বিনোদন

ফিরছেন ঐন্দ্রিলা, তবে…

ঐন্দ্রিলা, প্রয়াত বরেণ্য নায়ক বুলবুল আহমেদ ও অভিনেত্রী ডেইজি আহমেদ’র ছোট কন্যা। ছোট বেলা থেকে অভিনয়ের পথে তার এগিয়ে চলা হলেও এখন অভিনয়ে তার দেখা মেলে না।

তবে তিনি আবারো অভিনয়ে নিয়মিত হবার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন। শুধু অভিনয়েই নয় ভালো প্রোডাক্টের বিজ্ঞাপনেও কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন তিনি। তার এই আগ্রহের কথা বেশ ক’জন নির্মাতা জেনেছেনও বটে। তাই তারাও চেষ্টা করছেন ঐন্দ্রিলাকে নিয়ে নাটক টেলিফিল্ম নির্মাণের। ঐন্দ্রিলার শুধু একটিই কথা, গল্প এবং চরিত্র তার ভালোলাগতে হবে। নতুবা কাজে ফেরা নয়। যে ইমেজ নিয়ে তিনি সবসময় কাজ করেছেন সেভাবেই তিনি ফিরতে চান অভিনয়ে।

ঐন্দ্রিলা বলেন, ‘সত্যি বলতে কি ছোটবেলা থেকে অভিনয়ের সাথে জড়িত। তাই ব্যস্ততার কারণে অভিনয় থেকে দূরে থাকলেও খুউব মিস করি অভিনয়। এরমধ্যে প্রতিনিয়ত অভিনয়ের জন্য অনেক প্রস্তাব আসে। কিন্তু করা হয়ে উঠেনা আমার। এখন সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে ব্যস্ততার ফাঁকে ফাঁকে অভিনয় করা যেতে পারে। যদি ব্যাটে বলে মিলে যায় তাহলে অবশ্যই আমার ভক্ত দর্শকেরা আমাকে আবার অভিনয়ে দেখতে পাবেন।’

ঐন্দ্রিলাকে তার পরিচিতরা যখন কোথাও দেখেন তখনই তাকে অভিনয়ে ফেরার কথা বলেন। শুধু পরিচিতজনরাই নয় যারা ঐন্দ্রিলার অভিনয় দেখেছেন তারাও চান তিনি যেন একটু একটু করে হলেও অভিনয়ে থাকেন। যার বাবা এদেশের একজন কিংবদন্তী নায়ক তার কন্যা হয়ে ঐন্দ্রিলা নিজের অভিনয় দিয়ে বাবার উপস্থিতিটাও কিছুটা চাইলেও রাখতে পারেন, এমন ভাবনাটা ঐন্দ্রিলার শুভাকাঙ্খীদের।

অন্যদিকে, ঐন্দ্রিলার মনও এই বিষয়টাকে সাড়া দেয়। তাই অভিনয়ে ফেরার আগ্রহ জন্মেছে তার মনের কোনে। ২০০৫ সালে ঐন্দ্রিলা সর্বশেষ টিভি নাটকে অভিনয় করেন তিনি। এরপর তাকে আর অভিনয়ে দেখা যায়নি। ছোটবেলায় ঐন্দ্রিলা বরকতউল্যাহর প্রযোজনায় ‘দোলা’ নাটকে প্রথম অভিনয় করেন। বড় হয়ে তিনি তারই বাবার নির্দেশনায় ‘সুভা’ নাটকে প্রথম অভিনয় করেন। তার অভিনীত প্রথম ধারাবাহিক নাটক শেখ রিয়াজ উদ্দিন বাদশা প্রযোজিত ‘মোহর আলী’। প্রায় একশো নাটকে অভিনয় করেছেন তিনি।

আফজাল হোসেনের নির্দেশনায় ‘সানক্রেস্ট’র বিজ্ঞাপনে প্রথম মডেল হিসেবে কাজ করেন তিনি। ‘ফেয়ার অ্যা- লাভলী’র বিজ্ঞাপনে এদেশে প্রথম মডেল হন ঐন্দ্রিলা। ১৬টি বিজ্ঞাপনে মডেল হিসেবে কাজ করেছেন তিনি। বেশকিছু নাটকের টাইটেল সং-এ যেমন কণ্ঠ দিয়েছেন ঐন্দ্রিলা। ঐন্দ্রিলা আহমেদ তার বাবাকে নিয়ে নির্মাণ করেছেন তথ্যচিত্র ‘এক জীবন্ত কিংবদন্তী’র কথা’ এবং বাবাকে নিয়ে লিখেছেন ‘একজন মহানায়কের কথা’।