slider জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

ইন্টারনেট বন্ধ হচ্ছে না

ইন্টারনেটের গতি স্বাভাবিক রাখতে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।

সোমবার সকালে ইন্টারনেটের গতি স্বাভাবিক রাখতে নতুন নির্দেশনাটি ইন্টারন্যাশনাল ইন্টারনেট গেটওয়েকে (আইআইজি) মেইল করেছেন বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড অপারেশন বিভাগের সিনিয়র সহকারী পরিচালক আবদুল্লাহ আল আমিন।

সেখানে বলা হয়, ইন্টারনেটের গতি এখন থেকে আগের মতোই স্বাভাবিক থাকবে।

এসএসসি পরীক্ষার দিনগুলোতে প্রশ্নপত্র ফাঁস প্রতিরোধ করতে এবার আড়াইঘণ্টা করে সব ধরনের ইন্টারনেট সেবা ধীরগতি রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল। ধীরগতির পরিমাণ এমন স্তরে রাখা হচ্ছে সেটাকে ইন্টারনেট বন্ধ বলেই উল্লেখ করছেন খাত সংশ্লিষ্টরা। এই সিদ্ধান্তের ফলে এভিয়েশন খাতে বিপর্যয় নেমে আসতে পারে। তাই আজ সোমবার ইন্টারনেটের গতি স্বাভাবিক করা হয়।

এর আগে রোববার এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে ইন্টার নেট গতি কমানোর নির্দেশনা দেয়া হয়েছিল। ইন্টারনেট ধীরগতি করার মহড়া দেয়ার জন্য আধা ঘণ্টার জন্য আইএসপি, ওয়াইম্যাক্স ও মোবাইল ফোন অপারেটরদের ইন্টারনেট গতি কমিয়ে রাখার নির্দেশনা দেয়া হয়।

বিটিআরসির নির্দেশনায় বলা হয়েছে, আইআইজিগুলোকে এএনএস অপারেটরগুলোকে ইন্টারনেটের ডাউনস্ট্রিম গতি ২৫ কিলোবাইট পার সেকেন্ড (কেবিপিএস) করা হয়েছিল। এই নির্দেশনার ফলে আইএসপি, ওয়াইম্যাক্স এবং মোবাইল ইন্টারনেটসহ সব ধরনের ইন্টারনেট ধীরগতি হয়ে যায়।

এর আগে রোববার সকালে এসএসসি পরীক্ষা শুরুর সময় সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ১০টা পর্যন্ত শুধুমাত্র মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ রাখতে নির্দেশ দেয় বিটিআরসি। তবে বিটিআরসির পক্ষ থেকে এক ঘণ্টা মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ রাখতে বললেও সাড়ে ৯টা থেকে ৩০ মিনিটের জন্য এ সেবা বন্ধ ছিল।

এই সময়ের মধ্যে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবায় কোনো বিঘ্ন না ঘটলেও পরের নির্দেশনায় সকল ইন্টারনেটের গতি কমিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ১২, ১৩, ১৫, ১৭, ১৮, ১৯, ২০, ২২ ও ২৪ ফেব্রুয়ারি পরীক্ষার দিন সকালে আড়াইঘন্টা এবং ১৮ ফেব্রুয়ারি দুপুর ১২টা থেকেও আড়াইঘন্টা ইন্টারনেটের গতি কমিয়ে রাখতে বলা হয়।

কিন্তু পরে সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে সরকার। তাই পরীক্ষার দিন কমছে না নেটের গতি।