ক্রিকেট (Cricket) খেলাধুলা জাতীয় স্লাইডার

ত্রিদেশীয় সিরিজের অধরা ট্রফি ঘরে আনতে চায় বাংলাদেশ

স্পোর্টস ডেস্ক: প্রত্যাশিত নৈপুণ্য দেখিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে যাওয়া বাংলাদেশ এবার আর তীরে এসে তরি ডোবাতে চায় না। খবর ইউএনবি’র।

ডাবলিনে বাংলাদেশ সময় শুক্রবার বিকাল পৌনে ৪টা থেকে শুরু হতে যাওয়া ম্যাচে প্রতিপক্ষ ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে অধরা ত্রিদেশীয় ট্রফি ঘরে তুলতে চায় টাইগাররা।

গত এক দশকে ছয়টি টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলেছে বাংলাদেশ, কিন্তু জয় আসেনি একটিও। বাংলাদেশ প্রথম কোনো টুর্নামেন্টের ফাইনাল হারে ২০০৯ সালে ঢাকায় শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। পরে তিনটি এশিয়া কাপ, একটি ত্রিদেশীয় সিরিজ ও শ্রীলঙ্কায় নিদহাস ট্রফির ফাইনালেও হার নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়।

তবে চলতি আয়ারল্যান্ড সফরে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা বাংলাদেশ গ্রুপ পর্বে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে দুবার হারিয়ে ফাইনালে এসেছে। তাই ট্রফির লড়াইয়ে তাদের বিপক্ষে টাইগারদের আত্মবিশ্বাস এবার বেশি বলেই মনে করেন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাহমুদ।

বৃহস্পতিবার মিরপুরে শের-ই-বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘ফাইনালে হেরে যাওয়া সবসময়ই পীড়াদায়ক। তবে জিততে জিততে হেরে যাওয়াটা আরও বেশি কষ্টের। এশিয়া কাপের ফাইনালে আমরা পাকিস্তানের কাছে (২০১২ সালে) মাত্র দুই রানে হেরেছিলাম।’

‘তবে আগে আমরা আন্ডারডগ দল ছিলাম। এখন আমরা ফেবারিট দল এবং ফেবারিটের মতোই খেলেছি। ভাগ্যটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ (ম্যাচ জেতার জন্য)। আশা করি আমরা দক্ষতা দিয়ে ভাগ্যকে জয় করব,’ যোগ করেন তিনি।

গ্রুপ পর্বে ক্যারিবিয়দের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে ২৬১ রান এবং দ্বিতীয় ম্যাচে ২৪৭ রান তাড়া করে জয় পায় বাংলাদেশ। দুই ম্যাচেই অর্ধশতক রান তুলেছেন সৌম্য সরকার। সর্বশেষ আইরিশদের বিপক্ষে ভালো খেললেও লিটনের পরিবর্তে ওপেনিংয়ে সৌম্যর খেলার সম্ভাবনাই বেশি।

তাই সৌম্য সরকারের কাছ থেকে আরেকটি ভালো ইনিংসের পাশাপাশি তামিম ইকবাল, মুশফিকুর রহিম ও মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের কাছ থেকেও ভালো কিছু আশা করে বাংলাদেশ।

অপরদিকে, অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান আইরিশদের বিপক্ষে ব্যাটিংয়ের সময় সাইড স্ট্রেইন ইনজুরিতে পড়ায় ২৪ ঘণ্টার পর্যবেক্ষণে রয়েছেন। ফলে বিশ্বকাপকে সামনে রেখে অতিরিক্ত ঝুঁকি না নিয়ে সাকিবকে নাও খেলানো হতে পারে।

জুমবাংলানিউজ/একেএ