আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

বিশ্বকে চমক দেখাচ্ছে স্যামসাং, বাজারে আনছে হাতঘড়ির আদলে ফোন

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি ডেস্ক : যুগের সাথে তাল মিলিয়ে প্রতিনিয়তই বদলে যাচ্ছে প্রযুক্তি। সময় এবং যুগের সাথে তাল মিলিয়ে হাঁটছে মোবাইল ফোন নির্মাতারাও। ফোন কিংবা ডিভাইসের আকারও তাই বদলে যাচ্ছে বিস্ময়করভাবে।

একটা সময় ছিলো যখন বাংলাদেশের মানুষ মোবাইল ফোন বলতে কেবল চিনত নকিয়াকে। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে বাংলাদেশের বাজর দখল করেছে স্যামসাং, সিমপনি, হুয়াওয়ে, শাওমি, অপ্পোসহ আরও অনেক মোবাইল ফোন কোম্পানি।

তবে এক্ষেত্রে স্যামসাং সবসময়ই এগিয়ে থাকতে চায়। মোবাইল ফোনের জগতে আরও একটি নতুন ধারণা যোগ করতে যাচ্ছে স্যামসাং। হাতে পরিধানযোগ্য মজার ও অদ্ভুত কনসেপ্টের নতুন ফোন আনার পরিকল্পনা করছে তারা। দক্ষিণ কোরীয় জায়ান্টটির গবেষণামূলক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এমন পদক্ষেপ নেওয়ার খবর এসেছে। ফোল্ডেবল ফোনের পরবর্তী উচ্চাভিলাষী এ কনসেপ্ট নিয়ে কাজ করছে জনপ্রিয় ব্র্যান্ডটি।

স্মার্টওয়াচের বিকল্প হিসেবে স্মার্টফোন ব্যবহারের ধারণা থেকে এমন বাঁকানো ডিভাইস তৈরির জন্য কাজ শুরু করেছে স্যামসাং। এর অংশ হিসেবে বিশ্ব মেধাস্বত্ব সংস্থায় পেটেন্টের জন্য আবেদনও করেছে তারা।

ফোনটির নকশা দেখা জানা গেছে, ডিভাইসটির পেছনের এক পাশে একটি সরু স্লাইডার আছে যা এক হাত দিয়ে চালানো যাবে। ডিভাইসটির উভয় পাশে চুম্বক সেট করা হয়েছে যাতে এটি হাতে পড়ে থাকা সময় এটির শেপ ঠিক থাকে। এটির স্লাইডারের একপাশে ক্যামেরাও রাখা হয়েছে।

স্মার্টফোনটির নিচের দিকে একটি কানেকশনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, যা থেকে ধারণা করা হচ্ছে এটি ডিভাইসটির চার্জের পোর্ট।ফোনটির পেছনের অংশ একটি ফ্লেক্সিবল রাবারের প্লেটের ওপর বসানো হয়েছে যা ইস্পাত দিয়ে তৈরি। এটিতে বেশ কিছু ছোট লিংক রাখা হয়েছে যা ফোনটিকে বাঁকাতে সহায়তা করে।এ বিষয়ক প্রকাশিত খবরে অবশ্য বলা হয়েছে, এমন ধারণা নিয়ে স্যামসাংই প্রথম কাজ করছে তা নয়; ২০১৬ সালে লেনেভো হাতে পরিধানযোগ্য স্মার্টঘড়ির ডিজাইন করার কথা প্রকাশ করেছিল।

প্রসঙ্গত, গত বছর এ কনসেপ্ট নিজেদের দখলে রাখতে আবেদন করলেও এ খবর প্রকাশ হয়েছে সম্প্রতি।

জুমবাংলানিউজ/পিএম