথোই মারমা চোরাইপথে ওপারে বেড়াতে গিয়ে আটক হন। অপর ১২জন দালালের মাধ্যমে সাগর পথে মালয়েশিয়া যেতে গিয়ে আটক হয়ে কারান্তরিণ হয়ে সাজাভোগ করেন।

মিয়ানমার হতে ফেরত আনা নাগরিকদের পরিবারের নিকট হস্তান্তরের জন্য দুপুরেই সাধারণ ডায়েরী রে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানান টেকনাফ ২ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্ণেল মো. আছাদুদ-জামান চৌধুরী।

জুমবাংলানিউজ/একেএ