জাতীয় লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য

ভেজাল থেকে বাদ পড়েনি কাটা সুপারিও, মেশানো হচ্ছে ক্ষতিকর অ্যারারুট!

জুমবাংলা ডেস্ক: দীর্ঘদিন ধরেই ‘ভেজালের জালে’ আটকা এ দেশের মানুষ। মাছ-মাংস, ফলমূল, শাক-সবজি—কী নেই যাতে ভেজাল মেশানো হচ্ছে না। ভেজাল থেকে বাদ পড়েনি কাটা সুপারিও! সাদা দেখানোর পাশাপাশি ক্রেতাকে আকৃষ্ট করতে এ সুপারিতে মেশানো হচ্ছে অ্যারারুট পাউডার। চাঁদপুরের হাজীগঞ্জের প্রত্যন্ত অঞ্চলের হাট-বাজারগুলোতে দেখা গেছে এ চিত্র।

আজকাল অনেকেই কাপড় টান টান করার জন্য ভাতের মাড়ের পরিবর্তে অ্যারারুট পাউডার ব্যবহার করে থাকে। আরো অনেক কাজে লাগে এ পাউডার। কিন্তু চিকিৎসকদের মতে, এ পাউডার খেলে স্টমাক ক্যান্সারের ঝুঁকি থাকে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে উপজেলার রামচন্দ্রপুর ও বেলচোঁ বাজারের বেশ কয়েকজন খুচরা সুপারি বিক্রেতা বলেন, গুঁড়া হওয়া ঠেকাতে আস্ত সুপারিকে ভিজিয়ে নিতে হয়। তেমনি কাটা সুপারিতে শ্যাওলা জমা রোধকল্পে অ্যারারুট পাউডার মেশানো হয়। কেউ কেউ আবার কাটা সুপারিতে ময়দা মেশান। কিন্তু ময়দাটা সুপারির মধ্যে আটকে থাকে না, অ্যারারুট পাউডার আবার আটকে থাকে। তা ছাড়া সাদা সুপারিতে ক্রেতাও আকৃষ্ট হয় তাড়াতাড়ি।

বাকিলা বাজারের মুদি ব্যবসায়ী দেলোয়ার হোসেন দাবি করেন, ‘আমরা কোনো সুপারি বিক্রেতার কাছে অ্যারারুট পাউডার বিক্রি করি না। তবে কাপড়ে মাড় দিতে বহুজন আমার কাছ থেকে এ পাউডার নিয়ে থাকেন।’

অ্যারারুট পাউডার খাওয়ার কারণে মানুষের স্টমাক ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি থাকে বলে জানিয়েছেন উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আনোয়ারুল আজিম।

অন্যদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বৈশাখী বড়ুয়া জানান, ‘কাটা সুপারিতে পাউডার (অ্যারারুট বা ময়দা) মেশানো হয়, তা ধারণার বাইরে। এখন থেকে আমরা বাজার মনিটরিংয়ের পাশাপাশি ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অসৎ ব্যবসায়ীদের আইনের আওতায় আনব।’

সূত্র: দৈনিক কালের কন্ঠ

জুমবাংলানিউজ/এইচএম