জাতীয় ঢাকা হিন্দু

‘অলৌকিক শক্তি’ লাভের আশায় এ কী রোমহর্ষক ‘আরাধনা’ শ্মশানে!

জুমবাংলা ডেস্ক : পাঁচজন হিন্দু কিশোর শ্মশান ঘাটে গিয়ে একটি নবজাতকের সমাধি খুঁড়ে মৃতদেহ তুলে আনে। এরপর ধারাল অস্ত্র দিয়ে শিশুটির মাথা বিচ্ছিন্ন করা হয়। ছিন্ন মাথাটি ঘিরে আরাধনা শুরু করে তারা। ঢাকার পোস্তগোলা শ্মশানে এই ‘আরাধনার’ সময় বিকৃত মস্তিষ্কের ওই কিশোরদের ধরে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয়রা।

গতকাল মঙ্গলবার মধ্যরাতে এই কিশোররা দল বেঁধে এই বীভৎস কাণ্ড ঘটায় বলে শ্যামপুর থানার ওসি মিজানুর রহমান জানিয়েছেন। গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদে ওই কিশোররা বলেছে, তারা অলৌকিক শক্তির অধিকারী হওয়ার আশায় এই বীভৎস কাণ্ড ঘটিয়েছে।

ওসি মিজানুর রহমান বলেন, পুরান ঢাকার এক ব্যবসায়ীর নবজাতক সন্তান সোমবার মারা যান। শিশু হওয়ায় ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী তাকে বায়ু সমাধি (পোড়ানো) না দিয়ে মৃত্তিকা সমাধি দেওয়া হয়েছিল শ্যামপুর শ্মশান ঘাটে। এরপর রাত ২টার দিকে ওই পাঁচ কিশোর শ্মশানে গিয়ে নবজাতকের মৃতদেহ তুলে ফেলে এবং ধারাল অস্ত্র দিয়ে শরীর থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন করে ফেলে। এরপর ছিন্ন মাথাটি ঘিরে তারা আরাধনা শুরু করে।

‘ওই সময় শ্মশানে কর্তব্যরত সিটি করপোরেশনের দায়িত্বরত কর্মচারীরা তা দেখে ওই কিশোরদের ঘিরে ফেলে থানায় খবর দেন। এলাকার মানুষও জড়ো হয়ে যায়। খবর পেয়ে  পুলিশ গিয়ে শিশুটিকে আবার সমাহিত করে। এরপর ওই পাঁচ কিশোরকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসে। তারা পুলিশকে জানায়, এ কাজ করলে অলৌকিক শক্তির অধিকারী হবে বলে তারা শুনেছে।’

ওসি মিজান বলেন, এই কিশোরদের বসবাস একই এলাকায়। এদের সবার বাবা ডোম। এই ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের কিশোর আদালতে পাঠানো হবে।

জুমবাংলানিউজ/এইচএমজেড