খুলনা জাতীয় বিভাগীয় সংবাদ

ঝিনাইদহে আ. লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষ, বাড়িঘর ভাংচুর

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি: ঝিনাইদহের শৈলকুপায় আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে একজন আহত এবং ১০টি বাড়ি ভাংচুর করার খবর পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার (৬ ডিসেম্বর) সকাল ১০ টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

ঝিনাইদহে আ. লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষ, বাড়িঘর ভাংচুর

সংসদ নির্বাচনে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয়রা জানান। আহতদের মধ্যে আমজাদ হোসেনকে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতাল থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

শৈলকুপার উমেদপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সাব্দার হোসেন মোল্লা ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মিজানুর রহমান বাবুলের সমর্থকদের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন যাবত বিরোধ চলে আসছিল। আসন্ন সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে সেটি আরো জোরালো হয়। এরই জের ধরে বাবুলের সর্মথকরা সাব্দার মোল্লার সমর্থক আমজাদ মোল্লাকে কুপিয়ে আহত করে।

পরে উভয় গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় সাব্দার মোল্লার সমর্থকরা ইব্রাহিমপুর গ্রামের বাবুলের সমর্থক বজলু মোল্লা, নলু মোল্লা, রাজু, বদর উদ্দিন, নিজাম উদ্দিনসহ অন্তত ১০ বাড়ি ভাংচুর ও লুটপাট করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

পরবর্তীতে গ্রামে পুলিশ মোতায়েন করা হয়। তবে গ্রামের একপাশে পুলিশের উপস্থিতি থাকলেও অন্যপাশে চলে ভাংচুর ও লুটপাট। স্থানীয় মাতব্বর আবু বক্কার ওরফে বাক্কার নেতৃত্বে চলে এ ভাংচুর ও লুটপাট। ক্ষতিগ্রস্থদের অভিযোগ শৈলকুপা থানার ওসি কাজী আয়ুবুর রহমান ঘটনার কোন গুরুত্ব দেয়নি।

ঘটনাস্থলে গিয়ে ১০ টি বাড়ি ভাংচুর ও লুটপাট করা হয়েছে দেখা গেলেও ওসি সাংবাদিকদের কাছে বলেন, তেমন কোন ঘটনা ঘটেনি।

এ ব্যাপারে পুলিশ সুপার মো. হাসানুজ্জামান জানান, ঘটনা জানার পর সেখানে সহকারী পুলিশ সুপার (শৈলকুপা সার্কেল) তারেক আল মেহেদিকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। গ্রামে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে শৈলকুপা সার্কেল এএসপি তারেক আল মেহেদি জানান, এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে এলাকা শান্ত আছে।

জুমবাংলানিউজ/একেএ