অন্যরকম খবর আন্তর্জাতিক

আপত্তিকর ছবি ভুল জায়গায় চলে গেল?

ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, ইমো, ট্যুইটার, স্ন্যাপচ্যাট, উই চ্যাট- এমন নানাবিধ সোশ্যাল মিডিয়ার উপস্থিতিতে বিশ্ব যেন হাতের মুঠোয়। বিশ্বের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তের লাইভ ভিডিও দেখা যাচ্ছে এগুলোর মাধ্যমে। পরিজনের সঙ্গে লাইভ কথা বলা যাচ্ছে। এমনকি আদান-প্রদান হচ্ছে ব্যক্তিগত ছবিও। অনেকে একাকিত্ব কাটাতেও ডুবে থাকে সোশ্যাল মিডিয়ায়। এখান থেকেই কারও কারও জীবনে আসে নতুন প্রেম। আবার কারও জীবনে আসে ঘর ছাড়ার নিষিদ্ধ আহ্বান। অর্থাৎ, অতি সহজে কোন বিবাহিত পুরুষ বা নারী নিজের ঘর সংসার ভুলে অন্যের প্রেমে মগ্ন হয়ে যান। ভেঙে যায় দীর্ঘদিনের সুখ-দুঃখের সংসার। পরবর্তীতে এমন ঘরছাড়া অনেককে আত্মহত্যাও করতে দেখা যায় যখন বিপরীত দিকের মানুষটির মোহ কেটে যায়।

আজকাল কমবেশি সকলেই সোশ্যাল মিডিয়ায় আসক্ত। কী নেই সেই তালিকায়। দূরে থাকলেও একে-অপরের সঙ্গে শুধু ফোনে বা মেসেজে কথা বলার চেয়ে এই ধরনের অ্যাপ ব্যবহার করতেই পছন্দ করেন সবাই। জরুরি কথা থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত অনেক কিছুই শেয়ার করেন এসব অ্যাপের মাধ্যমে। শুধু তাই নয়, ছবি-ভিডিও সব কিছুই পাঠানো সম্ভব হয়ে ওঠে। কিন্তু কিছু কিছু সময় এটাই সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। একজনকে পাঠাতে গিয়ে ভুল করে অনেকেই ব্যক্তিগত জিনিস অন্যকে পাঠিয়ে ফেলেন।

সবচেয়ে বেশি সমস্যা হয় বোধহয় প্রেমিক-প্রেমিকা এবং স্বামী-স্ত্রী’দের ক্ষেত্রে। অনেক সময়েই দেখা যায়, একজনের আবদার মেটাতে অপরজন কিছু ব্যক্তিগত ছবি বা ভিডিও শেয়ার করেছেন। কিন্তু ভুল করে সেটা চলে গেছে অন্যের কাছে। মাঝেমধ্যেই দেখা যায়, বয়ফ্রেন্ডকে পাঠাতে গিয়ে নিজের অন্তর্বাস পরিহিত ছবি বাবাকে পাঠিয়ে ফেলেছে তরুণী। কিংবা স্বামীকে পাঠাতে গিয়ে সন্তানকে একইরকম ছবি পাঠিয়ে ফেলেছেন মা। আর এই ঘটনাগুলিই মাঝেমধ্যে চলে আসে খবরের শিরোনামে।

তবে এর পরিবর্তে অনেকসময় বাবা-মা কিংবা সন্তানদের প্রত্যুত্তরও হয় বেশ মজার। হালকাভাবেই বিষয়টি মেনে নেয় সবাই। তবে কিছু কিছু সময় আবার কপালে দুঃখ থাকে সন্তানদের। বিশেষ করে মেয়েদের এই সমস্যায় পড়তেই হয়। কারণ মেয়ে কার সঙ্গে প্রেম করছে কিংবা কাকে নিজের গোপন ছবি পাঠাচ্ছে মা-বাবা সেটা জানার চেষ্টা করেই থাকেন।