অর্থনীতি-ব্যবসা আন্তর্জাতিক

শীত মৌসুমের কারণে আরও কমতে পারে পামওয়েলের দাম

[better-ads type='banner' banner='1187323' ]

বিজনেস ডেস্ক : ২০১৯ সালের শুরু থেকে মালয়েশিয়ার বাজারে পাম অয়েলের দাম কমতির দিকে ছিল। তবে ফেব্রুয়ারিতে এসে পণ্যটির বাজার পরিস্থিতি ঘুরে দাঁড়ায়। রফতানি চাহিদা আগের তুলনায় বেড়ে যাওয়ায় পাম অয়েলের দামও বাড়তে শুরু করে। এ ধারাবাহিকতায় সর্বশেষ সপ্তাহে মালয়েশিয়ার বাজারে পাম অয়েলের দাম সাত মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থানে পৌঁছে যায়। তবে আগামী দিনগুলোয় পাম অয়েলের বাজারে মন্দাভাবের সম্ভাবনা দেখছেন মালয়েশীয় ব্যবসায়ীরা। তাদের মতে, বছরের শুরুর দিকে উৎপাদন বেড়ে যাওয়ার জের ধরে বাড়তি রফতানি চাহিদা থাকা সত্ত্বেও পাম অয়েলের দাম কমে আসতে পারে। মার্চ-এপ্রিল নাগাদ মালয়েশিয়ায় প্রতি টন অপরিশোধিত পাম অয়েলের দাম বর্তমানের তুলনায় কমে ২ হাজার ২৭৪ রিঙ্গিতের (স্থানীয় মুদ্রা) আশপাশে অবস্থান করতে পারে।

শীত মৌসুমে দেশে দেশে পাম অয়েলের ব্যবহার কমে আসে। ফলে এ সময় ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়া থেকে পণ্যটির রফতানিতে মন্দাভাব দেখা যায়। এর জের ধরে কমে আসে পাম অয়েলের দামও। এ ধারাবাহিকতায় চলতি বছরের ১৪ জানুয়ারি বুরসা মালয়েশিয়া ডেরিভেটিভস এক্সচেঞ্জে ভবিষ্যৎ সরবরাহ চুক্তিতে প্রতি টন পাম অয়েলের দাম কমে দাঁড়ায় ২ হাজার ১৩৪ রিঙ্গিতে। ২০১৯ সালে এটাই পণ্যটির সর্বনিম্ন দাম।

তবে ফেব্রুয়ারিতে এসে রফতানি চাহিদা কিছুটা বাড়লে পাম অয়েলের বাজার পরিস্থিতি ঘুরে দাঁড়ায়। ৭ ফেব্রুয়ারি মালয়েশিয়ার বাজারে ভবিষ্যৎ সরবরাহ চুক্তিতে প্রতি টন পাম অয়েল বিক্রি হয় ২ হাজার ৩১৮ রিঙ্গিতে। এদিন লেনদেনের শুরুতে প্রতি টন পাম অয়েলের দাম ২ হাজার ৩৪৪ রিঙ্গিতে উঠেছিল, যা সাত মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, বছরের শুরুর দিকে পাম অয়েলের উৎপাদন বেশি হয়। এ সময় রফতানি চাহিদা বেশি থাকলেও পণ্যটির দাম নির্ধারণে বাড়তি উৎপাদনের তথ্য প্রভাবক হিসেবে কাজ করে। এর জের ধরে আগামী মার্চ-এপ্রিলে মালয়েশিয়ার বাজারে প্রতি টন পাম অয়েলের দাম ২ হাজার ২৭৪ রিঙ্গিতে নেমে আসতে পারে।

সূত্র : বিজনেস রেকর্ডার ও স্টার অনলাইন

ভাষান্তর : বণিক বার্তা

জুমবাংলানিউজ/পিএম