খেলা-ধুলা

ভক্তদের ভালোবাসার প্রতিদান দিতে চান নাসির

জাতীয় দলে নাসির হোসেনের অভিষেক হয়েছে প্রায় ছয় বছর। প্রথম তিন বছর তিনি ছিলেন দলের অন্যতম সেরা পারফরমার। তবে এর পরই পারফরম্যান্সের গ্রাফটা পড়তির দিকে। যে কারণে গত দু’বছর দলে অনিয়মিত। সর্বশেষ টেস্ট খেলেছিলেন দুই বছর আগে। গত দেড় বছরে ওয়ানডে খেলেছেন মাত্র তিনটি, টি২০ দুটি। দলে এমন অনিয়মিত হওয়ার পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ তিন ফরম্যাট মিলিয়ে গত ৪৯ ইনিংসে কোনো হাফ সেঞ্চুরি নেই তার। এর পরও নাসিরের প্রতি ভালোবাসার শেষ নেই ক্রিকেটপ্রেমীদের। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাকে দলে নেওয়ার জন্য আন্দোলন পর্যন্ত চলে। ভক্তদের এমন ভালোবাসায় কৃতজ্ঞ নাসির। তাদের এ ভালোবাসার প্রতিদান দিতেই আবার জাতীয় দলে জায়গা পাকা করতে চান এ অলরাউন্ডার।

মজার ব্যাপার হচ্ছে, দলে থাকার সময় কিন্তু এতটা জনপ্রিয় ছিলেন না নাসির। সে যাই হোক, ভক্তদের প্রতিদান দিতে চান নাসির, ‘জনপ্রিয়তা… আমি জানি না কেন মানুষ আমাকে ভালোবাসে। এটা আমার বড় পাওয়া। এ জিনিসটা সবাই পায় না, আমি পেয়েছি। আমি তাদের কাছে অনেক কৃতজ্ঞ। তারা আমার ওপর যে বিশ্বাস রাখেন, অনেক আশা করেন- আমি চেষ্টা করব সেই বিশ্বাস ও আশাটা রাখার জন্য। সেটা করার জন্যই এ অনুশীলন ক্যাম্প, ফিটনেস ক্যাম্পে পরিশ্রম করছি। চেষ্টা করছি জাতীয় দলে ঢোকার জন্য।’ তবে জনপ্রিয়তা যেমন আছে, নাসিরের অনেক বদনামও আছে। তার শৃঙ্খলা নিয়ে অনেক কথা শোনা যায়। অনুশীলনেও নাকি তিনি খুব একটা মনোযোগী নন। তবে এসব সমালোচনার উত্তর খুঁজতে গিয়ে নাসির যেন কিছুটা দার্শনিকই হয়ে গেলেন, ‘যাদের নাম হয়, তাদের বদনামও হয়। এটা সত্য কথা। আপনি আমাকে এক চোখে দেখবেন, আরেকজন আমাকে আরেক চোখে দেখবে। আমিও তো সবাইকে এক চোখে দেখতে পারব না।’ তবে এসব সমালোচনা তার চোখে পড়ে না বলেও জানান তিনি, ‘ফেসবুক বলেন, পেপার (সংবাদপত্র) বলেন, সত্যি বলতে আমি পেপার পড়ি না। ফেসবুক থাকা না থাকা একই কথা। সেখানে শুধু সবার ব্যক্তিগত সংবাদ। আর আপনি যখন খেলাধুলা করবেন তখন এসব নিউজ আপনার মাথায় থাকে না। খেলার বাইরে মাঝে মধ্যে আসে কথাগুলো। তবে খেলার মধ্যে থাকলে এসব (সমালোচনা) মাথায় থাকে না।’