আন্তর্জাতিক

ভারতের অদ্ভুত ১০টি ডিভোর্সের গল্প যার কারণ শুনলে তাজ্জব হয়ে যাবেন

ডিভোর্স হওয়ার মূল কারণ কী? স্বামী-স্ত্রী’র দূরত্ব। কিন্তু কেন এই দূরত্ব ঘটে? এই ভারতে এমন কিছু বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে গিয়েছে, যেগুলোর কারণ শুনলে তাজ্জব হয়ে যাবেন।

১. ২০১১ সালে মহারাষ্ট্রের একটি নিম্ন আদালত এক ব্যক্তির ডিভোর্সের আবেদনে সাড়়া দেয়। স্ত্রীর বিরুদ্ধে ওই ব্যক্তির অভিযোগ ছিল অদ্ভুত— স্ত্রী মাত্রাতিরিক্ত পার্টি করেন। যা তাঁর কাছে মানসিক অত্যাচারের সামিল। বম্বে হাইকোর্ট অবশ্য ডিভোর্সের আবেদনে সাড়া দেয়নি।

২. ২০১৪ সালে মুম্বইয়ের এক ব্যক্তি বিবাহবিচ্ছেদ চেয়েছিলেন আরও অদ্ভুত কারণে। স্ত্রীর ছিল অদম্য যৌনক্ষুধা। আদালতে ওই ব্যক্তি জানিয়েছিলেন, তাঁর অসুস্থতার মধ্যেও স্ত্রী যৌনতা চালিয়ে যেতেন, যা একসময়ে অত্যাচারের পর্যায়ে পৌঁছেছিল। স্বামীকে ‘‘যৌনতার যন্ত্র’’ হিসেবে দেখতেন সেই স্ত্রী। শেষ পর্যন্ত এই মামলায় স্বামী ডিভোর্স পেয়েছিলেন।

৩. ২০১৫ সালে একটি ডিভোর্স হয়েছিল বিদ্ঘুটে কারণে। করবা চৌথ-এ স্বামী স্ত্রীকে পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করতে বলেছিলেন। স্ত্রী বিকল্প হিসেবে ডিভোর্স বেছে নেন।

৪. ২০০৮ সালে মুম্বইয়ে ব্রণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল ডিভোর্সের কারণ। এক ব্যক্তি আদালতে জানান, স্ত্রীর মুখভর্তি ব্রণ তাঁকে আতঙ্কিত করে তোলে। শুধু তা-ই নয়, ওই ব্যক্তির দাবি ছিল, চর্মরোগ সম্পর্কে তাঁকে বিয়ের আগে স্ত্রীর বাড়ি থেকে সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা বলা হয়েছিল।

৫. স্ত্রী মায়ের মতো রান্না করতে পারেন না, এই যুক্তিতে ডিভোর্স চেয়েছিলেন এক ব্যক্তি। শেষ পর্যন্ত পাননি। ঘটনা ২০১২ সালের।

৬. ২০১৫ সালে এক মহিলা তাঁর স্বামীর ঘর ছোট বলে ডিভোর্স চেয়েছিলেন। পাননি, বলা বাহুল্য।

৭. মুম্বইয়ের পারেলে ২০১৪ সালে আদালতে এক ব্যক্তির অনুযোগ ছিল, স্ত্রী অফিসে ট্রাউজার্স পরে যান, যা একটি ‘অসহ্য’ ব্যাপার।

৮. দক্ষিণ ভারতীয় এবং উত্তর ভারতীয় পরিবারের দু’জন বিয়ে করেছিলেন। গোল বাঁধল তখন, যখন স্বামী পারিবারিক চিকিৎসক এবং চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টের সঙ্গে নাগাড়ে মাতৃভাষায় কথা বলেছিলেন। স্ত্রী এই সব কথার একবর্ণও বোঝেননি। তাতেই ক্ষিপ্ত স্ত্রী ডিভোর্স চেয়ে বসেন। ২০১২ সালের ঘটনা।

৯. ১৯৮৫ সালে এক ব্যক্তি আদালতে জানান, তাঁর বন্ধুদের জন্য স্ত্রী চা তৈরি করেননি। এই যুক্তিতে না-হলেও, অন্য একটি যুক্তিতে এই সম্পর্কে ছেদ পড়ে। স্বামীকে না জানিয়েই স্ত্রী গর্ভপাত করিয়েছিলেন।

১০. ২০১৫ সালের ঘটনা। স্বামীকে নিয়ে ‘‘ভদ্রসমাজে’’ যাওয়া যায় না, তিনি ‘‘প্রেজেন্টেব্‌ল’’ নন, এই যুক্তিতে ডিভোর্স চেয়েছিলেন স্ত্রী।