ইসলাম ধর্ম লাইফস্টাইল

শাওয়ালের ৬ রোজার সুফল

[better-ads type='banner' banner='1187323' ]

ধর্ম ডেস্ক : পবিত্র মাহে রমজানের পরেই শাওয়াল মাস আসে। এ মাসের ১ তারিখ মুমিন মুসলমান রোজার ঈদ উৎসব পালন করে। ঈদের রাতের যেমন অত্যাধিক ফজিলত ও মর্যাদা রয়েছে। তেমনি এ মাসের ৬টি রোজা পালনেও রয়েছে অনেক সাওয়াব ও ফজিলত।

শাওয়ালের ৬ রোজার ফজিলত সমৃদ্ধ হাদিসের বর্ণনাগুলো হলো-
> হজরত আবু আইয়ুব আনসারি রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে রমজানের রোজা পালন করলো, অতঃপর তার অনুগামী হয়ে শাওয়ালের ৬টি রোজা রাখলো, তা পুরো বছরের রোজার ন্যায়।’ (মুসলিম)

> হজরত সাওবান রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‌‘রমজানের রোজা ১০ মাসের সমতুল্য আর (শাওয়ালের) ৬ দিনের রোজা ২ মাসের সমতুল্য। এটাই পূর্ণ এক বছরের সিয়াম।’

> অপর এক বর্ণনায় কোরআনের সূরা আল-আনআমের ১৬০ নম্বর আয়াতের উদ্ধৃতি দিয়ে উল্লেখ করা হয়েছে যে, যে ব্যক্তি ঈদ-উল-ফিতরের পর ৬ দিন রোজা পালন করবে তা পূর্ণ বছরে পরিণত হবে। আল্লাহ তায়ালা বলেন, যে সৎকাজ নিয়ে এসেছে, তার জন্য হবে তার ১০ গুণ।’ (মুসনাদে আহমদ, ইবনে মাজাহ, দারেমি, ইবনে খুযায়মা, ইবনে হিব্বান ও সূরা আল-আনআম : আয়াত ১৬০)

হাদিসের শিক্ষা ও করণীয়-
> রমজানের রোজার সঙ্গে শাওয়ালের ৬ রোজা রাখলে সারা বছর রোজা রাখা হয়।

> বান্দার প্রতি আল্লাহর একান্ত অনুগ্রহ যে, অল্প আমলের বিনিময়ে তিনি অধিক সাওয়াব ও প্রতিদান দান করেন।

> রমজানের পরপরই শাওয়ালের ৬ রোজা পালন করা, ব্যস্ততা কিংবা অবহেলায় যেন তা ছুটে না যায়।

> শাওয়ালের শুরু-শেষ কিংবা মাঝখানে একসঙ্গে অথবা আলাদা এ রোজা রাখা যায়। বান্দা যেভাবেই তা পালন করুক, আল্লাহ এর পূর্ণ প্রতিদান দান করবেন।

> তবে শাওয়ালের রোজা রাখার আগে রমজানের কাজা রোজা আদায় করা অতঃপর শাওয়ালের রোজা পালন করা। কেননা নফল আদায়ের চেয়ে ওয়াজিব কাজা আদায় করার গুরুত্ব বেশি।

জুমবাংলানিউজ/এএসএমওআই