গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বিনোদন

ফেসবুকে এই সুন্দরী সবজি বিক্রেতার কাছে মহিমা, মণীষা কৈরালার জনপ্রিয়তাও ফিকে

ফেসবুকের মহিমা- খুব বেশিদিন আগের কথা নয়। পাকিস্তানের নীল চোখের এক চা ওয়ালা ইন্টারনেট জুড়ে দাপিয়ে বেড়িয়েছিলেন। তাঁর নাম আরশাদ খান।

তাঁর ছবি প্রকাশ্যে আসার পরই রাতারাতি তারকা বনে যান সেই পাক চা ওয়ালা। এবার সেই পাকিস্তানি চা ওয়ালাকে পিছিনে ফেলে দিয়েছেন নেপালের এক তরুণী। সবজি বিক্রি করেন সেই তরুণী।

সোশ্যাল মিডিয়া এক নিমেষেই তারকা বানিয়ে দিতে পারে। আরশাদ খান তার জ্বলন্ত উদাহরণ। নেপালের তরুণী আবারও তা প্রমাণ করলেন। যদিও তিনি হয়তো এর বিন্দুবিসর্গ জানেন না। নেপালি সবজি বিক্রেতা মহিলাটি এখন সবার চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছেন।

সাধারণ ঘরে জন্মানো নেপালি তরুণীর রূপ, লাবণ্যে মুগ্ধ সবাই।
কিন্তু কীভাবে খোঁজ পাওয়া গেল এই সুন্দরী সবজি বিক্রেতার? কীভাবেই বা তাঁর ছবি ভাইরাল হয়ে গেল সোশ্যাল মিডিয়ায়?

ঘটনা হল, নেপালের গোর্খা ও চিতওয়ান ব্রিজের মধ্যে দিয়ে যখন সবজি বিক্রি করার জন্য বাজারে হেঁটে যাচ্ছিলেন নেপালের সেই তরুণীটি, ঠিক সেই সময়ে রূপচন্দ্রা মহাজন নামে এক মহিলা দেখতে পান তাঁকে। সেই সবজি বিক্রেতার কয়েকটি ছবিও তিনি তুলে ফেলেন।

সেই ছবিগুলো নিজের টুইটার অ্যাকাউন্টে পোস্টও করেন। এরপরেই আলোচনা শুরু হয়ে যায় সেই তরুণীকে নিয়ে। টুইটার এবং ফেসবুকে সংশ্লিষ্ট তরুণীর দুটি ছবি এখন ভাইরাল।

একটি ছবিতে দেখা গিয়েছে ওই নেপালি তরুণী সবজি বিক্রির জন্য ব্রিজের উপর দিয়ে হেঁটে চলেছেন আপন খেয়ালে। অন্য আর একটি ছবিতে বাজারে সবজি বিক্রি করতে দেখা যাচ্ছে সুন্দরী সেই তরুণীকে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি প্রকাশিত হওয়ার পরে পাকিস্তানের সেই নীল চোখের হ্যান্ডসাম চা ওয়ালা আরশাদ মডেলিং করার সুযোগ পেয়েছেন। নেপালের সাধারণ এক পরিবারে জন্ম নেওয়া এই সুন্দরী তরুণীরও কি এবার ভাগ্য বদলাতে চলেছে? এমন গুঞ্জনও শুরু হয়ে গিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতে জনপ্রিয় হয়ে যাওয়া এই সুন্দরী সবজি বিক্রেতা কি মণীষা কৈরালার জায়গা দখল করতে পারবেন? এই প্রশ্ন ওঠা কি অপ্রাসঙ্গিক? মণীষা যেমন নেপাল থেকে এসে বলিউড কাঁপিয়ে দিয়েছিলেন, তেমনি এই সবজি বিক্রেতাও বলিউড নাড়িয়ে দিতে পারেন।