খেলা-ধুলা

বছরে দুটির বেশি বিদেশি লিগ খেলতে পারবেন না সাকিবরা

জুমবাংলা ডেস্কঃ বিশ্ব জোড়ে এখন ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগের ছড়াছড়ি। আইপিএল, পিএসএল, সিপিএল, এসপিএলের মতো টুর্নামেন্টে নিয়মিত খেলছেন বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সাকিব-তামিমদের বিদেশি লিগে অংশ নেওয়া কমাতে চাইছে। এখন থেকে বছরে দুটির বেশি বিদেশি লিগ খেলার সুযোগ পাবে না সাকিবরা। অবশ্য এই নিয়ম প্রযোজ্য হতে যাচ্ছে কেবল বিসিবির চুক্তির আওতাধীন ক্রিকেটারদের জন্য।  বিসিবি এখন থেকে একজন ক্রিকেটারকে সর্বোচ্চ দুটি বিদেশি লিগে খেলার অনুমতি দেবে।

মূলত খেলোয়াড়দের খেলার ধকল ও ইনজুরি থেকে দূরে রাখতেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশের ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি। এই সিদ্ধান্তের পাশাপাশি আরোপিত হচ্ছে আরেকটি সিদ্ধান্ত- এখন থেকে দেশের প্রথম শ্রেণির দুটি আসর জাতীয় ক্রিকেট লিগ (এনসিএল) ও বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগে (বিসিএল) খেলা চুক্তিবদ্ধ তথা বেতনভুক্ত সকল ক্রিকেটারের জন্য বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

এ বিষয়ে বিসিবির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিজাম উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘সার্বিক দিক বিবেচনা করেই আমরা এ সিদ্ধান্তটি নিয়েছি। একেই আমাদের পরবর্তী আন্তর্জাতিক ক্রিকেটসূচি খুব ঠাসা, তার ওপর ক্রিকেটারদের পর্যাপ্ত বিশ্রামের ব্যাপারও আছে। এর সঙ্গে জড়িত খেলোয়াড়দের ইনজুরি ব্যবস্থাপনার বিষয়টিও। আমরা চাই আন্তর্জাতিক খেলার সময় আমাদের সেরা খেলোয়াড়দের সবাইকে পেতে। তাই বছরে দুটির বেশি বিদেশি লিগে খেলতে দেওয়া হবে না কাউকেই। ’ 

সেক্ষেত্রে দুটি টুর্নামেন্টের ক্ষেত্রে একটি টি-১০ (প্রস্তাবিত) হলেও প্রযোজ্য হবে একই নিয়ম। নিজাম উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘কেউ যদি একই বছরে টি–১০ টুর্নামেন্টও খেলে, তাহলে সে টি–২০ টুর্নামেন্টও খেলতে পারবে একটি। কেউ ইংল্যান্ডে গিয়ে কাউন্টি ক্রিকেটে দীর্ঘ পরিসরের ম্যাচ খেললে তার জন্যও একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে। ক্রিকেটারদের যে চিঠিটা আমরা দিয়েছি, তাতে এসব কিছুরই উল্লেখ আছে। ’

বিসিবির এমন সিদ্ধান্তে কিছুটা বেকায়দায়ই পড়তে হতে পারে ক্রিকেটারদের। সাকিব আল হাসান, মুস্তাফিজুর রহমান, তামিম ইকবাল প্রমুখ ক্রিকেটার বিশ্বের ঘরোয়া টি-২০ লিগগুলোতে হয়ে থাকেন বড় চাহিদা। তাদের আয়ের বড় একটা অংশও আসে সেখান থেকে। দুটির বেশি টি-২০ লিগ খেলতে না পারলে ভাঁটা পড়বে এতে। যদিও সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করলে খেলোয়াড়দের সুরক্ষায় বিসিবির তরফ থেকে এটি বেশ ভালো এক সিদ্ধান্তই। সাম্প্রতিককালে বিদেশি লিগ খেলার কারণে ইনজুরি বা ক্লান্তির শিকার হয়ে জাতীয় দলের জার্সি তুলে রাখার ঘটনা তো কম নয়!