খেলাধুলা

যে যুক্তিতে মোসাদ্দেক ও রাহী বিশ্বকাপ দলে, ব্যাখা দিলেন প্রধান নির্বাচক

ফাইল ছবি

স্পোর্টস ডেস্ক : ১৫ জনের মধ্যে ১৩ জনের দলটা নির্বাচকদের কাছে লম্বা সময় ধরে নির্ভরযোগ্য হিসেবেই ছিলো। এই ১৩ জন যে বিশ্বকাপে যাচ্ছেন তাতে তেমন কোনো সন্দেহ ছিলো না। যদিও কয়েকজনের ফর্ম নির্বাচকদের খানিকটা দুঃশ্চিন্তায় ফেলে। তারপরও তাদের রেখেই বিশ্বকাপের দল ঘোষণা করেন নির্বাচকরা। বাকি দুজন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত ও আবু জায়েদ রাহী ঠিক কোন যুক্তিতে বিশ্বকাপ দলে সুযোগ পেলেন সেই ব্যাখায় বেশ লম্বা সময়ই নিলেন প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন নান্নু।

পেসার আবু জায়েদ রাহীর নতুন বলে সুইং করানোর যোগ্যতা এবং মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের বোলিং অলরাউন্ডার হওয়ার সক্ষমতাই মুলত তাদের বিশ্বকাপের দরজা খুলে দিয়েছে।

আবু জায়েদ রাহী প্রসঙ্গে মিনহাজুল বলছিলেন-‘রাহী নিউজিল্যান্ড কন্ডিশনে টেস্ট ম্যাচ খেলার সুযোগ পেয়েছিলো, ওয়ানডে খেলার সুযোগ পায়নি। তবে সেই কন্ডিশনে আমরা যতটা দেখেছি ওর বোলিংয়ে যথেষ্ট সুইং আছে। আমাদের বোলারদের মধ্যে সুইং বোলারের সংখ্যা বেশ কম। যেহেতু ইংলিশ কন্ডিশনে খেলা, আয়ারল্যান্ডেও ত্রিদেশীয় সিরিজ আছে। তাছাড়া মে এবং জুন মাসের দিকে ঠান্ডাও বেশি থাকে। তাপমাত্রাও অনেক কম থাকে। সেই হিসেবে পেসারদের মধ্যে সুইং বোলার কাউকে যদি অন্তর্ভুক্ত করতে পারি তাহলে সেটি আমাদের জন্য বড় প্লাস পয়েন্ট। সেই চিন্তা থেকেই রাহীকে দলে রাখা হয়েছে।’

রাহীর সঙ্গে এই পজিশনের জন্য লড়াইয়ে ছিলেন শফিউল ইসলাম। কিন্তু সুইং করানোর দক্ষতার প্রশ্নে রাহী সেই লড়াইয়ে জয়ী।

ব্যাটসম্যান মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত লম্বা সময় ধরে জাতীয় দলে নেই। কিন্তু ঘরোয়া ক্রিকেটে তার সাম্প্রতিক পারফরমেন্স বেশ ভালো।

মোসাদ্দেকের বিশ্বকাপ দলে অন্তর্ভুক্তির কারণ ব্যাখায় প্রধান নির্বাচক বলেন-‘সে ঘরোয়া ক্রিকেটে ভালো খেলেছে। আমরা দলে একজন অলরাউন্ডার চাচ্ছিলাম যে অফস্পিন করতে পারে। কারণ মাহমুদউল্লাহ রিয়াদেরও কাঁধে ইনজুরি আছে। সে বোলিং নাও করতে পারে। সেই কথা চিন্তা করেই তার ব্যাকআপ হিসেবে একজন স্পিন বোলিং অলরাউন্ডার হিসেবে আমরা মোসাদ্দেককে দলে রেখেছি।’

জুমবাংলানিউজ/এসএস