জাতীয় বরিশাল বিভাগীয় সংবাদ

এতকিছুর পর প্রেমিককে বিয়ে না করেই নিজ দেশে ফিরে যাচ্ছেন ইন্দোনেশিয়ান তরুণী, কিন্তু কেন

ইন্দোনেশিয়া থেকে প্রেমের টানে পটুয়াখালীর বাউফলে ছুটে আসা তরুণী নিকি উল ফিয়া প্রেমিককে রেখেই নিজ দেশে চলে যাচ্ছেন। কারণ যার প্রেমে পরে তিনি এই বাংলাদেশে এসেছিলেন সেই প্রেমিক মো. ইমরান হোসেন এখনও ১৯ বছরের তরুণ।

জানা গেছে, তরুণীর প্রেমিক ইমরানের ২১ বছর না হওয়ায় আইনি জটিলতা দেখা দেয়। এমন পরিস্থিতিতে স্বদেশে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। তবে ইমরানের বিয়ের বয়স না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন নিকি উল ফিয়া।

গত ১ ডিসেম্বর নিকি উল ইন্দোনেশিয়া থেকে তার প্রেমিকের বাড়ি পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার দাসপাড়া ইউনিয়নের পুরান বাবুর্চি বাড়ি চলে আসেন। এক বছর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেইসবুকে তাদের পরিচয়। সেখান থেকে বন্ধুত্ব, বন্ধুত্ব পরে প্রেমে গড়ায়। আর সে টানেই বাঙালি তরুণের কাছে ছুটে এসেছেন।

তিনি ইন্দোনেশিয়ার সুরা বায়া বিভাগের জাওয়া গ্রামের মি. ইউ লি আন থো-এর মেয়ে। ওই তরুণী একটি বেসরকারি বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন। বাবাও চাকুরিজীবী। আর যার কাছে এসেছেন সে তরুণের নাম মো. ইমরান হোসেন। তিনি বাউফল উপজেলার দাসপাড়া ইউনিয়নের পুরান বাবুর্চি বাড়ি গ্রামের দেলোয়র হোসেনের পুত্র। ইমরান পটুয়াখালী সরকারি কলেজের উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিষয়ে অর্নাস তৃতীয় বর্ষের ছাত্র।

ইমরান বলেন, ‘প্রায় এক বছর আগে ফেসবুকের মাধ্যমে ইন্দোনেশিয়া তরুণী নিকি উল ফিয়ার সঙ্গে তার পরিচয় হয়। পরিচয়ের মাধ্যমে বন্ধুত্বের একপর্যায়ে তার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক হয়। নিকি উল আমার দেশ ও আমাদের সংস্কৃতি সম্পর্কে আমার কাছ থেকে ধারণা নেয়। আমার পরিবার সম্পর্কে সব কিছু জানার পর সম্পর্কের স্থায়ী রূপ দিতে আগ্রহ জানায়। পরে গত ১ ডিসেম্বর বাংলাদেশে আসে।’

তরুণী নিকি উল ফিয়া সাংবাদিকদের বলেন, ‘ইমরানের প্রতি গভীর ভালোবাসার টানে বাংলাদেশে অাসা। পরিবারকে অবগত করেই আমি বাংলাদেশে এসেছি। আমি তার (ইমরান) সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে চাই। এ দেশের মানুষের আতিথেয়তা ও ভালোবাসায় আমি মুগ্ধ।’

এছাড়া ইমরানের বাবা দেলোয়ার হোসেন বলেন, এখানে এসে নিকি উল ফিয়া ফেইসবুকের মাধ্যমে তার বাবা মায়ের সঙ্গে কথা বলেছে। এখন বিয়ের সব কিছুই নির্ভর করবে নিকি উল ফিয়ার ইচ্ছার ওপর।