খেলা-ধুলা

ক্রিকেটার শাওন গাজী নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন

এখনো নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন ক্রিকেটার সালেহ আহমেদ শাওন গাজী। অনূর্ধ্ব-১৯ দলের এই ক্রিকেটার কিছুদিন আগে বরিশাল পটুয়াখালীর নিজ গ্রামে সন্ত্রাসী হামলার শিকার হন। কয়েকদিন হাসপাতালে থেকে গতকাল তিনি মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে একাডেমির মাঠে অনুশীলনে যোগ দিতে আসেন। ঠিকভাবে হাঁটতে পারছিলেন না তিনি। হাতের এক পাশের চামড়া উঠে গেছে। মাথার এক পাশে আঘাতের চিহ্ন। দেখা হতেই জানালেন নিজের খারাপ অবস্থার কথা। আঘাতের স্থানগুলো দেখালেন। বললেন, ‘যে সন্ত্রাসীরা আমার উপর হামলা করেছিল তাদের দু’জন গ্রেপ্তার হয়েছে। বাকিরা বাইরে। পুলিশ যদি একটু জোর দিয়ে ওদের ধরে তাহলে নিরাপদে থাকতে পারি। কিন্তু তেমন কিছুই দেখছি না।’ সন্ত্রাসীদের এই হামলার পেছনে তার পিতা মতি গাজীর মদত আছে অভিযোগ করেছেন শাওনের মা ও শাওন। তবে গতকাল বলেন, ‘আমরা শুনেছি। যারা ধরা পড়েছে তারাও মনে হয় পুলিশের কাছে আমার বাবার কথা বলেছে। হতে পারে আমার বাবাই সন্ত্রাসী দিয়ে আমাকে মার খাইয়েছে। ওরা যখন আমাকে মারলো তখন আমার বাবা ওদের চা-শিঙ্গাড়া খাইয়েছে। ওরা দুই-তিন মাস জেল খেটে বের হয়ে আবার যে আমাকে কিছু করবে না তার গ্যারান্টি কী।’
শাওনের মুখ থেকে জানা যায়, গত ১৩ই ডিসেম্বর দুপুরে রনি, রফিক, রুবেল, সৌরভ ও নূর আলম মিলে মারধর করেন শাওনকে। রনি মাথায় ইট দিয়ে আঘাত করলে অজ্ঞান হয়ে পড়েন শাওন। সিটিস্ক্যান রিপোর্টে অবশ্য খারাপ কিছু ধরা পড়েনি। তবে মাথায় এখনো ব্যথা অনুভব করছেন এ ক্রিকেটার। গতকাল তিনি বলেন, ‘রনি আমাকে ইট দিয়ে মাথায় আঘাত করলে আমার মাথা ঘুরতে থাকে। তারপর যখন হাতে আঘাত লাগে তখন আমার অবস্থা বেশি খারাপ হয়ে যায়। তারপর লাথি, ঘুষি মারে। শরীরে এমনভাবে মেরেছে যে আঘাতের চিহ্ন রাখেনি। মাথায় ইটের আঘাতের চেয়ে হাতের আঘাতটাই দেখা গেছে। সঙ্গে একটা ছোট ভাই ছিল। ও পরীক্ষা দিয়ে বের হয়েছে, ওকেও ছাড়েনি।’ শাওন জানালেন, ‘রনি হচ্ছে সন্ত্রাসী, এলাকার মানুষের কাছ থেকে চাঁদা নেয়। রফিক, রনি, রুবেল, সৌরভ, নূর আলম-এই পাঁচজনকে আমি চিনতে পেরেছি। এই পাঁচজনের নামে মামলা করেছি। প্রথমে থানায় মামলা নিতে চায়নি। যখন ক্রিকেট বোর্ড ও মিডিয়াকে জানিয়েছি তখন মামলা নিয়েছে।’ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের সাবেক কোচ মিজানুল রহমান বাবুল, শাওনের উপর হামলাকারীরা যেন দ্রুত গ্রেপ্তার হয় সে জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তিনি বলেন, ‘এই ভাবে একজন ক্রিকেটারকে চাঁদা চেয়ে মারবে তা হতে পারে না। প্রশাসনকে অনুরোধ করছি যেন সন্ত্রাসীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে শাস্তির মুখোমুখি করে।

ভিডিও:কেঁচো খুড়তে সাপ বেড়লো!ঠিক তেমনই ভাঙ্গা ডিমের উৎপতি খুঁজতে যেয়ে যা বেরিয়ে আসলো সেটা সবার কাছে ছিলো অকল্পনীয়!

Add Comment

Click here to post a comment