ক্যাম্পাস জাতীয় রাজনীতি স্লাইডার

ডাকসুর প্রথম ভিপি ছাত্র ইউনিয়নের, শেষবার ছাত্রদলের, ২৮ বছর পর আজ কে?

জুমবাংলা ডেস্ক : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সর্বশেষ নির্বাচন হয় ১৯৯০ সালের ৬ জুন। এরপর পেরিয়ে গেছে ২৮ বছর ৯ মাস। প্রায় তিন দশকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা করেও যারা ডাকসু নির্বাচনে ভোট দিতে পারেনি তাদের আক্ষেপ যেমন থেকেই যাবে, তেমনি যারা আজ বহুল প্রতিক্ষিত নির্বাচনে ভোট দিচ্ছে তারা নিজেদের ভাগ্যবান মনে করবে।

এবার ডাকসুতে পৃথক প্যানেল দিয়ে নির্বাচন করছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, বাম ছাত্রসংগঠনগুলোর মোর্চা প্রগতিশীল ছাত্র জোট, কোটা আন্দোলনকারীদের সংগঠন বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ, স্বাধিকার স্বতন্ত্র পরিষদ, স্বতন্ত্র জোট, জাসদ ছাত্রলীগ, ছাত্রলীগ-বিসিএল, ছাত্র মৈত্রী, ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন, ছাত্র মুক্তিজোট, জাতীয় ছাত্রসমাজ ও বাংলাদেশ ছাত্র আন্দোলন। এ ছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও রয়েছেন। তবে ছাত্রলীগ ছাড়া কোনো সংগঠনই ডাকসু নির্বাচনে পূর্ণ প্যানেল দিতে পারেনি।

নির্বাচনে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা অনুসারে ডাকসুর ২৫টি পদের বিপরীতে এবার লড়ছেন ২২৯ প্রার্থী।

এর মধ্যে সহসভাপতি (ভিপি) পদে ২১ জন, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে ১৪ এবং সহসাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ১৩ প্রার্থী। এছাড়া স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক পদে ১১ জন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক পদে ৯ জন, কমনরুম ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক পদে ৯ জন, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক পদে ১১ জন, সাহিত্য সম্পাদক পদে ৮ জন, সংস্কৃতি সম্পাদক পদে ১২ জন, ক্রীড়া সম্পাদক পদে ১১ জন, ছাত্র পরিবহন সম্পাদক পদে ১০ জন ও সমাজসেবা সম্পাদক পদে ১৪ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এর বাইরে ১৩টি সদস্য পদের বিপরীতে লড়বেন ৮৬ প্রার্থী। ইতিমধ্যে প্রার্থীদের প্রচারে মুখরিত বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস।

চলুন জেনে নেয়া যাক প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা :

ছাত্রলীগ
রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন (ভিপি), গোলাম রাব্বানী (জিএস), সাদ্দাম হোসেন (এজিএস), স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধ সম্পাদক সাদ বিন কাদের, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক আরিফ ইবনে আলী, কমনরুম ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক বি এম লিপি আক্তার, আন্তর্জাতিক সম্পাদক শাহারিমা তানজিনা অর্নি, সাহিত্য সম্পাদক মাজহারুল কবির শয়ন, সাংস্কৃতিক সম্পাদক আসিফ তালুকদার, ক্রীড়া সম্পাদক শাকিল আহমেদ তানভির, ছাত্র পরিবহন সম্পাদক শামস-ই-নোমান ও সমাজসেবা সম্পাদক আজিজুল হক সরকার। সদস্য পদে প্রার্থীরা হলেন, যোশীয় সাংমা, নজরুল ইসলাম, রাকিবুল ইসলাম রাকিব, রাকিবুল ইসলাম ঐতিহ্য, তানভীর হাসান সৈকত, রাইসা নাসের, সাবরিনা ইতি, ফরিদা পারভীন, নিপি ইসলাম তন্বী, সবুজ তালুকদার, তিলোত্তমা শিকদার, সাইফুল ইসলাম রাসেল ও মাহমুদুল হাসান।

ছাত্রদল
মোস্তাফিজুর রহমান (ভিপি), আনিসুর রহমান খন্দকার (জিএস), খোরশেদ আলম সোহেল (এজিএস), স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধ সম্পাদক জাফরুল হাসান নাদিম, কমনরুম ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক কানেতা ইয়া লাম লাম, আন্তর্জাতিক সম্পাদক মো. আশরাফুল ইসলাম, সাহিত্য সম্পাদক মো শাহিনুর ইসলাম, সাংস্কৃতিক সম্পাদক কাইউম উল হাসান, ক্রীড়া সম্পাদক মনিরুজ্জামান মামুন, ছাত্র পরিবহন সম্পাদক মাহফুজুর রহমান চৌধুরী, সমাজসেবা সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম। সদস্য পদের প্রার্থীরা হলেন, সাইদ বিন আনোয়ার, মোহাম্মদ আবুল বাশার, মো শরিফুল ইসলাম, শাফায়াত হাসনাইন সাবিত, ইকবাল হোসাইন শাওন, আরিফ আহমেদ, সুলতান মো সালাউদ্দিন সিদ্দিক, মাহমুদুল হাসান, তানভীর আজাদাই সাকিব ও আবিদুল ইসলাম খান।

বাম জোট
লিটন নন্দী (ভিপি), ফয়সাল মাহমুদ (জিএস), সাদিকুল ইসলাম সাদিক (এজিএস), স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধ সম্পাদক রাজিব কান্তি রায়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক উলুল আমর তালুকদার, কমনরুম ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক সুহাইল আহমেদ শুভ, আন্তর্জাতিক সম্পাদক মীম আরাফাত মানব, সাহিত্য সম্পাদক রাজীব কুমার দাস, সাংস্কৃতিক সম্পাদক ফাহাদ হাসান আদনান, ক্রীড়া সম্পাদক শুভ্রনীল রায়, ছাত্র পরিবহন সম্পাদক হাসিব মোহাম্মদ আশিক, সমাজসেবা সম্পাদক মোহাম্মদ নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী। সদস্য পদের প্রার্থীরা হলেন, উদয় নাফিস অলি, মঈনুল ইসলাম তুহিন, আমিনুল ইসলাম, আমজাদ হোসেন, আফনান আক্তার, মিত্রময়, সালমান ফারসি, রাহাতিল রাহাত, আরমানুল হক, জেসান অর্ক মারান্ডী, মনীষা আক্তার, মাহির ফারহান খান, উদয় নাফিস ও প্রত্নপ্রতীম মেহেদী।

কোটা সংস্কার আন্দোলনকারী
নুরুল হক নুর (ভিপি), রাশেদ খান (জিএস), ফারুক হোসেন (এজিএস), মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক নাজমুল হুদা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক সোহরাব হোসেন, কমনরুম ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক কামরুল হাসান, আন্তর্জাতিক সম্পাদক হাবিবুল্লাহ বেলালী, সাহিত্য সম্পাদক পদে আকরাম হোসেন, সাংস্কৃতিক সম্পাদক নাহিদ ইসলাম, ক্রীড়া সম্পাদক মামুনুর রশীদ, ছাত্র পরিবহন সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম ও সমাজসেবা সম্পাদক আখতার হোসেন।

ছাত্র মৈত্রী
ভিপি পদে মো. রাসেল শেখ, জিএস সনম সিদ্দিকী শিতি, এজিএস সানজীদা বারী, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক মোফাজ্জেল হোসেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক আরাফাত রহমান, কমনরুম ও ক্যাফেটারিয়া সম্পাদক এমিলি শেখ, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক আশরাফুল বিন শফি রাব্বি, সাহিত্য সম্পাদক আয়েজীদ ইসলাম হিমু, সংস্কৃতি সম্পাদক সাকিব সাদেকিন, ক্রীড়া সম্পাদক তানজিরুল ইসলাম তুহিন, ছাত্র পরিবহন সম্পাদক রহমতুল্লাহ বাহাদুর, সমাজসেবা সম্পাদক লুত্ফুল হাসান সাগর। এছাড়া সদস্য পদে মো. ফয়সাল, অনিন্দ্য আদিত্য, জুয়েল রানা, মনীষা রায়, মারুফ কায়সার, আহাম্মদ সানি, সুমনা সুলতানা, হামিদ খান ভাসানী, মোহাম্মদ ইয়াছিন, আরমান মোহাম্মদ সাজ্জাদ, এসএম শাহ জনি, এস রায়হান ও মো. হানিফ শেখ।

জাসদ ছাত্রলীগ
ভিপি পদে মাহফুজুর রহমান রাহাত, জিএস শাহরিয়ার রহমান বিজয়, এজিএস সম্পাদক নাঈম হাসান, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক শিরিন আক্তার, বিজ্ঞান বিষয়ক সম্পাদক তন্ময় কুমার কুন্ড, কমনরুম ও ক্যাফেটেরিয়া বিষয়ক সম্পাদক ফজলে এলাহী জিসান, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ইয়াসিন আরাফাত রাহী, সাহিত্য সম্পাদক আদনান হোসেন অনিক, সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম রোমান, ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান হাবিব, ছাত্র পরিবহন সম্পাদক এহসানুল হক হিমেল, সমাজসেবা বিষয়ক সম্পাদক আল আমিন শিকদার। এছাড়া সদস্য পদে সাদিকুর রহমান সাগর, মশিউর রহমান জারিফ, সংগ্রামী মোহন উচ্ছ্বাস, আশরাফুল আলম ফাহিম, মো. নাবিদ নেওয়াজ, মাশফিক আরেফিন, রিফাত বিন মুত্তাসিম আহমেদ, তৌফিক আহমেদ, শাকিব ওয়ালিদ তৌহিদ, রাহাত আরা রুমি, মেহেদি হাসান, এস এম সামিউল বাশার সিদ্দিকী পার্থ ও আরাফাত আহমেদ নাঈম।

ইশা ছাত্র আন্দোলন
ভিপি পদে এস. এম. আতায়ে রাব্বী, জিএস মাহমুদুল হাসান, এজিএস এইচ. এম. শরীয়ত উল্লাহ, স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক মাহমুদুল হাসান, কমনরুম ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক নাফিসা আক্তার, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক তাওহীদুর রহমান, সাহিত্য সম্পাদক শাহিন আলম, সংস্কৃতি সম্পাদক মো. আল আমিন, ক্রীড়া সম্পাদক তামান্না তাসনিম, ছাত্র পরিবহন সম্পাদক জামাল উদ্দিন মুহাম্মাদ খালিদ, সমাজ সেবা সম্পাদক কবির হোসেন। এছাড়া সদস্য পদে আমিরুল ইসলাম, ফাতেমা আক্তার, শরিফুল ইসলাম, ওয়াসিক বিল্লাহ, মুহা. হাফিজুর রহমান, আব্দুর রহমান, ইয়াছিন আরাফাত, মুহাম্মাদ দেলওয়ার হোসেন, মুহা. ইয়ামিন, খাইরুল অাহসান মারজান, রাশেদুল ইসলাম, মুহা. আব্দুল্লাহ আল মারুফ ও মু.রুহুল আমিন।

বাংলাদেশ ছাত্র মুক্তিজোট
সিহাব শাহরিয়ার সোহাগ (ভিপি), রাশেদুল ইসলাম (জিএস), অনুপ রায় (এজিএস), স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধ সম্পাদক জাকিয়া সুলতানা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক সখিল চন্দ্র দাস, কমনরুম ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক সুমাইয়া ইয়াসমিন স্মৃতি, আন্তর্জাতিক সম্পাদক সাজ্জাদুর রহমান, সাহিত্য সম্পাদক মোশাররফ হোসেন, সাংস্কৃতিক সম্পাদক শায়র নিয়োগী, ক্রীড়া সম্পাদক রায়সুল ইসলাম অনিক, ছাত্র পরিবহন সম্পাদক আমিনুল ইসলাম জোবায়েদ ও সমাজসেবা সম্পাদক নওরীন আক্তার নিশাত। এ ছাড়া সদস্য পদে প্রার্থীরা হলেন রহিমা খাতুন, মাসুদ আল মামুন, আরিফা রহমান, আরাফাত হোসাইন, চিন্ময় মিত্র শুভ ও সামাদ আকন্দ।

স্বতন্ত্র জোট
ভিপি পদে জিন প্রকৌশল ও জীবপ্রযুক্তি বিভাগের শিক্ষার্থী অরণি সেমন্তি খান, জিএস পদে উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী শাফী আবদুল্লাহ ও এজিএস পদে অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী অমিত প্রামাণিককে এ প্যানেলে রাখা হয়েছে। এছাড়া স্বতন্ত্র জোট থেকে ডাকসুর স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক পদে শ্রবণা শফিক দীপ্তি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক পদে চয়ন বড়ুয়া, কমনরুম ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক পদে ওমর ফারুক, আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক পদে তালিম হাসান রিজভী, সাহিত্য সম্পাদক পদে আবু রায়হান খান, সংস্কৃতি সম্পাদক পদে ফরহাদ হোসেন, ক্রীড়া সম্পাদক পদে জুহায়ের আনজুম, ছাত্র পরিবহন সম্পাদক পদে তৌহিদ তানজীম ও সমাজসেবা সম্পাদক পদে লড়বেন ডি এম রহিস উজ জামান। আর সদস্যপদে লড়বেন খন্দকার মাহফুজ সালেকীন, রাকা আজিজ, শাহ মো. মিনহাজুল আবেদীন, নহলি নাফিসা খান, সাবিক খায়ের, শামস নূর, কফিল ইবনে কামাল, ফাহাদ আল মাহমুদ, রিয়াজুর রহমান, অমর দেবনাথ, আজমাঈন তূর হক, সরকার মো. সাদমান ও আজহার উদ্দীন।

স্বতন্ত্র প্রার্থী
স্বতন্ত্র ভিপি প্রার্থীরা হলেন, এ বি এম আব্বাস আল কোরেশী, সফিক সরকার, আবদুল্লাহ আল লাবিব, আবদুল্লাহ জিয়াদ, ওমর ফারুক, আব্দুল আলীম (ধ্রুব), গোলাম রাসেল ও টিটো মোল্লা। স্বতন্ত্র জিএস প্রার্থীরা হলেন, এ আর এম আসিফুর রহমান ও উম্মে হাবিবা বেনজির। এজিএস প্রার্থী আবু রায়হান খান। এদের মধ্যে স্বাধিকার স্বতন্ত্র পরিষদ থেকে জিএস পদে সাংবাদিক সমিতির সভাপতি এ.আর.এম. আসিফুর রহমানকে পূর্ণ সমর্থন দেওয়া হয়েছে।

স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে ডাকসুর প্রথম নির্বাচন হয় মুক্তিযুদ্ধের পর ১৯৭২ সালের ২০ মে। বিশ্ববিদ্যালয়ে তখন সক্রিয় ছিল প্রধান দুটি সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ও বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন। সে সময় বিপুল বিজয় পায় ছাত্র ইউনিয়ন এবং সহসভাপতি (ভিপি) নির্বাচিত হয়েছিলেন মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম। এরপর ১৯৭৩ সালে আগের ডাকসু নির্বাচনে বিজয়ী ছাত্র ইউনিয়নের সঙ্গে জোট বাঁধে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। এই দুই ছাত্রসংগঠনের যৌথ প্যানেলের নাম দেওয়া হয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ। এ ছাড়া ১৯৭৯, ১৯৮০ ও ১৯৮২ সালে তিনটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এরশাদের শাসনামলে ১৯৮৯ ও ১৯৯০ সালে দুটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ১৯৮৯ সালে ভিপি নির্বাচিত হন ছাত্রলীগের সুলতান মোহাম্মদ মনসুর। আর সর্বশেষ ১৯৯০ সালে ভিপি নির্বাচিত হন ছাত্রদলের আমানউল্লাহ আমান।

আজকের নির্বাচনের মধ্য দিয়ে ডাকসুর নেতৃত্বে কে আসছেন এটা দেখা এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র।

জানা যায়, এবার ভোটারসংখ্যা হচ্ছে অমর একুশে হলে এক হাজার ৩৪০, শহীদুল্লাহ হলে দুই হাজার ৪১, ফজলুল হক মুসলিম হলে দুই হাজার ৭০, স্যার এফ রহমান হলে এক হাজার ৮৩১, শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হলে দুই হাজার ২৬০, হাজী মুহম্মদ মুহসীন হলে এক হাজার ৯৮২, সূর্যসেন হলে দুই হাজার ১৭০, বিজয় একাত্তর হলে তিন হাজার ১৫৩, মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হলে দুই হাজার ২৫৭, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলে এক হাজার ৭৯৬, কবি জসীমউদ্দীন হলে এক হাজার ৬৩৮, সলিমুল্লাহ মুসলিম হলে এক হাজার ৮০১ এবং জগন্নাথ হলে দুই হাজার ৪৪৩ জন।

মেয়েদের হলগুলোর মধ্যে কবি সুফিয়া কামাল হলে তিন হাজার ৭১০ জন, কুয়েত-মৈত্রী হলে এক হাজার ৯২০ জন, বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলে দুই হাজার ২৪৪ জন, রোকেয়া হলে চার হাজার ৫৩০ জন এবং শামসুন্নাহার হলে তিন হাজার ৭৩৭ জন ভোটার রয়েছে।

২০১৯ সালের ডাকসু নির্বাচনে ভোটার তালিকা চূড়ান্ত হয় ২০ ফেব্রুয়ারি, প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয় ৩ মার্চ। এরপর থেকে ৯ মার্চ পর্যন্ত প্রচার-প্রচারণা চালানোর সুযোগ পান প্রার্থীরা।

জুমবাংলানিউজ/এইচএম