আইন-আদালত জাতীয় স্লাইডার

ভেজাল ওষুধে শিশুর মৃত্যু : ২৬ বছর পর একজনের কারাদণ্ড

[better-ads type='banner' banner='1187323' ]

নিজস্ব প্রতিবেদক : পলিক্যাম ফার্মাসিউটিক্যালের ভেজাল প্যারাসিটামল খেয়ে শিশু মৃত্যুর মামলায় প্রতিষ্ঠানের পরিচালক আব্দুর রবকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় তিনজনকে খালাস দেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার ড্রাগ আদালতের বিচারক সৈয়দ কামাল হোসেন অভিযুক্তদের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২৬ বছর পর এ মামলার রায় ঘোষণা করেন বিচারক। ১৯৯৩ সালের ৬ মার্চ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের পর দীর্ঘদিন মামলাটি উচ্চ আদালতে স্থগিত ছিল। পরে আবার ২০১৫ সালে মামলার বিচার কাজ ফের শুরু হয়। বিচার চলাকালে বিভিন্ন সময় বিচারক তিনজনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন।

মামলা চলাকালীন অভিযুক্ত অপর এক আসামি প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক হারুন অর রশিদ মারা যান। মামলায় যারা খালাস পেয়েছেন তারা হলেন, প্রতিষ্ঠানটির ফার্মাসিস্ট মাহবুবুল আলম, মো. দেলোয়ার হোসেন এবং ম্যানেজার এএসএম গোলাম কাদের। দণ্ডপ্রাপ্ত আব্দুর রবকে এক বছর কারাদণ্ডের পাশাপাশি ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাভোগের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, শেরে বাংলা নগর শিশু হাসপাতালে প্যারাসিটামল সেবনে অনেক শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়। ওই নিউজের ভিত্তিতে ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর পলিক্যাম ফার্মাসিউটিক্যালে অভিযান চালায়। ১৯৯২ সালের ২৩ নভেম্বর অভিযানে পলিক্যাম ফার্মাসিটিক্যালের কামরাঙ্গীচরের কারখানায় প্যারাসিটালের নমুনা সংগ্রহ করা হয়।

এতে প্যারাসিটামলের মধ্যে ক্ষতিকর ডাইইথিলিন গ্লাইকল পাওয়া যায়। পরে ওই বছরের ১৯ ডিসেম্বর মামলাটি করেন তৎকালীন ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের তত্ত্বাবধায়ক মো. আবুল খায়ের চৌধুরী। এরপর ১৯৯৩ সালের ৬ মার্চ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।
দীর্ঘদিন মামলাটি উচ্চ আদালতে স্থগিত ছিল। পরে আবার ২০১৫ সালে মামলার বিচার কাজ ফের শুরু হয়। বিচার চলাকালে বিভিন্ন সময় বিচারক তিনজনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন।

জুমবাংলানিউজ/পিএম