খেলা-ধুলা

এগিয়ে থেকেও যে কারণে কোচ হতে পারলেন না শেহবাগ?

ভারতীয় ক্রিকেট দলের কোচ নির্বাচনের ক্ষেত্রে অনেক নাটক দেখেছে ক্রিকেট বিশ্ব। দিনভর অনেক নাটকের পর ভারতের কোচ হয়েছেন রবি শাস্ত্রী। সঙ্গী হিসেবে দুজন পরামর্শকও জুটেছে তাঁর—রাহুল দ্রাবিড় ও জহির খান। হয়তো এরই মধ্যে সামনের শ্রীলঙ্কা সফর নিয়ে ভাবনাও শুরু করে দিয়েছেন।

তবে একটু ‘এদিক-ওদিক’ হলেই শাস্ত্রীর জায়গায় থাকতে পারতেন বীরেন্দর শেহবাগ। অধিনায়ক বিরাট কোহলিও নাকি শেহবাগকে দেখতে চেয়েছিলেন কোচের দায়িত্বে! পাঁচজন প্রার্থী সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন ভারতের কোচ হতে। আইপিএলে কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবে পরামর্শক হিসেবে দায়িত্ব পালন করার পর আশাবাদী হয়ে উঠেছিলেন শেহবাগ।

পুরো প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত থাকা এক ব্যক্তি টাইমস অব ইন্ডিয়াকে জানিয়েছেন, পাঞ্জাবের হয়ে সাফল্যের পর বীরু আত্মবিশ্বাসী ছিলেন আরও উচ্চপর্যায়ে কাজ করতে পারবেন। এ কারণে বিসিসিআইয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা তাঁকে আবেদন করতে বলেন।
কোহলি ও তাঁর দল অনিল কুম্বলেকে চাকরি ছাড়তে বাধ্য করলেও শেহবাগের ব্যাপারে রাজিই ছিলেন।

সাবেক ওপেনার নিজেই কোহলির সঙ্গে কথা বলেছিলেন এ নিয়ে। টাইমস অব ইন্ডিয়াকে ওই সূত্র জানিয়েছে, ‘কোহলি শেহবাগকে আবেদন করতে উৎসাহিত করেছেন, “অবশ্যই, বীরু ভাই। ভারতের ক্রিকেটে আপনার অবদান অনেক এবং আমরা সবাই আপনার সঙ্গে পরিচিত। আমার কোনো সমস্যা নেই, আপনি যদি আবেদন করেন। দলে অবদান রাখতে পারবে—এমন যে–কারওরই আবেদন করা উচিত।”
এত উৎসাহ, বাণীতেও কাজ হয়নি। কারণ, শেহবাগ দায়িত্ব পাওয়ার জন্য সহযোগী হিসেবে আরও দুজনকে আনতে চেয়েছিলেন। ফিজিও থেরাপিস্ট অমিত তিয়াগি এবং পাঞ্জাবের সহকারী কোচ মিঠুন মানহাস। কিন্তু দল ও বোর্ড বর্তমান স্টাফেই সন্তুষ্ট থাকায় শেহবাগের প্রস্তাবে রাজি হয়নি। আর এ কারণেই শেহবাগকে টপকে শাস্ত্রীই হয়েছেন কোচ।