জাতীয়

ঘটনাস্থলে বোমা বিশেষজ্ঞ দল

রাজধানীর মালিবাগ মোড়ে পুলিশের গাড়িতে ককটেল বিস্ফোরণে পুলিশ কর্মকর্তাসহ দুইজন আহতের ঘটনা তদন্ত করছে পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট (সিটিটিসি)। এছাড়া আলামত সংগ্রহ ও বোমা বা ককটেলের ধরন বুঝতে ঘটনাস্থলে গেছে বোমা বিশেষজ্ঞ ইউনিট।

রোববার (২৬ মে) রাতে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান সিটিটিসি প্রধান মনিরুল ইসলাম। তিনি বলেন, যারাই এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত তদন্ত করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বোমা বিশষজ্ঞ ইউনিট পরীক্ষা করে দেখবে যে এটি আসলে কী ধরনের বিস্ফোরণ ছিল। এরপর সে অনুযায়ী তদন্ত চলবে।

এর আগে রাত ৯টার দিকে পুলিশের গাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন ট্রাফিক পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) রাশেদা আক্তার বাবলী (২৮) ও রিকশাচালক লাল মিয়া (৫৫)। তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

পুলিশ কর্মকর্তা রাশেদা আক্তার জানান, তিনি মালিবাগ মোড়ে রাতে ডিউটিতে ছিলেন। ডিউটিস্থলের ওখানে একটি পুলিশ ভ্যানও পার্কিং করে রাখা ছিল। এ সময় হঠাৎ ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটে। ককটেলের স্প্লিন্টার তার পায়ে আঘাত হানে। তিনি বলেন, সম্ভবত পুলিশ ভ্যানকে লক্ষ্য করে ককটেল ছোড়া হয়েছিল। লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে ককটেলটি আমাদের কাছে বিস্ফোরিত হয়। তবে কে বা কারা ককটেল ছুড়েছে তা দেখা যায়নি বলেও জানান আহত এ পুলিশ কর্মকর্তা।

ককটেল বিস্ফোরণে একই সময় লাল মিয়া নামে এক রিকশাচালকও আহত হন। ওই রিকশাচালকের শরীরের বিভিন্ন স্থানে স্প্লিন্টার ঢুকেছে।

এর আগে ২৯ এপ্রিল গুলিস্তানের আহাদ ট্রাফিক পুলিশ বক্স এলাকায় পুলিশকে লক্ষ্য করে বিস্ফোরণ ঘটায় দুর্বৃত্তরা। ওই ঘটনায় পুলিশের তিন সদস্য আহত হয়েছিলেন।

ওই ঘটনায় আইএস পরিচয়ে হামলার দায় স্বীকার করে বিবৃতিও দেওয়া হয়।

জুমবাংলানিউজ/ জিএলজি