বিনোদন

যে কারণে কোটি টাকার প্রস্তাব ফেরালেন সুশান্ত

প্রস্তাবটা বেশ লোভনীয় ছিল। অনেকেই হয়তো নিয়েই নিতেন। ১৫ কোটি টাকা পারিশ্রমিক পাওয়া নিয়ে কথা। তাতে একটু মিথ্যা কথা বলাই যায় বিজ্ঞাপনের খাতিরে। এমন ভাবনা অন্তত সুশান্ত সিং রাজপুত পোষণ করেন না। তাই এমন প্রস্তাব তিনি হেলায় ফিরিয়ে দিলেন। আর স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন কেনও ফেয়ারনেস ক্রিমের বিজ্ঞাপন তিনি করবেন না। ১৫ কোটি টাকার প্রস্তাব পেলেও না। এ সংক্রান্ত একটি খবর প্রকাশ করেছে ভারতের সংবাদ প্রতিদিন পত্রিকা।

টেলিভিশন থেকে সুশান্তের উত্থান। রিয়েলিটি শোয়ের মঞ্চ থেকেই বলিউডে সুযোগ পেয়ে যান। তারপর আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি অভিনেতাকে। শেষ ছবি ‘রাবতা’ তেমন না চললেও সুশান্তের চাহিদায় তেমন একটা প্রভাব পড়েনি।

২০১৮ সালে নায়কের হাতে তিন-তিনটে বিগ বাজেটের সিনেমা। সাইফ কন্যা সারারও বড়পর্দায় হাতেখড়ি হচ্ছে তার বিপরীতেই। বিজ্ঞাপনের বাজারে তাই ভাল চাহিদা রয়েছে নায়কের। আর সেই সুবাদেই এই ফেয়ারনেস ক্রিমের বিজ্ঞাপনের প্রস্তাব পেয়েছিলেন তিনি। তিন বছরে মাত্র ছ’টি বিজ্ঞাপন শুট করতে হত সুশান্তকে। আর এর জন্য ১৫ কোটি টাকা নিজের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পুরে ফেলতে পারতেন অভিনেতা। কিন্তু, এ প্রস্তাব তিনি ফিরিয়ে দিয়েছেন। কারণ বর্ণবিদ্বেষমূলক কোনও কাজের অঙ্গ তিনি হতে পারবেন না। আর নিজের দর্শকদের মিথ্যা প্রতিশ্রুতিও দিতে পারবেন না।

এই ক্রিম মুখে লাগালে ফর্সা হয়ে উঠবেন। ত্বকের জেল্লা ফেরত পাবেন। এমন বিজ্ঞাপন শাহরুখ খান, জন আব্রাহাম, শহিদ কাপুর থেকে দীপিকা পাড়ুকোন, সোনম কাপুররাও করেছেন। গত বছর এর বিরুদ্ধে মুখ খুলেছিলেন অভয় দেওল।

 

তিনি বলেন, গায়ের রঙ কখনও যোগ্যতার প্রমাণ হতে পারে না। ফর্সা হওয়ার ক্রিম নিয়ে যে ধরনের ক্যাম্পেইন চলছে তা অস্বস্তিকর। আর বলিউডের তারকারা এই বিষয়টিকে আরও উসকে দেন। সে সময় অভয়কে সমর্থন করেছিলেন সুশান্ত। আর এবারে বর্ণবিদ্বেষের বিরুদ্ধে নিজেই নিলেন এই পদক্ষেপ।

জুমবাংলানিউজ/এসএস