খেলাধুলা

ক্রিকেট ইতিহাস ‘ঠকাল’ পাকিস্তানকে!

[better-ads type='banner' banner='1187323' ]

সর্বশেষ বৈশ্বিক আসরের শিরোপাধারী পাকিস্তান। এই ইংল্যান্ডের মাটিতে চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ফাইনালে ভারতকে হারায় তারা। ইংল্যান্ড বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের হিসেব থেকে তাই পাকিস্তানকে ঠেলে ফেলা যাচ্ছিল না। সাবেক তারকা, ক্রিকেট বিশ্লেষকরাও পাকিস্তানকে ধরার মধ্যে না নিয়ে পারেননি। কিন্তু ইংল্যান্ডের জয়ে পাকিস্তানের সেমির আশা শেষ হয়ে গেল।

সেমিফাইনালে যেত পাকিস্তানকে অন্তত ৩৫০ রান করতে হবে। বাংলাদেশকে কমপক্ষে ৩১১ রানে হারতে হবে। ওয়ানডে ইতিহাসে ২৯০ রানের চেয়ে বড় জয়ের রেকর্ড নেই। আর বাংলাদেশ শুরুতে ব্যাট করলে কোন সুযোগই থাকবে না পাকিস্তানের। সরফরাজরা ‘অসম্ভবের’ চক্রে পড়ে গেছে। ইতিহাসের তাই পূনরাবৃত্তি ইচ্ছে না। ১৯৯২ বিশ্বকাপের ইতিহাস তাই শেষ পর্যন্ত ‘ঠকাল’ পাকিস্তানকে?

ইংল্যান্ড বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তান ১০৫ রানে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে অলআউট হয়। হার দিয়ে শুরু করে বিশ্বকাপ। এরপরই সামনে চলে আসে ইতিহাস। ১৯৯২ বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হয় পাকিস্তান। ওই বিশ্বকাপেও প্রথম ম্যাচে হারে পাকিস্তান। ২০১৯ বিশ্বকাপেও প্রথম ম্যাচ শুরু হারে।

১৯৯২ বিশ্বকাপে দ্বিতীয় ম্যাচে জেতে পাকিস্তান। ইংল্যান্ড বিশ্বকাপেও দ্বিতীয় ম্যাচে স্বাগতিকদের বিপক্ষে জয় পায় পাকিস্তান। সেবার ইমরান খানের দলের তৃতীয় ম্যাচটা বৃষ্টিতে ভেসে যায়। কাকতালীয় হলো এবার ভেসে যায় সরফরাজদের তৃতীয় ম্যাচটি।

ইতিহাস পরের ম্যাচগুলোতেও পাকিস্তানের পক্ষে ছিল। ১৯৯২ সালে চতুর্থ ও পঞ্চম ম্যাচে হারে পাকিস্তান। এবারও তাই। পরের তিন ম্যাচে জয় পায় পাকিস্তান। সে অনুযায়ী, এবারও ষষ্ঠ, সপ্তম এবং অষ্টম ম্যাচে জয় পায় পাকিস্তান। সেবারও অষ্টম ম্যাচে পাকিস্তান কিউইদের বিপক্ষে খেলেছিল। এবার খেলে আফগানদের বিপক্ষে। তবে জয় পায়।

কিন্তু ১৯৯২ বিশ্বকাপে বাংলাদেশ তো ছিল না। ছিল না গ্রুপ পর্বে নবম ম্যাচ। সেবারের ইতিহাসের সঙ্গে এবারের ইতিহাসে এই ফারাকটুকু ছিল। ইতিহাসের ঠিক ওই জায়গাটাই পাকিস্তানকে ‘ঠকাল’। নবম ম্যাচে পাকিস্তান ‘অসম্ভবের’ অঙ্কে পড়ে গেছে বাংলাদেশের বিপক্ষে। এই ম্যাচে তাই জিতলেও সেমি নিশ্চিত নয় তাদের। সরফরাজের হাতে জাদুর কোন কৌটা দিলেও এই সমীকরণ মেলাতে পারবেন কি-না তিনিই জানেন!

জুমবাংলানিউজ/ জিএলজি