আন্তর্জাতিক

মসজিদে সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট

ফাইল ছবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চের আল নুর মসজিদে সন্ত্রাসী হামলার নিন্দা জানিয়ে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান বলেছেন, আল্লাহ নিশ্চয়ই নিহতদের ক্ষমা করে দেবেন। আহতদের দ্রুত সুস্থ হওয়ার জন্য সহায়তা প্রয়োজন।-খবর গার্ডিয়ান

তিনি বলেন, এ হামলার ঘটনায় মুসলিম বিশ্বের পক্ষ থেকে নিউজিল্যান্ডের হতাহত নাগরিকদের প্রতি আমি শোক জানাচ্ছি।

ইসলামবিদ্বেষ ও বর্ণবাদ বৃদ্ধির সর্বশেষ দৃষ্টান্ত হিসেবে এ ঘটনাকে দাঁড় করিয়েছেন মুসলিম বিশ্বের এ নেতা।

এর আগে এ সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান।

তিনি বলেন, সন্ত্রাসবাদ কখনো ধর্ম হতে পারে না। নিহত ও তাদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি তিনি সমবেদন জানিয়েছেন।

এদিকে নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জাসিন্দা আরডান বলেছেন, ক্রাইস্টচার্চে যা ঘটেছে, সেটা সন্ত্রাসী হামলা। এখন পর্যন্ত আমরা যা জেনেছি, তাতে এটা পরিষ্কার যে, এ হামলা ছিল সুপরিকল্পিত।

তিনি বলেন, হামলাকারীর গাড়িতে দুটি বিস্ফোরক ডিভাইস যুক্ত করা ছিল। তাদের কাছ থেকে অস্ত্র নিয়ে নেয়া হয়েছে।

ক্রাইস্টচার্চের আল নুর মসজিদে এলোপাতাড়ি গুলি চালিয়ে ৪০ মুসল্লিকে হত্যা করেছেন অস্ট্রেলিয়ার এক শ্বেতাঙ্গ শ্রেষ্ঠত্ববাদী সন্ত্রাসী। এতে আরও অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।-খবর এএফপির

প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, একটি আধা স্বয়ংক্রীয় শর্টগান ও রাইফেল দিয়ে সাউথ আইল্যান্ডে আল নুর মসজিদে অন্তত ৫০টি গুলি ছোড়েন ২৮ বছর বয়সী এই যুবক।

ক্ষুদেব্লগ টুইটারে হামলাকারী নিজের পরিচয় দিয়েছেন ব্রেনটন ট্যারেন্ট নামে। তিনি নিউ সাউথ ওয়েলসের গ্রাফটন থেকে এসেছেন।

এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ার সময় মসজিদের ভেতর থেকে সামাজিক মাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচার করেন এই শ্বেতাঙ্গ শ্রেষ্ঠত্ববাদী।

শুক্রবার জমার নামাজ চলার সময় এই নৃশংস হামলার ঘটনা ঘটেছে। হামলায় জড়িত সন্দেহে এখন পর্যন্ত এক নারীসহ চার ব্যক্তিকে কারাগারে আটক রাখা হয়েছে।

আটকের সময় তাদের একজন সুইসাইড ভেস্ট পরা অবস্থায় ছিলেন।

হত্যাকাণ্ড ঘটনার আগে টুইটারে ৮৭ পাতার ইশতেহার আপলোড করেছেন হামলাকারী। এরমাধ্যমে সন্ত্রাসী হামলার আভাস আগেই তিনি দিয়েছিলেন।

On behalf of my country, I offer my condolences to the Islamic world and the people of New Zealand, who have been targeted by this deplorable act – the latest example of rising racism and Islamophobia.

— Recep Tayyip Erdoğan (@RT_Erdogan) March 15, 2019

জুমবাংলানিউজ/এসএস