বিনোদন

কে এই আজিজ মোহাম্মদ ভাই? সামিরা সোনারগাঁও হোটেলে এত টাকা নিয়ে কি করছিল?বেরিয়ে এসেছে অনেক রহস্যজনক তথ্য

সালমানকে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করলেন সালমান শাহ’র ছোট ভাই শাহরান। তিনি বলেন, সালমান শাহ হত্যার পুরো ঘটনা ধামাচাপা দেওয়া হয়েছে। আমরা যখন সালমানকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তখন তাদের সাথে চালাকির আশ্রয় নেওয়া হয়।

আমার বাবা-মাকে আলাদা ভাবে সরিয়ে দিয়ে দ্রুত পোস্ট মর্টেম করতে নিয়ে যাওয়া হয়। আমি পোস্ট মর্টেম এর সময় থাকতে চেয়েছিলাম আমাকে থাকতে দেওয়া হয়নি।

আজ সকালে সালমানের মা নীলা চৌধুরীর সাথে ফেসবুক লাইভে এসে এসব কথা বলেন। শাহরান লাইভে দাবি করেন সালমান শাহ’র ওজনের কথা উল্লেখ করে বলেন, যদি সে ফ্যানে ঝুলে আত্মহত্যা করে তাহলে ফ্যান একটুও বাঁকা হলো না কেন? ফ্যান তো ভেঙে পড়ার কথা।

তিনি বলেন, সালমান শাহ যদি আত্মহত্যাই করে থাকে তাহলে সকালে ঘুম থেকে উঠে কেন করলো? মানুষ তো ঘুম থেকে উঠে এরকম করতে পারে না, করলে রাতেই করতে পারতো।

সালমান শাহকে হত্যা করা হয়েছে উল্লেখ করে শাহরান বলেন, যদি সালমান শাহকে আত্মহত্যা করে থাকে তাহলে তার রুমের দরজায় কেন দায়ের কোপ থাকবে? দেওয়ালে কেন ধস্তাধস্তির চিহ্ন থাকবে? আমি নিজে দেখেছি সেসব। আমার ভাই মার্লবোরো গোল্ড ব্র্যান্ডের সিগারেট খেতো, সেখানে অন্য ব্র্যান্ডের সিগারেটের খোসা আসলো কোথা থেকে? কারা খেয়েছিল এই সিগারেট?

শাহরাণ বলেন, সামিরাকে ‘কিস’ করার জন্য আজিজ মোহাম্মদকে ভাইকে সালমান প্রকাশ্যে সোনারগাঁও হোটেলে চড় মেরেছিল। এই বিষয়টা সবাই জানে। ওইদিন টাকা সহ সামিরাকে হাতেনাতে ধরে ফেলে সালমান ভাই , এ টাকা কিভাবে পেয়েছিল সামিরা তার কোন সদত্তর দিতে পারেনি … সম্ভবত এই টাকা দিয়ে কোন ষড়যন্ত্র করার কাজে নিয়েছিল সামিরা আজিজের কাছ থেকে ।

শাহরান বলেন, আমার ভাইকে আমি চিনি, আমার সাথে সে অনেক ঘনিষ্ঠ। যদি তার মনে কোনো এরকম চিন্তা থাকতো তাহলে অবশ্যই আমার সাথে শেয়ার করতো। আমরা একই বিছানায় ঘুমাতাম।

দাফনের আগে আমি তাকে গোসল করিয়েছিলাম। আমি তার ফাঁসির কোনো চিহ্ন ছিল না, একটা টেলিফোনের তার জড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছিল।

শাহরান বাংলাদেশ সরকারের কাছে শালমান শাহ হত্যার বিচার চেয়েছেন। তিনি বলেন, আমার ভাইয়ের হত্যাকারীদের শাস্তি হোক, একটা ফেয়ার বিচার হোক।