Exceptional বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

পেট্রোল পাম্পে এই পদ্ধতিতে আপনার সাথে প্রতারণা করা হয়

[better-ads type='banner' banner='1187323' ]

“কালো সোনা” সত্যিই তাই। যে হারে দাম বেড়ে চলেছে তাতে সোনা হীরেকেও টেক্কা দেবে এই বিষয়ে কোন অনিশ্চয়তা নেই। পেট্রোলের দাম যে হারে দিক দিন বেড়ে চলেছে তাতে কয়েক বছর পর মধ্যবিত্ত বাঙ্গালীকে গাড়ি ছেড়ে সাইকেলে নেবে আসতে হবে। পেট্রোলের যা না দাম তার সাথে আমাদের দেশের কর বসে এর মুল্য অনেক বেড়ে যায়।

কিন্তু এই পেট্রোল যে যন্ত্রের সাহায্যে পয়সায় হিসাব হয় তাতেও ঠকছে মানুষ! হ্যাঁ ঠিকই শুনছেন। কি ভাবে ? পেট্রোল স্টেশন গুলোতে গেলে প্রথমেই যেটা সমস্যা হয় সেটা হল আপনি হয়তো বললেন যে আপনি ৫০০ টাকার তেল নেবেন।

কিন্তু যে বা যিনি আপনাকে পেট্রোলটা দিচ্ছে সে না শোনার ভান করে দুশো টাকার তেল দেবে। তারপরে আপনি যখন আবার বলবেন যে আমার ৫০০ টাকার তেল লাগবে। তখন সে আগের মিটারে ২০০ টাকাটা না মুছে আপনাকে ৩০০ টাকার দেবে।

এর ফলে আপনি মোট ৩০০ টাকারই তেল পাবেন। কিন্তু আপনি ভাববেন আপনি ৫০০ টাকার তেল পেয়েছেন। কারন আপনি শুরুতে ২০০ এবং পরে ৩০০ টাকার তেল ভরানোর কথা বলেছিলেন। কিন্তু আপনি হয়তো বুঝতেই পারেননি কখন আপনার ছখের তলা দিয়ে এই কারচুপি হয়ে গেছে। সুতরাং আপনি এক্ষেত্রে প্রতারিত হচ্ছেন।

তাই যদি কোন কর্মচারী আপনার গাড়িতে তেল ভরতে গিয়ে এরম কোন উদ্দ্যগ নেয় তবে তাকে তখন আপনাকে জানাতে হবে যেন আবার নতুন রিডিং মিটারে বসানো হয়।

পেট্রোল পাম্পে এই পদ্ধতিতে আপনার সাথে প্রতারণা করা হয়

আর একটা যেটা সেটা হল পেট্রোল বা ডিজেল কখনই ১০০ বা ৫০ এর গুনিতকে কেনা উচিত নয়। কি রকম? যেমন ১০০, ২০০, ৩৫০ এরম টাকায় কখনই কিনবেন না। কারন এইভাবে পেট্রোল গাড়িতে ভরালে আপনি যত টাকা দিচ্ছেন তত টাকার পেট্রোল পাবেন না।

এক্ষেত্রে আপনি এই গুনিতকের টাকার পেট্রোল ভরানোর জন্য কর্মচারীকে বললে আগে থেকে কারছুপি করা থাকে সেই মিটারে। চোখের সামনে তেল দিলেও আপনি বুঝতেই পারবেন না কখন আপনি ঠকে যাচ্ছেন। ফলে ওই ভাবে তেল নেবেন না। কারন মিটারে এমন ব্যাবস্থা করা থাকে যে এইভাবে টাকার ক্ষেত্রে কিছুটা তেল যেন কম বের হয়।

জুমবাংলানিউজ/ জিএলজি