খেলাধুলা

জয় নয় অন্য উদ্দেশ্যে খেলছিল ভারত

ইংল্যান্ড: ৩৩৭/৭

ভারত: ৩০৬/৫

ইংল্যান্ড ৩১ রানে জয়ী।

মাঠে খেলছিলেন বিরাট কোহলি-রোহিত শর্মারা, প্রার্থনায় পুরো উপমহাদেশ! শুধু ক্রিকেট নয়, সব ধরনের খেলা মিলেই হয়তো এই প্রথম কোনো ম্যাচের ভারতের জয় কামনা করেছে পুরো উপমহাদেশ। দর্শকের ভূমিকায় থাকা বাংলাদেশ, পাকিস্তান কিংবা শ্রীলঙ্কা—সবার সেমিফাইনাল ভাগ্যই যে এ ম্যাচের ওপর নির্ভর করছে! ১৭৬ কোটি মানুষ অধ্যুষিত মানুষের প্রার্থনা কাজে আসেনি। ইংল্যান্ডের কাছে ৩১ রানে হেরে গেছে ভারত। দুই ম্যাচ হাতে নিয়েও বিদায় নিশ্চিত হয়ে গেছে শ্রীলঙ্কার।

৩৩৮ রানের লক্ষ্য। শুরু থেকে ঝড় তোলার দরকার ছিল। কিন্তু ক্রিস ওকসের প্রথম তিন ওভার থেকে কোনো রানই তুলতে পারেনি ভারত। এর মাঝে তাঁর দ্বিতীয় ওভারে শূন্য হাতে ফিরেছেন লোকেশ রাহুল। মহামূল্যবান ৯টি বল নষ্ট করে। ভারতের অবশ্য শুরুতেই ঝড় তোলার পরিকল্পনাও ছিল না। রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলির ইনিংসের সুরেই বোঝা গেছে সেটা। দুজনেই প্রথমে ইনিংস গড়েছেন। তার পর ধীরে ধীরে গতি বাড়িয়েছেন। উইকেট হাতে রেখে পরে ঝড় তোলার ইচ্ছে ছিল তাদের। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের যুগে হাতে উইকেট রেখে ঝড় তোলাটাই যে বেশি সহজ।

সে পরিকল্পনায় অনেকটুকু এগিয়ে গিয়েছিল ভারত। কোহলি(৬৬) ও রোহিতের (১০২) বিদায়ের পরও ম্যাচে ভালোভাবেই ছিল তারা। শেষ দশ ওভারে ১০৪ রান দরকার ছিল ভারতের। উইকেটে ছিলেন ঋষভ পন্ত ও হার্দিক পান্ডিয়া। নামার অপেক্ষায় ছিলেন মহেন্দ্র সিং ধোনি ও কেদার যাদব। কিন্তু এক পান্ডিয়া ছাড়া অন্য কারও ব্যাটিং দেখেই মনে হয়নি স্লগ ওভারে ব্যাট করছেন বা ওভারপ্রতি ১০ এর বেশি করে নিতে হবে তাদের। শেষ দিকে গ্যালারির দর্শক ও ধারাভাষ্যকক্ষে থাকা সাবেক ক্রিকেটারদের বিস্ময় জাগিয়ে টুক টুক করে এগিয়েছে ভারত। ৫ উইকেট হাতে রেখেও শট খেলার চেষ্টা করেননি কেউ। মনে হচ্ছিল জয় নয় রানরেট বাড়ানোর লক্ষ্যেই খেলছিল ভারত।