আন্তর্জাতিক

দ. কোরিয়ায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে লড়বেন বান কি মুন!

নিজ দেশ দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন জাতিসংঘের বিদায়ী মহাসচিব বান কি মুন।

বিশ্বের শীর্ষ কূটনৈতিক পদ জাতিসংঘের মহাসচিব হিসেবে দুই মেয়াদে টানা ১০ বছর দায়িত্ব পালন শেষে ৩১ ডিসেম্বর বিদায় নিতে যাচ্ছেন তিনি।

মহাসচিব হিসেবে শেষ সংবাদ সম্মেলনে বান কি মুন জানান, ৩১ ডিসেম্বরের পর কিছু দিন বিশ্রাম নিয়ে দেশ ফিরবেন এবং দেশকে কীভাবে সর্বোচ্চ সাহায্য করতে পারেন, তা ভাবছেন তিনি।

দক্ষিণ কোরিয়ায় পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হবে ২০১৭ সালের ডিসেম্বর মাসে। তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ক্ষমতার অপব্যবহার নিয়ে বর্তমান প্রেসিডেন্ট পার্ক গিউন হের বিরুদ্ধে পার্লামেন্টে অভিসংশন হতে পারে। গিউন হে যদি অপসারিত হন তাহলে পরবর্তী ৬০ দিনের মধ্যে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হবে।

গিউন হের বিরুদ্ধে পার্লামেন্টে অভিসংশন ভোটের ফলাফল যদি সাংবিধানিক আদালত বহাল রাখেন, তাহলে গণতান্ত্রিক প্রেসিডেন্ট হিসেবে তিনিই হবেন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রথম ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট। ৮০ দিনের মধ্যে সাংবিধানিক আদালত চূড়ান্ত রায় দেবেন।

ঘনিষ্ট বন্ধুর সঙ্গে হাত মিলিয়ে প্রেসিডেন্টের ক্ষমতার অপব্যবহার করে আর্থিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে গিউন হের বিরুদ্ধে। তবে তিনি অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে নিজের ভাগ্য পার্লামেন্টের সিদ্ধান্তের ওপর ছেড়ে দিয়েছেন। এ বিষয়ে তিনি বলেন, পার্লামেন্ট যদি চায়, তাহলে সরে দাঁড়াতে তার কোনো আপত্তি নেই।

পার্ক গিউন হের বিরুদ্ধে অব্যাহত বিক্ষোভের মধ্যে বান কি মানু দেশের সাহায্যে সর্বোচ্চটুকু করার ইঙ্গিত দিলেন।

রোববার সিউলে বিশাল বিক্ষোভ-সমাবেশের ডাক দিয়েছেন বিরোধী নেতারা। তাদের দাবি, এই মুহূর্তে গিউন হের পদত্যাগ। তা না হলে সাংবিধানিক আদালতের প্রতি তারা আহ্বান জানাবেন, তাকে প্রেসিডেন্টের পদে অযোগ্য ঘোষণা করে অপসারিত করতে। টানা আট সপ্তাহ গিউন হের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ চলছে দক্ষিণ কোরিয়ায়।

পার্ক গিউন হের সমর্থকরাও রোববার সিউলে বিক্ষোভ ডেকেছে। ফলে সংঘর্ষের আশঙ্কা করা হচ্ছে।

তথ্যসূত্র : বিবিসি অনলাইন।

Add Comment

Click here to post a comment

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.