অপরাধ-দুর্নীতি খুলনা জাতীয় বিভাগীয় সংবাদ

ছাত্রকে বলাৎকার করতে না পেরে হত্যা করেছে এই মাদরাসা শিক্ষক

যশোর প্রতিনিধি:  ছাত্র শাহ পরাণকে (১২) বলাৎকারে ব্যর্থ হয়ে হত্যা করার কথা পুলিশের কাছে স্বীকার করেছে মাদরাসা শিক্ষক হাফিজুর রহমান।

মঙ্গলবার ভোরে খুলনা জেলার দিঘলিয়া উপজেলা একটি কওমি মাদরাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করে যশোরের শার্শা থানা পুলিশ।

গ্রেফতারকৃত আসামি হাফিজুর বেনাপোলের কাগজপুকুর খেদাপাড়া হেফজুল কোরআন হাফিজিয়া মাদরাসার শিক্ষক। হত্যাকাণ্ডের শিকার শাহ পরাণ উপজেলার কাগজপুকুর গ্রামের শাহাজান আলীর ছেলে।

শার্শার নাভারণ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার জুয়লে ইমরান গণমাধ্যমকে জানান, ‘ জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত মাদরাসা শিক্ষক হাফিজুর জানায়, অনেকদিন ধরে ছাত্র শাহাপরানকে বলাৎকারের চেষ্টা করে আসছিল। কিন্তু বার বার ব্যর্থ হন। এক পর্যায়ে হাফিজুর তার আক্রোশ মেটাতে ছাত্র শাহাপনারকে বেড়ানোর কথা বলে গত ৩১ মে শার্শার গোগা গ্রামে নিয়ে যান। পরে তাকে নিজ ঘরে শ্বাসরোধে হত্যা করে মরদেহ খাটের নিচে রাখে। পরে ঘরে তালা ঝুলিয়ে পালিয়ে যান।’

তিনি আরও জানান, ২ জুন ওই ঘর থেকে দুর্গন্ধ ছড়ালে প্রতিবেশীরা পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ এসে ছাত্রের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে।

এদিকে এ হত্যার ঘটনায় উপযুক্ত বিচার দাবি করে আসছেন শাহাপরানের পরিবার। তারা বলেন, সততা আর আদর্শ নিয়ে মানুষ গড়ার স্বপ্নে ছেলেকে মাদরাসায় ভর্তি করেছিলাম। কিন্তু আমাদের সব স্বপ্ন ওই শিক্ষকের লালসার কাছে মিথ্যা হয়ে গেছে।

 

জুমবাংলানিউজ/এইচএম