আইন-আদালত জাতীয় স্লাইডার

রণদা প্রসাদ হত্যা মামলায় মাহাবুবের মৃত্যুদণ্ড

জুমবাংলা ডেস্ক: একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে কুমুদিনী ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা রণদা প্রসাদ সাহা ও তাঁর ছেলে ভবানী প্রসাদ সাহাকে অপহরণ ও হত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায়ে আসামি মাহবুবুর রহমানকে (৬৯) মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। খবর ইউএনবি’র।

বৃহস্পতিবার বিচারপতি মো.শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল এ রায় ঘোষণা করেন।

এসময় ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত ছিলেন প্রসিকিউটর জেয়াদ আল মালুম, মোখলেছুর রহমান বাদল, রানা দাশ গুপ্ত প্রমুখ। অন্যদিকে আসামি পক্ষে ছিলেন আইনজীবী গাজী এম এইচ তামিম।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মাহবুবের বাড়ি টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার বইরাতিয়াপাড়ায়।

প্রসিকিউশন সূত্রে জানা গেছে,একটি ফৌজদারি মামলায় মাহবুবুর রহমানকে গত বছর গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ওই বছরের ৯ জুন মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ট্রাইব্যুনালের অধীনে মাহবুবকে কারাগারে পাঠানো হয়।

তদন্ত সংস্থার তথ্য অনুসারে, মুক্তিযুদ্ধের সময় ৭ মে মাহবুব অন্যদের সহায়তায় পাকিস্তানি বাহিনীর সদস্যরা রণদা প্রসাদ সাহা ও তার ছেলে ভবানী প্রসাদ সাহাকে নারায়ণগঞ্জের খানপুর এলাকার সিরাজউদ্দৌলা রোডের বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে যায়। পরে তাদের আর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।

মাহাবুবের বিরুদ্ধে সাহাপাড়া এলাকার ৩৩ জন হিন্দুকে ধরে নিয়ে হত্যা এবং মির্জাপুর থেকে ২৪ জনকে অপহরণের পর এদের মধ্যে ২২ জনকে মধুপুরে নিয়ে হত্যার অভিযোগ রয়েছে।

তবে চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদনে মাহবুবুর রহমানের বিরুদ্ধে ১৯৭১ সালে টাঙ্গাইলের বিখ্যাত সমাজ সেবক রণদা প্রসাদ সাহা হত্যাসহ অপহরণ, অগ্নিসংযোগ ও গণহত্যার ৩টি অভিযোগ আনা হয়।

জুমবাংলানিউজ/একেএ