জাতীয়

কারাগারে সেই ঐশীর কান্নার যেন নেই শেষ

রাজধানীর চামেলীবাগে নিজের বাসায় বাবা-মাকে খুনের দায়ে যাবজ্জীবন দণ্ড প্রাপ্ত সেই ঐশী এখন কাশিমপুর মহিলা কারাগারে বন্দি। ঐশী যখন তার বাবা-মাকে হত্যা করে তখন সে নেশাসক্ত ছিল বলে জানা যায়। কিন্তু সেই নেশা এখন আর নেই। স্বাভাবিক জীবনযাপন করছে সে। অনেক চুপচাপ।

কারা কর্তৃপক্ষের ভাষ্যমতে, নেশাসক্তি কেটে যাওয়ার পর থেকেই অনুশোচনা চলছে ঐশীর ভেতর। এখন প্রায়ই অনুশোচনায় নিস্তব্ধ হয়ে থাকে। নিজের সেলে ফুপিয়ে কাঁদে। রমজানে নিয়মিত রোজা রাখছে, নামাজও পড়ে। বিশেষ করে ফাঁসির আদেশ হওয়ার পর থেকে আগের মতো আচরণ করছে না।

বাবা-মাকে হত্যার দায়ে ২০১৫ সালে ঐশীকে ফাঁসির আদেশ দেয় বিচারিক আদালত। তার বন্ধু রনির সাজা হয় দুই বছরের কারাদণ্ড। পরে আপিলে ২০১৭ সালের ৬ জুন উচ্চ আদালত ঐশীর সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন করে। সেই থেকে ঐশী স্থায়ীভাবে কাশিমপুর মহিলা কারাগারের বাসিন্দা।

এর আগে ২০১৩ সালের ১৬ আগস্ট সকালে চামেলীবাগের বাসা থেকে পুলিশ ইন্সপেক্টর মাহফুজুর রহমান ও তার স্ত্রী স্বপ্না রহমানের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এর আগেই ঐশী বাসা থেকে পালিয়ে যায়।

পরদিন ১৭ আগস্ট মাহফুজুর রহমানের ভাই মশিউর রহমান এ ঘটনায় পল্টন থানায় হত্যা মামলা করেন। ওই দিনই ঐশী পল্টন থানায় আত্মসমর্পণ করে তার বাবা-মাকে খুন করার কথা জানায়। পরে ২৪ আগস্ট আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দেয় ঐশী। তবে পরে ওই জবানবন্দি প্রত্যাহারের জন্য আবেদন করেছিল।

কিন্তু সাক্ষ্য, আলামত ও অন্যান্য যুক্তির পরিপ্রেক্ষিতে তা নাকচ হয়ে যায়।

জুমবাংলানিউজ/ জিএলজি