বিনোদন

যেসব সিনেমার গল্প বাস্তব হয়েছিল পরে

স্বতন্ত্র গল্প, স্বতন্ত্র চিন্তা ভাবনায় তৈরি হয়েছিল এই সব সিনেমা। যুগের থেকে বেশ খানিকটা এগিয়ে থাকা এই সমস্ত ছবি দর্শকদের মনও জয় করেছিল। কিন্তু কী ভাবে সিনেমায় বলে দেওয়া সেই গল্প একই রকম ভাবে ঘটল বাস্তবেও? অক্ষরে অক্ষরে মিলে গেল ছবির ‘ভবিষ্যৎবাণী’ও! এক নজরে দেখে নেওয়া যাক কাকতালীয় ভাবে ভবিষ্যৎকে বড় পর্দায় ফুটিয়ে তুলেছে যে সিনেমাগুলো।

মাইনরিটি রিপোর্ট
২০০২ সালে মুক্তি পেয়েছিল এই সিনেমা। যুগের থেকে অনেকটা এগিয়ে ছিল এই ছবির বিষয়বস্তু। তখনও অনলাইন বিজ্ঞাপনের যুগ শুরু হয়নি। বর্তমানে নিজের কোনও প্রোডাক্ট বা কোম্পানির বিজ্ঞাপন আমরা নিজেরাই অনলাইনে করে দিতে পারি। যুগের থেকে অনেকটা এগিয়ে ভেবেছিল এই ছবি। অনলাইন বা ডিজিটাল বিজ্ঞাপনই ছিল ছবির মূল বিষয়বস্তু।

দ্য ট্রুম্যান শো
১৯৯৮-এ যখন এই ছবি মুক্তি পায় তখনও বিনোদন দুনিয়া রিয়্যালিটি শো-এর স্বাদ পায়নি। সেই সময় রিয়্যালিটি শো-এর কনসেপ্টকে সফলভাবে পর্দায় দেখিয়েছিল এই ছবি।

দ্য কেবল গাই
১৯৯৬ সালের এই ছবিতে অভিনয় করেছিলেন জিম ক্যারি। তখনও ঘরে ঘরে ইলেকট্রনিক্স জিনিসের এত রমরমা হয়নি। কিন্তু এই ছবির ‘ভবিষ্যৎবাণী’ ছিল এমন একটা দিন আসবে যখন সাধারণ মানুষের ঘরে থাকবে একাধিক ইলেকট্রনিক্স প্রোডাক্ট। থাকবে টিভি, ফোন, কম্পিউটার, ইন্টারনেট। পরবর্তী কালে ছবির এই গল্প অক্ষরে অক্ষরে মিলে যায়।

টোটাল রিকল
২০০৯ সালের এই ছবিতে ফুল বডি স্ক্যানার টেকনলজি দেখানো হয়েছিল। যদিও সেই সময় বিমানবন্দর বা অন্য সুরক্ষিত স্থানে এই ধরনের স্ক্যানারের ব্যবহার শুরু হয়নি। শুধু তাই নয়, এই ছবিতে সেল্ফ ড্রাইভিং গাড়িও দেখানো হয়েছিল। যা পরবর্তী যুগে সত্যিই আবিষ্কার হয়।

হের
আগামী দিনে মানুষের অন্যতম সঙ্গী হতে পারে এই যন্ত্র, এমনটাই দেখানো হয়েছিল এই সিনেমায়। ইন্টালিজেন্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট-ই ছিল এই ছবির প্রধান বিষয়বস্তু। যেখানে ছবির নায়কের প্রেম হয়েছিল তার অ্যাপেল সিরি কম্পিউটারটির সঙ্গে।

অ্যা স্পেস ওডিসি
স্ট্যানলি কুব্রিকের অস্কারপ্রাপ্ত ছবি ‘অ্যা স্পেস ওডিসি’। যুগের থেকে অনেকটা এগিয়ে ২০০১ সালের এই ছবিতে ট্যাবলেট কম্পিউটার, ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশন, স্পেস ট্যুরিজম এবং ভয়েস কন্ট্রোলড কম্পিউটার দেখানো হয়েছিল।

সুপার মারিও ব্রস
১৯৯৩ সালে কী ভাবে ২০০১ সালের একটি ঘটনাকে পর্দায় তুলে ধরা সম্ভব! কাকতালীয় ভাবে হলেও এমনটাই হয়েছিল ‘সুপার মারিও ব্রস’-এ। নিউ ইয়র্কের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের ট্যুইন টাওয়াল ব্লাস্টের ঘটনা দেখানো হয়েছিল এই ছবিতে।

পিচাইকরণ
ভারতে ৫০০ আর ১০০০-এর নোট বাতিল হবে তা আগে থেকেই বলে দিয়েছিল তামিল ছবি পিচাইকরণ। এ বছরেরই মার্চ মাসে মুক্তি পেয়েছে এই ছবি। কিন্তু নভেম্বর মাসের ঘটনা কী ভাবে মার্চ মাসেই ‘ভবিষ্যৎবাণী’ করেছিল এই ছবি?

ভিডিও:জাহাজ আসার সাথে সাথে কিভাবে ব্রিজটি উপরের দিকে উঠে গেলো! আধুনিক প্রযুক্তি বিস্ময়কর (ভিডিও)

Add Comment

Click here to post a comment