জাতীয়

এমপি জাফর আলমকে এলাকা ত্যাগের নির্দেশ, বাড়িতে অবরুদ্ধ

এবার কক্সবাজার-১ আসনের সংসদ সদস্য জাফর আলমকে নির্বাচনী এলাকা চকরিয়া ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এই নির্দেশ অমান্য করেও যদি এলাকায় তিনি অবস্থান করেন তাহলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণেরও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে জেলা পুলিশ সুপারকে।

আজ রবিবার সন্ধ্যার পর এ সংক্রান্ত একটি পত্র জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে প্রেরণ করা হয়। পরে সেই পত্র পৌঁছে দেওয়া হয় চকরিয়া থানার ওসির কাছে। নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের উপসচিব মাহফুজা আক্তার স্বাক্ষরিত এই পত্রটি গত ১৩ মার্চ ইস্যু করা হয় এমপি জাফর আলমকে। তবে রহস্যজনক কারণে এই পত্রটি গোপন করা হয়।

বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন চকরিয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও চকরিয়া উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. সাখাওয়াত হোসেন।

সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা বলেন, ‘আজ রাত ৮টার দিকে এ সংক্রান্ত পত্রটি জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. বশির আহমদের কাছে প্রেরণ করা হয়। পরে সেই পত্র প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে প্রেরণ করা হয় চকরিয়া থানার ওসির কাছে।’

সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা সাখাওয়াত জানান, নির্বাচন কমিশনের এই নির্দেশনার পরও যদি এমপি এলাকা ত্যাগ না করেন তাহলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থার অংশ হিসেবে তাকে গ্রেপ্তারেরও নির্দেশনা রয়েছে। এই পত্র প্রাপ্তির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন চকরিয়া থানার ওসি মো. বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী।

এদিকে আজ রবিবার সন্ধ্যার পর থেকে উপজেলার ৯৯টি কেন্দ্রের মধ্যে বেশ কয়েকটি কেন্দ্র দখলে নিয়ে ব্যালটে সিল মারতে সরকারদলীয় প্রার্থী গিয়াস উদ্দিনের লোকজন তৎপরতা অব্যাহত রেখেছে বলে অভিযোগ করেছেন দলের বিদ্রোহী প্রার্থী ফজলুল করিম সাঈদী।

তবে কক্সবাজার জেলা পুলিশের জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার কাজী মো. মতিউল ইসলাম বলেন, ‘এ ধরনের চেষ্টা যারাই করুক তাদেরকে প্রতিহত করতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা মাঠে রয়েছে। প্রতিটি ইউনিয়নে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে স্ট্রাইকিং ফোর্স কাজ করছে।’

সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. সাখাওয়াত হোসেন আরো বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের আদেশ অনুযায়ী আমরা পুলিশ-বিজিবিসহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে সঙ্গে নিয়ে এমপি জাফর আলমকে বাড়িতে অবরুদ্ধ করে রেখেছি। সেখানে পুলিশি পাহারায় রাখা হয়েছে এমপিকে। এর পরও তিনি বাইরে যাওয়ার চেষ্টা করলে তাকে গ্রেপ্তারের মৌখিক নির্দেশনা রয়েছে নির্বাচন কমিশনের।’

জুমবাংলানিউজ/ জিএলজি