ঢাকা

চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে নড়েচড়ে বসেছে ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশন

একটু দেরিতে হলেও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে নড়েচড়ে বসেছে ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশন। দুই সংস্থাকে নানাভাবে সহায়তা করছে স্থানীয় সরকার ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। মাঠে নেমেছে ঢাকার এমপি ও কাউন্সিলররাও। সচেতনতা সৃষ্টির সঙ্গে চিকুনগুনিয়া আতঙ্ক দূর করতে মশক নিধনে নগরজুড়ে সাঁড়াশি অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। শুক্রবার মেয়র সাঈদ খোকন নগরভবন এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রমের উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে এডিস মশার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার কথা জানান দেন। শনিবার রাজধানীর গুলশান এলাকায় মশা নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষকে সঙ্গে নিয়ে র‌্যালি বের করেন মেয়র আনিসুল হক। তিনি এ সময় পুরো শক্তি দিয়ে চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধের অঙ্গীকার করেন এবং ডিএসসিসির পক্ষ থেকে নেয়া নানা কর্মসূচির কথা তুলে ধরেন।

চলতি বছরের এপ্রিলে ঢাকায় চিকুনগুনিয়া ভাইরাস ধরা পড়ার ওপর ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশন ও দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থাগুলো ছিল অনেকটা নির্বিকার। গণমাধ্যম সোচ্চার ভূমিকা পালন করলেও দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থাগুলোর তৎপরতা দেখা যায়নি। তবে ঈদুল ফিতরের আগে ও পরে রাজধানীতে চিকুনগুনিয়া মহামারী আকার ধারণ করা নিয়ে সর্বত্র আলোচনা শুরু হলে তৎপরতা বাড়ায় দুই সিটি কর্পোরেশন। চলতি সপ্তাহে মশক নিধনে জোর তৎপরতা শুরু করে। ঢাকার দুই মেয়রই ইমেজ রক্ষায় এ বিষয়ে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছেন। জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে তৎপর হয়ে উঠেছে দুই সিটি কর্পোরেশনের জনসংযোগ বিভাগও।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) পাঁচটি আঞ্চলিক কার্যালয়ের উদ্যোগে প্রতি ওয়ার্ডে জনসচেতনতা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা, ডিএসসিসির স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরাও কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন। শুক্রবার নগরভবনে ডিএসসিসি মেয়র অঞ্চল-৪ এর মশক নিধন কার্যক্রম পর্যবেক্ষণে অংশ নিয়ে নগরবাসীর উদ্দেশ্যে বলেন, এডিস মশার জিবাণুবাহী ভাইরাস হচ্ছে- চিকুনগুনিয়া। এসব মশা বাসাবাড়ির ভেতরে বংশ বিস্তার করে। তাই এই মশা নিধনে নগরবাসীকে সচেতন হতে হবে। তিনি বলেন, নগরবাসী ডাকলে মশা নিধনে ডিএসসিসি কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ওষুধ ছিটাবেন।