খেলা-ধুলা

বাংলাদেশ তো আর অস্ট্রেলিয়া না!

কয়েক সপ্তাহ পরের দৃশ্য কল্পনা করা যাক। ধরা যাক, নিজেদের মাটিতে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে বাংলাদেশকে হোয়াইটওয়াশ করেছে নিউজিল্যান্ড। পরের তিন টি-টুয়েন্টি সিরিজেও এরকম কিছু হয়ে গেল। তাতেই কী সীমিত ওভারের ক্রিকেটে কিউইদের সবকিছু ঠিকঠাক হয়ে গেল? ব্যাপারটা আসলে অত সোজা না।

নিউজিল্যান্ডের সংবাদপত্রে বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড আসন্ন ওয়ানডে সিরিজ নিয়ে নানা বিশ্লেষণ, বিশেষজ্ঞ মত প্রকাশ হচ্ছে। সেখানে লেখা হচ্ছে, বাংলাদেশ তো আর অস্ট্রেলিয়া নয়! সুতরাং, বাংলাদেশের মাটিতে একাধিকবার সিরিজ হারলেও নিজেদের মাটিতে দাপটে জেতার কথা কিউই দলের। আর সম্ভাব্য ফলের হিসেব কষতে গিয়ে তারা বাংলাদেশকে সফরের প্রত্যেক ম্যাচে পরাজিত ও নিউজিল্যান্ডকে সহজে জয়ী হতে দেখছে!

এই সাথে তারা মনে করিয়ে দিচ্ছে, বাংলাদেশের বিপক্ষে সাফল্য পেলেও মাত্রই অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে চ্যাপেল-হ্যাডলি ট্রফিতে হোয়াইটওয়াশ হওয়ার গল্পটা নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট ইতিহাস থেকে মুছে যাবে না। এছাড়া তার আগে ভারতের মাটিতে ৩-২ ব্যবধানে ওয়ানডে সিরিজ পরাজয়ের গল্পটা তো রয়েছেই।

ভারতের মাটিতে ভারত যেকোনো দলের জন্য অনেক বেশি ভয়ঙ্কর। কিন্তু নিউজিল্যান্ড কিছুটা হলেও ব্যতিক্রম ছিল। তবে সাম্প্রতিক সফরে নিজেদের সেই তকমাটাও হারিয়েছে কেন উইলিয়ামসনের দল।

সেই সফরে প্রথমে টেস্ট সিরিজে স্বাগতিকদের কাছে হোয়াইটওয়াশ হয় নিউজিল্যান্ড। পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে চার ম্যাচ পরেও ছিল ২-২ এর সমতা। কিন্তু সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে পরে ব্যাটিংয়ে নেমে ৭৯ রানে অলআউট হয়ে যায় তারা। পরাজয়টা আসে ১৯০ রানের!

অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে কিউইদের পারফরম্যান্স ছিল আরো নিচের দিকে। দুরন্ত অজিদের বিপক্ষে ব্যাটিং, বোলিং ও ফিল্ডিং- সব দিক দিয়েই নিউজিল্যান্ড পরিচয় দিয়েছে ব্যর্থতার। সীমিত ওভারের ক্রিকেটে তখন থেকেই সমর্থকদের কড়া সমালোচনায় মুখে পড়েছে কিউই ক্রিকেট। তাদের মিডিয়া তাই বলছে, কেবল বাংলাদেশের বিপক্ষে ভালো করলেই তাদের আগের ব্যর্থতা চাপা পড়বে এমনটা আশা করা নিশ্চয় বোকামি। ২৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সফর শুরু করবে ওয়ানডে দিয়ে। এই সফরে তারা ৩টি করে ওয়ানডে, টি-টুয়েন্টি ও ২টি টেস্ট ম্যাচের সিরিজ খেলবে।

ভিডিওঃ বাংলা সিনেমার সবচেয়ে হট আইটেম গান এটি

Add Comment

Click here to post a comment