ক্যাম্পাস জাতীয় শিক্ষা

জাবির মোট বাজেটের মাত্র ১.১৫ শতাংশ গবেষণায়

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি : জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ২০১৯-২০ সেশনের মূল বাজেটের মাত্র ১ দশমিক ১৫ শতাংশ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে গবেষণা খাতে। যে কারণে এ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক,শিক্ষার্থী ও সিনেট সদস্যরা।

শুক্রবার (২৮ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৮ তম সিনেট অধিবেশনে এ বাজেট অনুমোদন দেওয়া হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় ‘বাজেট বরাদ্দ ২০১৯-২০’ শীর্ষক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ২০১৯-২০ সেশনের জন্য ২৫৯ কোটি ৯৭ লাখ টাকার বাজেট অনুমোদন দেয়া হয়। এছাড়া ২০১৮-১৯ সেশনের ২৫৩ কোটি ৬৩ লাখ টাকার সংশোধিত বাজেট পাশ হয়।

বর্তমান বাজেটে গবেষণা খাতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে মোট বাজেটের ১ দশমিক ১৫ শতাংশ (৩ কোটি)। আর বেতন ভাতা খাতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৩২ দশমিক ৮৭ শতাংশ (৮৫ কোটি ৪৫ লাখ ৮৬ হাজার টাকা), ছাত্র বৃত্তি ও ফেলোশিপে গত বছরের চেয়ে ১০ লাখ টাকা কমিয়ে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ২ কোটি ৮৮ লাখ টাকা যা গত বছর ছিল ২ কোটি ৯৮ লাখ। ২০১৮-১৯ সেশনের সংশোধিত বাজেটে মোট ৪৫ কোটি ৮৫ লাখ টাকা ঘাটতি রয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেট বিশ্লেষকরা বলছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেটের টাকা সরকারি নিয়মবহির্ভূত খাতে ব্যয় করার কারণে এই ঘাটতি বছর বছর বৃদ্ধি পাচ্ছে। অনুমোদন ছাড়াই জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল এন্ড কলেজের পেছনে গত সেশনে ব্যয় হয়েছে সাড়ে ১২ কোটি টাকা। এছাড়া অন্যান্য খাতেও সরকারি নিয়মবহির্ভূত খাতে ব্যয় হয় যা ইউজিসি অনুমোদন দেয়না।

অন্যদিকে, এবার বাজেটে ব্যাপক জোচ্চুরির আশ্রয় নিতে দেখা গেছে বলে মন্তব্য করছেন বিশ্লেষকরা। বিশ্লেষণে দেখা যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল এন্ড কলেজের পেছনে ব্যয় হয় সাড়ে ১২ কোটি সেখানে বরাদ্দ রাখা হয়েছে মাত্র ৪০ লাখ টাকা। এছাড়া উপাচার্যের গাড়ির জ্বালানী বাবদ ব্যয় এক লাখ টাকা বৃদ্ধি করে ৬ লাখ টাকা করলেও শিক্ষার্থীদের দাবি অনুযায়ী তেমন বরাদ্দ বাড়ানো হয়নি মেডিকেল সেন্টারের জন্য। মেডিকেল সেন্টার (ডাক্তার ও কর্মচারীদের বেতনসহ ওষুধ অন্যান্য আনুষঙ্গিক) বাবদ বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৩ কোটি ২৬ লাখ টাকা যা গত বছর ছিল ৩ কোটি ১২ লাখ।

জুমবাংলানিউজ/এএসএমওআই