জাতীয় বিভাগীয় সংবাদ রংপুর স্লাইডার

রংপুর বিভাগে মাদকের মদদদাতাদের তালিকায় ২৪ পুলিশ !

ওয়াদুদ আলী, রংপুর: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের মাদকের মদদদাতাদের তালিকায় রংপুর বিভাগের ২৪ পুলিশ কর্মকর্তার নাম উঠে এসেছে। অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর। এরই মধ্যে এ ব্যাপারে পুলিশের রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি ও পুলিশ সুপারদের কাছে নানা দিক-নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

তালিকায় যে সকল পুলিশ কর্মকর্তা রয়েছেন তারা হলেন, রংপুর পার্কের মোড় পুলিশ ফাঁড়ির এসআই এরশাদ, রংপুর কোতয়ালী থানার এসআই ওলিয়ার রহমান, এসআই হারেছ শিকদার, তারিকুল ইসলাম তারেক ও মো. সেলিম। বদরগঞ্জ থানার এসআই জুলহাস, পীরগঞ্জের ভেন্ডাবাড়ী পুলিশ ফাঁড়ির এসআই ওবায়দুর রহমান, মিঠাপুকুর থানার এসআই শফিকুল ইসলাম ও মিলন মিয়া। লালমনিরহাটের হাতিবান্ধা থানার সাবেক ওসি রেজাউল করিম রেজা, ওসি আব্দুর রাজ্জাক, এসআই নুর আলম, জহুরুল হক ও মাহমুদ আলম। নাগেশ্বরী থানার এসআই মশিউর রহমান, ভূরুঙ্গামারী থানার এসআই ফারুক হোসেন, কনস্টেবল মোকাদ্দেস আলী, ডিবির ওসি মাহফুজুর রহমান, কনস্টেবল আনোয়ার হোসেন, কুড়িগ্রাম সদর থানার এসআই আবু তালেব ও কামরুল ইসলাম। গাইবান্ধায় ডিবির এসআই আমিনুল ইসলাম, সদর থানার এসআই জামাল হোসেন ও সাদুল্লাপুর ধাপেরহাট পুলিশ ফাঁড়ির এসআই রেজাউল।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সারা দেশে মাদক কারবারীদের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান চালানোর পাশাপাশি তাদের মদদদাতাদেরও শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে। সারা দেশে দুই শ ১৩ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মাদক কারবারীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার তথ্য পেয়েছে পুলিশের গোয়েন্দা শাখাগুলো।

এ ব্যাপারে সদ্য বদলি হওয়া পুলিশের রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুক বলেন, ‘মাদক কারবারীদের সঙ্গে যদি পুলিশের কোনো কর্মকর্তা বা সদস্য জড়িত থাকে তাহলে তাদের চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হবে।’

অভিযাত্রিক সাহিত্য ও সংস্কৃতি সংসদের সভাপতি বিশিষ্ট কথা সাহিত্যিক অ্যাডভোকেট এমএ বাশার টিপু বলেন, ‘পুলিশ প্রশাসনের মধ্যেও মাদক ব্যবসার পৃষ্ঠপোষক রয়েছে। যারা সেবনকারী ও মাদক ব্যবসায়ীদের ভয়ভীতি দেখিয়ে ব্যবসার অংশীদার হয়েছে। এসব অসৎ পুলিশ কর্মকর্তাদের চিহ্নিত করে চাকরি থেকে অব্যাহতি দিতে হবে। অন্যথায় মাদকের ব্যবসা ও ব্যবহার বন্ধ করা কোনোভাবেই সম্ভব নয়।’

জুমবাংলানিউজ/এএসএমওআই