লাইফ স্টাইল

ডিভোর্সকে সমাজ সহজভাবে নিতে চায় না কেন?

জুমবাংলা ডেস্ক: সব দাম্পত্য জীবনের শুরুতে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে প্রথম শর্ত থাকে জীবনের কঠিন সংকটপূর্ণ মুহূর্তেও  তারা একে অপরকে ছেড়ে যাবেনা। সুখে দুঃখে একে অপরের পাশে থাকবে।কিন্তু সবাই কি এই শর্ত রক্ষা করতে পারে? সবাই কি পারে একজনের সাথে সারাজীবন কেটে দিতে? মোটেই না। দিন যতই যেতে থাকে অনেকের সম্পর্কের মধ্যে বিষ ঢুকতে থাকে।

সময় যতই গড়ায় ততই সম্পর্কের মধ্যে সন্দেহ ঢুকতে থাকে। ফলে আস্তে আস্তে একে অপরের মধ্যে বিশ্বাস চলে যায়। এক পর্যায়ে তাঁরা  একে অপরের প্রতি অতিষ্ট হয়ে ডিভোর্সের সিদ্ধন্ত নেয়। তবে এমনও অনেক দাম্পত্য জীবন আছে যাদের সম্পর্কের বয়স যতই বাড়তে থাকে ততই সম্পর্কটি মধুর হয়। তবে যে সম্পর্কের মধ্যে বিশ্বাস থাকেনা সেই অসুস্থ সম্পর্ক না রাখাই ভাল। কিন্তু আমাদের সমাজ এখনো ডিভোর্সকে মেনে নিতে পারেনা।

যখন কেউ অসুস্থ সম্পর্কের মধ্যে থাকে, তাদের কাউকে যদি  জিজ্ঞেস করা হয়, ‘আপনি কেমন আছেন?’ সে কিন্তু খারাপ থাকলেও বলে, ‘আমি ভালো আছি।’ যদি সম্পর্কের অবস্থার কথা জিজ্ঞেস করে, তাহলেও বলে ভালো। হয়তো সে আগের রাতেই মার খেয়েছে স্বামীর কাছে বা স্বামী হয়তো অপমানিত বোধ করেছে স্ত্রীর আচরণে।

তারপরও কিন্তু সে বলবে যে ভালো আছি। এটা দেখে বোঝার উপায় নেই। দেখা যাচ্ছে, স্বামী-স্ত্রী দুজনই কষ্ট বা জটিলতার মধ্যে রয়েছে। তবে বাইরে সেটি প্রকাশ করছে না।  কারণ একটাই আমাদের  সমাজ এখনো  ডিভোর্সকে সহজভাবে নিতে চায় না। সমাজ তখন বিভিন্ন রকম কথা বলে। এ ভয়েও কিন্তু অনেকে ডিভোর্সে যায় না। কিন্তু এটা ঠিক নয়। কেউ নিজেদের ইচ্ছায় ডিভোর্স নিতেই পারে। এটা নিয়ে অন্য কারো কথা বলা মোটই উচিত নয়।