লাইফ স্টাইল

ঠোঁটেই চেনা যায় কাছের মানুষটিকে!

কাজল কালো দুই চোখে মনের কথা ফুটে উঠতেই পারে। তবে তাতে ভাষা জোগায় অধর। কত কথাই না বলে যায় ওই দু’টি ঠোঁট। আবার নীরব থেকেও চিনিয়ে দিয়ে যায় কাছের মানুষটিকে। কখনও ভাল করে খেয়াল করেছেন?

১. পুরু ঠোঁট : এমন ঠোঁট নিজের আনন্দের ও অন্যের ইর্ষার কারণ হয়ে থাকে। এমন অধর যাঁদের থাকে, তাঁরা অত্যন্ত ভাল মানুষ হয়। সম্পর্ককে গুরুত্ব দিতে জানেন। নিজের আগে অন্যদের কথা ভাবেন এঁরা। আবার খুবই আত্মবিশ্বাসী হয়েও থাকেন। কোনও কাজের দায়িত্ব একবার নিলে তা পালন করেই ছাড়েন।

২. সরু ঠোঁট : এরা খুবই স্বনির্ভর হয়ে থাকেন।
নিজেদের নিয়েই ব্যস্ত থাকেন। কিন্তু তা বলে এই নয় যে, এরা মানুষের সঙ্গে মিশতে পারেন না। বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা এরা ভালই দিতে পারেন। তবে সম্পর্কের ক্ষেত্রে এঁদের একটু মাথা ঠান্ডা রাখা প্রয়োজন।

৩. চওড়া ঠোঁট : এমন মানুষরা ঘর আলো করে থাকেন। যেখানে থাকেন আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠেন। কথা বলতে এরা খুবই ভালবাসেন। আর আপনাকেও নিজের আলোচনার মধ্যে টেনে নেওয়ার ক্ষমতা রাখেন। এমন একজন বন্ধু, যার সঙ্গে রাত দু’টোর পরও জমিয়ে আড্ডা দেওয়া যায়।

৪ সুডৌল ঠোঁট : খেয়াল করবেন অনেকের ঠোঁটের মাঝের অংশটি একটু বেশিই ফোলা থাকে। এমন মহিলারা একটু নয় অনেকটাই ড্রামা কুইন হয়ে থাকেন। নিজেই নিজের ফেভারিট। ঠিক ‘জব উই মেট’-এর করিনা কাপুরের মতো। তোয়াজ জিনিসটা এদের খুবই পছন্দের।

৫. ধনুকের মতো ঠোঁট : একে বলে ‘কিউপিড লিপস’। এমন ঠোঁটের মেয়েরা খুবই চটপটে হয়ে থাকে। আবার সৃষ্টিশীলও হয়। কেবলমাত্র মিষ্টি কথার জাদুতে কারও হাত থেকে বন্দুক ছিনিয়ে নিতে পারে। একটু সাবধান থাকবেন। যে কোনও মুহূর্তে আপনাকে বিপদে ফেলে দিতে পারে এমন কন্যারা।

৬. সোজা ঠোঁট : কোন কিউপিড-এর খাঁজ নেই, ঠোঁটের উপরিভাগ সমান। এমন মেয়েরা ভীষণ আবেগপ্রবণ হয়। কথার রাশ কোথায় টানতে হয় এরা জানে না। তবে বেশ সহানুভূতিশীল হয়ে থাকে। কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে লাভ-ক্ষতি দেখে না এমন মেয়েরা।