slider অর্থনীতি-ব্যবসা জাতীয়

জাতীয় সংসদে সম্পূরক বাজেট পাস

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিগত ২০১৭-১৮ অর্থবছরে সরকারের যেসব মন্ত্রণালয় বা বিভাগ তাদের মূল বরাদ্দের থেকে বেশি খরচ করেছে, তার অনুমোদন নিতে জাতীয় সংসদে ১৫ হাজার ৩৩৯ কোটি ৮২ লাখ ৫০ হাজার টাকার সম্পূরক বাজেট পাস হয়েছে।

সোমবার (১১ জুন) সংসদে আগামী ৩০ জুন সমাপ্য অর্থবছরের কার্যাদি নির্বাহের জন্য সংযুক্ত তহবিল থেকে মঞ্জুরি করা অর্থের অধিক অর্থ প্রদান ও নির্দিষ্টকরণের কর্তৃত্ব প্রদানের জন্য ‘নির্দিষ্টকরণ (সম্পূরক) বিল-২০১৮’ উত্থাপন করেন। পরে বিলটি কণ্ঠভোটে পাস হয়।

এই অর্থ অনুমোদনের জন্য ২২টি মঞ্জুরি দাবি উত্থাপন করা হয়। এসব দাবির মধ্যে চারটি দাবির ওপর আনা ছাঁটাই প্রস্তাবের ওপর আলোচনা হয়। এগুলো হচ্ছে-জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার বিভাগ, বিদ্যুৎ বিভাগ ও স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ। বাকি মঞ্জুরি দাবিগুলো সরাসরি ভোটে প্রদান করা হয়। অবশ্য সব ছাঁটাই প্রস্তাবগুলোই কণ্ঠভোটে নাকচ হয়ে যায়।

এরপর অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে নির্দিষ্টকরণ (সম্পূরক) বিল ২০১৮ উত্থাপন করলে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়। গত অর্থবছর শেষে ২২টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ বাজেটের চেয়ে বেশি অর্থ বরাদ্দ চেয়েছে। সাংবিধানিক নিয়ম অনুসারে যেসব মন্ত্রণালয় বা বিভাগ বাজেটের বরাদ্দ করা অর্থ ব্যয় করতে পারেনি তাদের হ্রাস করা বরাদ্দের জন্য সংসদের অনুমতির প্রয়োজন হয় না। কিন্তু যেসব মন্ত্রণালয় বা বিভাগ অতিরিক্ত ব্যয় করেছে কেবল তাদের বরাদ্দই সংসদের অনুমতির প্রয়োজন হয়।

এরই পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার (১১ জুন) সংসদে এই সম্পূরক বাজেট পাস হয়। সম্পূরক বাজেটের ওপর মোট ২২টি দাবির বিপরীতে মোট ১৭৩টি ছাঁটাই প্রস্তাব আনা হয়। ব্যয় বরাদ্দের বিরোধীতা করে ছাঁটাই প্রস্তাব এনে আলোচনায় অংশ নেন জাতীয় পার্টির কাজী ফিরোজ রশীদ, সেলিম উদ্দিন, বেগম রওশন আরা মান্নান, স্বতন্ত্র এমপি রুস্তম আলী ফরাজী, জাতীয় পার্টির ফখরুল ইমাম, নুরুল ইসলাম ওমর ও নূরুল ইসলাম মিলন।

সম্পূরক বাজেটের আওতায় ২২টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের বিপরীতে ১৫ হাজার ৩৩৯ কোটি ৮২ লাখ ৫০ হাজার টাকার বরাদ্দ অনুমোদন করা হয়।