জাতীয়

যেভাবে পাবেন ইউরোপীয় দেশে বসবাসের অনুমতি

বিশ্বের বেশির ভাগ দেশই তাদের দেশে দ্রুত বসবাসের অনুমতি লাভের জন্য স্থানীয় ব্যবসা এবং সম্পদে বিনিয়োগের বিনিময়ে নাগরিকত্ব দিয়ে থাকে।

১. স্পেন : ৫ লাখ ইউরোর একটি বাড়ি কিনে স্পেনে বসবাসের অনুমতি পাওয়া যায়। অথবা স্পেনের সরকারি ঋণে ২ মিলিয়ন ইউরো বিনিয়োগ করতে হবে।

২. মাল্টা : মাল্টার স্থায়ী বাসিন্দাদেরকে মাত্র ১৫ শতাংশ কর দিতে হয়। আর মাত্র ২ লাখ ৭৫ হাজার ইউরোর সম্পদ কিনে বসবাসের অনুমতি পাওয়া যায়।

৩. পর্তুগাল : এদেশে বসবাসের অনুমতি পেতে কাউকে একটি ব্যবসার মাধ্যমে ১০ জন লোকের কর্মসংস্থান করতে হবে। অথবা কোনো পর্তুগিজ ব্যাংকে ১০ মিলিয়ন ইউরো জমা রাখতে হবে কিংবা ৫ লাখ ইউরোর একটি বাড়ি কিনতে হবে।

৪. বেলজিয়াম : মাত্র দু্ই মাসের মধ্যে এই দেশে বসবাসের অনুমতি মেলে। শুধু একটি চাকরি পেলেই বেলজিয়ামে বসবাসের অনুমতি মেলে।

৫. অস্ট্রিয়া : এ দেশে ১০টি ভিন্ন ধরনের বসবাসের অনুমতি পাওয়া যায়। এতে কোনে বিনিয়োগও দরকার হয় না। আর এই দেশে বসবাসের অনুমতিপত্র শেনজেনভুক্ত দেশগুলোতে ভিসামুক্ত ভ্রমণের জন্যও ব্যবহৃত হয়।

যুক্তরাজ্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন ত্যাগ করার পর ধনী ব্রিটিশরাও ইউরোপের একক বাজারে প্রবেশ এবং চলাফেরা ও ভ্রমণের স্বাধীনতা এবং ২৮ জাতির এই জোটের দেশগুলোতে কাজ করার সুযোগ লাভের জন্য অন্য কোনো দেশে বসতির সন্ধান করতে শুরু করেন।

নাগরিকত্ব সম্পর্কিত পরামর্শদাতা প্রতিষ্ঠান হেনলি অ্যান্ড পার্টনারস বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকারের প্রস্তাবিত নাগরিকত্ব কর্মসুচিগুলো বিশ্লেষণ করে এ ক্ষেত্রে সেরা দেশগুলোর একটি তালিকা করেছেন।

এখানে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সে দেশগুলোর তালিকা দেওয়া হলো যেগুলো সস্তায় ও সহজে বসবাসের অনুমতি দেয়।

৬. বুলগেরিয়া : বুলগেরিয়ার সরকারের বন্ড পোর্টফোলিওতে ৫ লাখ ইউরো পাঁচ বছরের জন্য জমা রাখলে দেশটিতে বসবাসের অনুমতি পাওয়া যায়।

৭. গ্রিস : তথাকথিত ‘ডি’ ভিসার অনুমোদনের পর বিনিয়োগকারীরা গ্রিসের বসবাসের জন্য অনুমতি প্রার্থনা করতে পারেন। এর আগে মোট ২ লাখ ৫০ হাজার ইউরোর সম্পদ কিনতে হবে।

৮. সাইপ্রাস : ভূমধ্যসাগরীয় এই দ্বীপটি আবাসিক ব্যবসায়ের জন্য মাত্র ১২.৫% করপোরেট ট্যাক্স ধার্য করে। তবে বসবাসের অনুমতি প্রার্থনার জন্য আপনাকে আগে ৩ লাখ ইউরোর সম্পদ কিনতে হবে।

৯. মোনাকো : মোনাকোর বাসিন্দাদেরকে কোনো আয়কর, মূলধনী ট্যাক্স বা সম্পদের কর দিতে হয় না। আর তারা সেনজেনভুক্ত যেকোনো দেশে বিনা বাধায় ভ্রমণ করতে পারেন।

১০. জার্সি : জার্সি দ্বীপটি এর নিম্ন করহার এবং হালকা জলবায়ুর জন্য বিখ্যাত। এখানে বসবাসের জন্য অনুমতি পেতে হলে অন্তত ১ লাখ ২৫ হাজার ইউরো বিনিয়োগ করতে হয়। আর যাদের আয় ৬ লাখ ২৫ হাজার ইউরোর বেশি তারাই শুধু এ দেশে বসবাসের অনুমতি প্রার্থনা করতে পারেন।

১১. যুক্তরাজ্য : যুক্তরাজ্য হয়তো সস্তা নয়। কিন্তু ধনী পরিবারগুলোর জন্য এটি একটি আকর্ষণীয় গন্তব্যস্থল। যারা উন্নত প্রাইভেট শিক্ষাব্যবস্থা চান তাদের জন্য। এর আবাসন কর্মসূচি কয়েক স্তরে বিভক্ত। তিনটি স্তরে ২ মিলিয়ন, ৫ মিলিয়ন এবং ১০ মিলিয়ন পাউন্ড বিনিয়োগ করে এতে বসবাসের অনুমতি পাওয়া যায়।

১২. লাটভিয়া : লাটভিয়াতে সাময়িকভাবে বসবাসের অনুমতি পেতে একজনকে ২ লাভ ৫০ হাজার ইউরোর রিয়েল এস্টেট কিনতে হবে। আর সরকারকে ৫% ফি দিত হবে।

ভিডিওঃ ধুমধাম করে দিদির বিয়ে দিলেন শ্রাবন্তী

Add Comment

Click here to post a comment