Exceptional বিনোদন

বলিউডের নায়ক নয়, এক সন্তানহারা পিতা গোবিন্দ’র গল্প

গোবিন্দর প্রকৃত জীবন সম্পর্কে আপনি অনেক কিছু জানেন কিন্তু এমন কিছু জিনিস আছে যা আপনি জানেন না। তিনি যে সংগ্রামগুলি নিজের পরিবারের জন্য করেছেন তা সবার সাথে ভাগ করে নেওয়া আবশ্যক। প্রায় সবাই জানে যে নর্মদা গোবিন্দার বড় মেয়ে। তবে খুব কম লোকই জানে যে তার আর একটি মেয়েও ছিল যে দুর্ভাগ্যবশত মারা গেছেন।

বলিউডের ‘কমেডি কিং’ নামে পরিচিত, গোবিন্দা ৯০ এর দশকে বক্স অফিসে চমক তৈরি করেছেন। একটি চমৎকার অভিনেতা ছাড়াও, তিনি একটজন মহান ডান্সার, কমেডিয়ান এবং রাজনীতিবিদ।

‘তানবাদন’, একটি গোবিন্দা অভিনীত চলচ্চিত্রের সেটে তাদের দুজনের আলাপ হয়, তিনি সহকারী পরিচালক আনন্দ সিংয়ের আত্মীয় সুনিতার প্রেমে পড়ে যান । তারা ১১ ই মার্চ ১৯৮৭ সালে বিয়ে করেন।

আমরা দেখতে পারি যে গোবিন্দার পেশাদারী জীবন সবসময় স্বচ্ছ কিন্তু তিনি ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কে কিছু বলতে এড়িয়ে যান। তিনি তার পরিবার সম্পর্কে খুব রক্ষণশীল।

একটি সাক্ষাৎকারে গোবিন্দা তার ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কে বলেন, আমি আমার পরিবারের অনেক মৃত্যুর সাক্ষী ছিলাম, কিন্তু সবচেয়ে হতাশাজনক ছিল আমার প্রথম কন্যার মৃত্যু। সে একটি প্রিম্যাচুয়ার শিশু ছিল তাই দীর্ঘকাল বেঁচে থাকতে পারেনি।

সর্বাধিক গোবিন্দর ভক্তরা মনে করেন যে নর্মদা আহুজা তার একমাত্র কন্যা, কিন্তু তার প্রথম মেয়ে ৪ মাস বয়সে মারা যায়। নর্মদা তার দ্বিতীয় সন্তান।

তার কন্যার মৃত্যুর পাশাপাশি তার বাবা-মা, তার ভাই, বোন ও শালার মৃত্যুরও মুখোমুখি হন তিনি। তিনি বলেন, আমি একমাত্র পরিবারের উপার্জনকারী সদস্য এবং এর ফলে আমি অনেক মানসিক এবং আর্থিক চাপের মধ্যে ছিলাম। গোবিন্দ খুব রক্ষণশীল এবং তার সন্তানদের সম্পর্কে সতর্ক। নর্মদা তার বড় মেয়ে এবং তার ছেলেও রয়েছে, যশবর্ধন।

জুমবাংলানিউজ/ জিএলজি