অন্যরকম খবর আন্তর্জাতিক

বইয়ের দোকান তো নয় যেন রাজ প্রাসাদ! জানেন এটি কোথায়?

জুমবাংলা ডেস্ক: বই পড়ার প্রবণতা আমাদের মধ্যে দিন দিন কমে যাচ্ছে। কিন্তু আপনি যতই ইন্টারনেট থেকে জ্ঞান অর্জন করুন না কেন, বই পড়ার বিকল্প নেই। তবে ইদানিং আমরা প্রায় দেখতে পাই বেশিরভাগ স্টুডেন্টরা বইয়ের হার্ট কপি পড়েনা, দেখা যায় সফট কপি পড়ার প্রতি ঝোঁক বেশি। যতই সফট কপি পড়ুন না কেন বইয়ের দোকান থেকে বই কিনে এনে নতুন বইয়ের গন্ধ নেওয়ার মাঝে রয়েছে অন্যরকম তৃপ্তি।

যাইহোক আজকে জুমবাংলার পাঠকদের জন্য রয়েছে বিশ্ববিখ্যাত একটি বইয়ের দোকান সম্পর্কে সামান্য আয়োজন যে বইয়ের দোকান দেখে আপনি মুগ্ধ না হয়ে পারবেন না। বলছিলাম পর্তুগালের পোর্তো শহরে অবস্থিত ‘লিভারেরিয়া লেল্লো’র কথা।

জাভিয়ার স্টিভেস ১৯০৬ সালে নিও-গথিক ধাঁচের এই ভবনটি তৈরি করেন। পর্তুগালের সবচেয়ে পুরানো বইয়ের দোকান এটি। কাঠের নকশা খোদাইকৃত এই বইয়ের দোকানটিতে রয়েছে এক লাখেরও বেশি বই। বইয়ের দোকানের পাশাপাশি এখানে রয়েছে একটি ছোট্ট কফিশপ। এই কফিশপে কফি খেতে খেতে বই পড়ার মজাই আলাদা।

অনন্য সুন্দর এই বইয়ের দোকানটিতে প্রবেশ করলে আপনার মনে হবে কোনো এক জাদুর মায়া রাজ্যে প্রবেশ করেছেন আপনি। সুন্দর নকশাকৃত কাঁচের রঙিন জানালা এবং কাঠের তৈরি প্যাঁচানো সিঁড়ির জন্য বিখ্যাত এই বইয়ের দোকানটি। বিখ্যাত লেখিকা জে. কে. রাওলিং তার বিশ্ব বিখ্যাত হ্যারি পটার সিরিজের বইগুলো লেখার সময় অবস্থান করেছিলেন পর্তুগালের এই শহরে।

ফলে ধারণা করা হয় হ্যারি পটার সিরিজের লেখায় জাদুর স্কুল ‘হগওয়ার্টে’র চিত্রায়ণ লেখিকা এই বইয়ের দোকান থেকে অনুপ্রাণিত হয়েই করেছিলেন। পরবর্তীতে হ্যারি পটার সিরিজের মুভিগুলো তৈরি করার সময় মুভির অনেক দৃশ্য ধারণ করা হয় এই বইয়ের দোকানে। যাইহোক এই বইয়ের দোকানটি যে কাউকে মুগ্ধ করবে। তাই আপনিও ঘুরে আসতে পারেন এই বিখ্যাত বইয়ের দোকান থেকে।চাইলে আপনি খানিকটা হারিয়ে যেতে পারেন জ্ঞানের রাজ্যে।