বিনোদন

ছবি পিছু শাকিবের ৫০ লাখ, ববির কত?

ঢালিউড শীর্ষ নায়ক শাকিব খান ও চিত্রনায়িকা ইয়ামিন হক ববি জুটি বেঁধে ‘নোলক’ ছবিতে অভিনয় করতে যাচ্ছেন এ খবর আরটিভি অনলাইনের মাধ্যমে পাঠকরা আগেই জেনেছেন।

এর আগে শাকিব-ববিকে ফুল অ্যান্ড ফাইনাল, রাজত্ব, হিরো-দ্য সুপারস্টার, রাজাবাবু- দ্য পাওয়ার ছবিগুলোতে দেখা গেছে। এ জুটির মুক্তিপ্রাপ্ত প্রতিটি ছবিই প্রশংসিত হয়।

সেকারণে রাশেদ রাহা পরিচালিত নতুন ছবি ‘নোলক’ নিয়ে বেশ আলোচনা চলছে। আর এই আলোচনায় যোগ হয়েছে শাকিব খান ও ববির পারিশ্রমিক প্রসঙ্গ।এতদিন ছবি প্রতি ২৫-৩০ লাখ টাকা নিলেও ‘নোলক’র জন্য নাকি ৫০ লাখ টাকা পারিশ্রমিক নিয়েছেন শাকিব খান। ছবির শুটিং শুরুর আগেই পুরো টাকাই বুঝে নিয়েছেন এই ঢালিউড তারকা।

বিগ বাজেটের এই ছবিতে নায়ক যদি ৫০ লাখ নেন তাহলে নায়িকা নিচ্ছেন কত এ নিয়ে চিত্রপুরীতে চলছে ব্যাপক আলোচনা। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে ‘দেহরক্ষী’ ছবিটি মুক্তির পর থেকেই ৫ লাখ করে ছবি প্রতি পারিশ্রমিক নিচ্ছিলেন ববি। এমনকি শাকিব খান প্রযোজিত প্রথম ছবির জন্য ৬ লাখ টাকা পারিশ্রমিক পান তিনি।

এর পরের ছবিগুলোতে ৮ লাখের নিচে কেউ নায়িকা হিসেবে কাস্ট করতে পারেনি ববিকে। নীলিমা ছবির জন্যও ১০ লাখ টাকা পারিশ্রমিক নিয়েছিলেন ববি। ‘নোলক’ ছবিতেও সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছেন বলে শোনা যাচ্ছে। গেলো ১ বছর ধরে ছবি প্রতি ১০ লাখ টাকা পারিশ্রমিক নেয়া নায়িকার মধ্যে একমাত্র মাহিই ছিলেন। সেই হিসেবে সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক নেয়া নায়িকার তালিকায় যোগ হলো ববির নাম।

এই মুহূর্তে ববি ভারতের হায়দারাবাদে ‘বেপরোয়া’ ছবির শুটিং করছেন। তার বিপরীতে রয়েছেন নবাগত রোশান। মুঠোফোনে তার সঙ্গে যোগাযোগের পর পারিশ্রমিকের বিষয়টি জানতে চাইলে খোলামেলাভাবে কিছু বলেননি তিনি, শুধুই হাসলেন।

এ সময় ববি আরটিভি অনলাইনকে বলেন, আমি খুব ভাগ্যবতী এই কারণে যে- ক্যারিয়ারের প্রথম থেকেই অনেক ভালো ছবির কাজ পেয়েছি। আর একটা বিষয় লক্ষ্য করলে দেখবেন আমি কিন্তু খুব কম কাজ করি। প্রতিটি ছবির জন্য সবসময় বেশিসময় দেয়ার চেষ্টা থাকে আমার মধ্যে। ভালো কাজটাই আমার কাছে মূখ্য।

তিনি আরো বলেন, নোলক আমার ক্যারিয়ারের অন্যতম একটা সেরা ছবি হতে যাচ্ছে। শেষটায় ট্র্যাজেডি আছে। যা সবার হৃদয় ছুঁয়ে যাবে বলে আমার বিশ্বাস। আর শাকিব খানের সঙ্গে আগের ছবিগুলো দর্শকগ্রহণ করায় নতুন ছবি নিয়ে প্রত্যাশা বেশি।
ববি জানালেন, আগামীকাল রোববার দেশে ফিরবেন তিনি। অন্যদিকে শাকিব খান দেশে ফিরলেই এই ছবির জন্য শিডিউল দেবেন তিনি। নভেম্বরের শেষ বা ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে এ ছবির শুটিং শুরু হবে।